রোহিঙ্গাদের জন্য তৈরি ২৫০টি ঘর হস্তান্তর করল ভারত
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=118829 LIMIT 1

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১১ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৭ ১৪২৭,   ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

রোহিঙ্গাদের জন্য তৈরি ২৫০টি ঘর হস্তান্তর করল ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:০৩ ১২ জুলাই ২০১৯  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

মিয়ানমারের নির্যাতীত রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের জন্য রাখাইনে নির্মাণ করা ২৫০টি ঘর দেশটির সরকারের কাছে হস্তান্তর করেছে ভারত।

দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী ও উগ্রপন্থী বৌদ্ধদের নির্যাতনের মুখে রাখাইন থেকে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিষয়টি এগিয়ে নিতেই ভারতের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে ভারতীয় একজন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন।

তিনি আরো জানান, ভারত সরকার আড়াই কোটি ডলারের রাখাইন উন্নয়ন প্রকল্প ‘আরএসডিপি’ এর অধীনে এ ঘরগুলো নির্মাণ করেছে।
বাংলাদেশে প্রায় দুই বছর ধরে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়ে আছে। তাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি করলেও তার বাস্তবায়ন হয়নি।

কক্সবাজারে শরণার্থী ক্যাম্পে দুর্দশার মধ্যে দিন কাটলেও রোহিঙ্গারা ফিরতে চাইছে না, কারণ তাদের ধারণা, ফিরে গেলে আবারও তাদের নিপীড়নের শিকার হতে হবে।

সেজন্য জাতিসংঘের মত বাংলাদেশও মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ফেরার অনুকূল পরিবেশ তৈরি ওপর জোর দিয়ে আসছে।  

উত্তর রাখাইনের শোয়ে জার, কেইন চং টং এবং নান্ট থার টং গ্রামে বানিয়ে দেওয়া ওই ২৫০টি বাড়ি চলতি সপ্তাহে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন ভারতের রাষ্ট্রদূত সৌরভ কুমার।

ভারত কেবল হিন্দু রোহিঙ্গাদের জন্য বাড়িগুলো বানিয়ে দিয়েছে বলে কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে খবর এলেও মিয়ানমার সরকার তা অস্বীকার করেছে। তারা বলছে, হিন্দুদের পাশাপাশি মুসলমান রোহিঙ্গারাও সেখানে আশ্রয় পাবে।

ভারতীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, তাদের দেওয়া সহযোগিতার টাকায় রাখাইনে স্কুল ও বাজার নির্মাণের মত ২১টি প্রকল্পের একটি প্রস্তাবিত তালিকাও মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ দিয়েছে।

তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলে আসছে, রাখাইনে নিপীড়ন বন্ধ না হলে এবং মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এ ধরনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তেমন কোনো সুফল পাওয়া যাবে না।

ডেইলি বাংলাদেশ/মাহাদী