Alexa রেডক্রসের পদক জিতেছিল যে তোতাপাখি

ঢাকা, শনিবার   ১৮ জানুয়ারি ২০২০,   মাঘ ৪ ১৪২৬,   ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

রেডক্রসের পদক জিতেছিল যে তোতাপাখি

 প্রকাশিত: ১৯:০৭ ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭  

ছবি সংগৃহীত

ছবি সংগৃহীত

প্রাণিজগতের কিছু কিছু প্রাণি আছে, যেগুলো আমরা বাড়িতে পুষে থাকি। মনিবের জন্য তাদের আত্মত্যাগ থাকে সব সময়। এই প্রাণিগুলো পরে হয়ে পড়ে পরিবারের আপনজন।

পাঠকদের আজ এমন এক পোষা তোতাপাখির সম্পর্কে জানাবো, যেটি দারুণ বুদ্ধিমত্তায় বাঁচিয়েছিল একটি শিশুর জীবন। এর সূত্র ধরে সর্বপ্রথম ‘এনিমেল লাইফ সেভার অ্যাওয়ার্ড’ জিতে নিয়েছিল সে।

হলো কলোরাডোর ডেনভারে বসবাসকারী মেগান হাওয়ার্ড নামের এক নারী তার পোষা তোতাপাখিটির নাম রেখেছিলেন ইউলি। মেগান ছিলেন একজন বেবি-সিটার। তিনি যেখানেই যেতেন, সবসময় তার তোতাপাখিকে নিজের কাছে রাখতেন।

২০০৮ সালের নভেম্বর মাসের ঘটনা। একটি বাচ্চাকে দেখাশোনা করছিলেন মেগান। বাচ্চাটিকে খেতে দিয়ে তিনি একটু ওয়াশরুমে যান।কিন্তু কিছুক্ষণ পর বাচ্চাটির গলায় খাবার আটকে যায়। নিঃশ্বাস আটকে আসায় বাচ্চাটির চেহারা নীল বর্ণ ধারণ করে। কিছু দূরে থাকা উইলি ব্যাপারটা লক্ষ্য করে। সে দ্রুত পাখা ঝাপটাতে এবং চিৎকার করতে শুরু করে।

মেগান দ্রুত উইলির কাছে আসেন, কী হয়েছে সেটা দেখার জন্য। তখন উইলি মেগানের দৃষ্টি বাচ্চাটির দিকে ফেরানোর জন্য বারবার ‘মামা বেবি, মামা বেবি’ বলে চিৎকার করতে থাকে।

চেহারা প্রায় নীল হয়ে যাওয়ায় মেগান দ্রুত বাচ্চাটির কাছে ছুটে যান এবং মুখের ভেতরে আটকে থাকা খাবার বের করে ফেলে দেন। ফলে বাচ্চাটি প্রাণে বেঁচে যায়।

রেড ক্রসের ‘এনিমেল লাইফ সেভার অ্যাওয়ার্ড’টি তাকে দেয়া হয়, যিনি কোনও প্রাণির জীবন বাঁচান। শিশুর জীবন বাঁচানোর জন্য সর্বপ্রথম তোতাপাখি হিসেবে উইলিকে দেয়া হয় এই পুরস্কার।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে