রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠানোয় অর্থমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা

ঢাকা, বুধবার   ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ১৫ ১৪২৭,   ১২ সফর ১৪৪২

রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠানোয় অর্থমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:১৮ ৩ আগস্ট ২০২০  

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল- ফাইল ফটো

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল- ফাইল ফটো

করোনাভাইরাসের মধ্যেও শুধু জুলাই মাসেই ২.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এ  সময়ে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করেছে। তাই ঈদুল আজহার পর প্রথম কার্যদিবসেও সব প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। 

সোমবার সকালে চিকিৎসার ফলোআপের পরে লন্ডন থেকে ঢাকায় ফিরে নিয়মিত দাফতরিক কাজকর্ম শুরুর সময় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশ ও পরিবারের প্রতি ভালোবাসা এবং দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। অর্থনীতির চাকাকে বেগবান রাখতে বড় অবদান রাখছে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স। বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের মধ্যেও শুধু জুলাইয়ে ২.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। 

তিনি আরো বলেন, ইতিহাসে একক মাসে এর আগে কখনো এত পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি। গত জুন মাসের পুরো সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিলো ১.৮৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রবাসী আয়ের এ ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকার জন্য সরকারের সময়োপযোগী ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের ইতিহাসে এযাবতকালের মধ্যে সর্ব্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭.২৮৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। গত ৩০ জুন বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিলো ৩৬.০১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাসে সেটি ছিলো সর্বোচ্চ। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে সেটি পৌঁছেছে ৩৭.২৮৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেকর্ডে। রিজার্ভের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধিতে গুরূত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে রেমিট্যান্সের অন্তঃপ্রবাহ।

রেমিট্যান্সে দেশের এ অনন্য রেকর্ডে প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, গত অর্থবছরের শুরু থেকে প্রবাসীদের পাঠানো আয়ের উপর ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা প্রদান অব্যাহত আছে। যার ফলে গত বছর ১৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। চলতি অর্থবছরে ৩-৫ বিলিয়ন ডলার বাড়তি অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি। সামনের দিনে রেমিট্যান্স বৈধ পথে আনতে যত কৌশল অবলম্বন করতে হয় সেটা আমরা নেবো। প্রবাসীদের রয়েছে দেশের প্রতি অকৃতিম ভালোবাসা আর মমত্ববোধ। তাদের টাকা প্রেরণে যত বাধা রয়েছে সেগুলো দূর করা হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসএস/এমআরকে