Exim Bank Ltd.
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ৫ আশ্বিন ১৪২৫

ভাওয়াল রাজা

রুপকথাকে হার মানানো যে বাস্তব

আফসানা স্বর্ণাডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
রুপকথাকে হার মানানো যে বাস্তব
ছবি: সংগৃহিত

বাস্তব অনেক ঘটনা কখনো কল্পনাকেও হার মানায়! সত্যজিৎ রায়ের এক অনবদ্য সৃষ্টি তারিণীখুড়ো। ‘তারিণীখুড়োর কীর্তিকলাপ’ বইয়ের এক গল্পের নাম ‘তারিণীখুড়ো ও ঐন্দ্রজালিক’। গল্পে ছোট রাজকুমার জমিদারির লোভে বড় রাজকুমারকে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলে। কিন্তু কিছু সাধু তাকে বাঁচিয়ে তোলে এবং সে ফিরে আসে। রাজা সন্ন্যাসীর ঘটনাও অনেকটা এ রকম। মরে গিয়েও যিনি আবার ফিরে এসেছিলেন।

রাজা সন্ন্যাসী ছিলেন ব্রিটিশ আমলের ভাওয়ালের জমিদার রাজেন্দ্র নারায়ণ রায়ের মেঝ ছেলে। ভাওয়াল জমিদারি ছিল পূর্ববঙ্গের অন্যতম পুরনো সুবিখ্যাত জমিদারি। ঢাকা হতে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে জয়দেবপুর সদরে অবস্থিত রানি বিলাসমণি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশেই রয়েছে এক বিরাট বিলাসবহুল রাজপ্রাসাদ। এ প্রাসাদটি ছিল ভাওয়াল জমিদারির কাছারি বাড়ি বা রাজবাড়ি।

১৭০৮ সালের দিকে বাংলার দেওয়ান অতিরিক্ত লাভের উদ্দেশ্যে খাজনা বাড়িয়ে বহু মুসলআন জমিদারকে ভিটাছাড়া করেন এবং সেসব শূন্যস্থান হিন্দু জমিদার দিয়ে পূর্ণ করে। তখন এই ভাওয়ালের জমিদারি পায় দেওয়ানের একান্ত অনুগত সহকারি শ্রীকৃষ্ণ। এই পরিবারের পরবর্তী জমিদাররা সাফল্যের সঙ্গে শাসন করেছেন প্রায়। প্রথম জমিদার ছিলেন কালি নারায়ণ। ১৮৭৮ সালে ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে রায় এবং রাজা উপাধি পান তিনি। তখন থেকে ভাওয়ালের জমিদারদের পরিচয় হতে থাকে রাজা হিসেবে। ১৯৫১ সাল যখন জমিদারি প্রথা উঠে যাচ্ছে তখনও পর্যন্ত তার উত্তরসূরিরা কৃতিত্বের সঙ্গে লাখ লাখ মাইল জমি তাদের সীমানায় যুক্ত করে চলছিল। ঢাকার তৎকালীন নওয়াব থাকা সত্ত্বেও ঢাকার বহু জমি ছিল ভাওয়াল জমিদারির অংশ।

১৯০১ সালে ভাওয়ালের শেষ বিখ্যাত জমিদার রাজেন্দ্র নারায়ণ রায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মারা যাবার আগে ভাওয়াল জমিদারি তিনি তার তিনপুত্রের মাঝে সমানভাবে ভাগ করে দিয়ে যান। তার তিনপুত্রের দ্বিতীয় রমেন্দ্র নারায়ণ রায়। আজকের গল্পের নায়ক সে। পিতার মতন বিখ্যাত বা প্রতাপশালী হতে পারেনি কোন পুত্রই। প্রজাবাৎসল্য হিসেবে পরিচিতি থাকলেও মেজকুমার বিখ্যাত ছিলেন শিকার, গানবাজনা, প্রতিনিয়ত জলসাসহ নানাধরনের বিলাসি কর্মকান্ডের জন্য। এবং তার আরেকটি খ্যাতি ছিল নারীপ্রীতি আর মদ্যপানের জন্য। প্রায়শই নারী সঙ্গসুখ উপভোগে অভ্যস্ত ছিলেন তিনি। এমন সুখ উপভোগের শাস্তিও পেলেন হাতেনাতে। সিফিলিস রোগে আক্রান্ত হলেন। জনশ্রুতি আছে, এই রোগের জন্যই তিনি সন্তান জন্মদানে অক্ষম ছিলেন।

মূল কাহিনির সূত্রপাত অনেকটা এই রোগের ঘটনা থেকেই। ১৯০৯ সালের এপ্রিল মাসে দার্জিলিং এ চিকিৎসার জন্য, মতান্তরে বায়ু পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে বেড়াতে যান। সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী বিভাবতি দেবী, স্ত্রীর ভাই সত্যেন ব্যানার্জি, পারিবারিক চিকিৎসক আর বিপুল লোক-লস্কর। এক মাসের মধ্যেই বিভাবতি দেবী ও সত্যেন ফিরে এসে জানায়, জমিদার রমেন্দ্র মে মাসের ৭ তারিখে মারা গেছেন এবং দার্জিলিংয়ে তার দাহক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। মৃত্যুর কারণ হিসেবে ডাক্তারি রিপোর্টে বলা হয়, গলব্লাডারে পাথর জমেছিল। এদিকে পর্যায়ক্রমে অন্য ভাইয়েরাও মারা যান। এবং কারো কোন সন্তান না থাকায় বিধবাদের হয়ে দেখাশুনার দায়িত্ব নেয় ব্রিটিশ সরকার।

পরবর্তী ঘটনার সূত্রপাত প্রায় ১২ বছর পর। ১৯২০ সালে ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর বাকল্যান্ড বাঁধের কাছে এক সন্ন্যাসীর আবির্ভাব ঘটে। সর্বাঙ্গে ধুলিমাখা আর জটাযুক্ত ধ্যানমগ্ন এই সন্ন্যাসীকে কিছু লোক তাকে ভাওয়ালের রাজা বলে চিহ্নিত করে। কিন্তু দ্বিধা-দ্বন্দ্ব থাকায় পুরোপুরি নিশ্চিত হয়ে কেউ কিছু বলতে পারছিল না। আবার সন্ন্যাসীও পুরোপুরিভাবে নিজের পরিচয় দিতে পারছিল না। সে কেবল দেহাতি হিন্দি আর ভাঙা ভাঙা বাংলায় কথা বলছিল। অনেকেই শনাক্তের জন্য আসতে লাগলো। ফলে সন্ন্যাসীর খবর বাতাসের বেগে চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়লো। সবাই কানাকানি করতে লাগলো যে মৃত্যুর দুয়ার থেকে আবার ফিরে এসেছে ভাওয়াল রাজা।

পরের চার মাস সেই বাঁধের ধারেই ছিলেন সাধু। ১৯২১ সালের ১২ই এপ্রিল, পুরো ১২ বছর পর বেশ কিছু লোকজন নিজেদের উৎসাহে জয়দেবপুরে নিয়ে যান রমেন্দ্রকে। রাজপ্রাসাদে ফেরার পর বিভাবতি সাক্ষাত করতে অসম্মতি জানান। অন্যদিকে বিভাবতি ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি যিনি সঠিকভাবে সণাক্ত করতে পারবেন। বিভাবতি দেবী এই ব্যক্তিকে প্রতারক বলেন সঙ্গে আরো বলেন, তার স্বামীর মৃত্যু ১২ বছর আগেই হয়েছে। জমিদারি দখল নিতেই এই আগন্তকের প্রকাশ ঘটেছে।

অন্যদিকে সাধুর ভাষ্য ছিল, দাহের জন্য তাকে শ্মশানে নেয়ার পথে প্রবল এক ঝড়ে খাটিয়া ফেলেই আশ্রয়ের জন্য চলে যায়। সেখান থেকে অজ্ঞান অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নাগা সন্ন্যাসীরা। তারাই তার সেবাশুশ্রূষা করে। যার জন্য তার স্মৃতিশক্তি অনেকটাই হারিয়ে গিয়েছে। এরই সঙ্গে সে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আরোপ করে বিভাবতি এবং সত্যেনের উপর। সে বলে, পারিবারিক চিকিৎসক আশুতোষ দাশগুপ্তের সঙ্গে বিভাবতির অবৈধ সম্পর্ক। সেই ডাক্তারের পরামর্শ মতেই তাকে প্রতিদিন একটু একটু করে বিষ দিচ্ছিল বিভাবতি। অার সম্পত্তির লোভে সত্যেনও এই বিশাল ষড়যন্ত্র রচনা করতে সাহায্য করেন। স্মৃতিশক্তি বেশ লোপ পেলেও তিনি তার দাইমা এর নাম ঠিকঠাক মতন বলতে পারেন। এছাড়াও রাজবাড়ির বেশ কিছু ঘটনা, জিনিস ইত্যাদির বর্ণনা সঠিকভাবেই দেন। ফলে তার আত্মীয়-স্বজনসহ প্রজারা মেনে নেয়, তাদের জমিদার রমেন্দ্র নারায়ণ রায় ফিরে এসেছেন।

নিজের বোন, আত্মীয়-স্বজন, প্রজারা তাকে মেজকুমার হিসেবে মেনে নেয়া সত্ত্বেও বিভাবতিসহ জমির দায়িত্বে থাকা কোর্ট অফ ওয়ার্ডস তা মানতে রাজি ছিল না। তাকে নানাভাবে প্রশ্ন করেও ক্ষান্ত হচ্ছিল না তারা। তাকে প্রতারক হিসেবে চিহ্নিত করে জমিদারি দিতে অস্বীকৃতি জানায় তারা। যদিও জমিদারি ফিরে পাবার কোন বাসনা তার মনে না থাকলেও পরিস্থিতির শিকার হয়ে নিজের উপরে দেয়া অভিযোগগুলোকে মিথ্যা বলে প্রমাণ করার জন্য সে বিভাবতি দেবী আর কোর্ট অফ ওয়ার্ডসের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলা দেয়। ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত মোট তিন বছর ধরে চলতে থাকা এ মামলায় কার্যক্রম ছিল বেশ নাটকীয়। লোকের মুখে মুখে ঘুরে ফিরছিল এই ঘটনা। বাদী-বিবাদী দুই পক্ষই ভুল সাক্ষী, প্রমাণ হাজির করেছিল। কিন্তু শেষটায় জন্মচিহ্ন আর ফরেনসিক তথ্য প্রমাণের উপর ভিত্তি করে জয় হয় সাধুরই।

এদিকে এ রায় মেনে না নিয়ে কোর্ট অফ ওয়ার্ডস আর বিভাবতি দেবী উচ্চ আদালতে আপিল করেন। কলকাতা হাইকোর্টেও জয় হয় সাধুর। এবং এই উচ্চ আদালতেও একটি নাটকীয় পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তিন সদস্যের এই বেঞ্চে বিশ্বাস আর কস্তেলো সাধুর পক্ষে রায় দিলেও অন্য বিচারক লজ দ্বিমত পোষণ করেন। তবে থেমে থাকেনি কাহিনি। বিভাবতি দেবী কোর্ট অফ ওয়ার্ডস এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রিভি কাউন্সিলে মামলা স্থানান্তরিত করার আবেদন জানান। কিন্তু হাইকোর্ট সে আবেদন খারিজ করে দেয়। সাধুই যে আসলে মেজকুমার রমেন্দ্র নারায়ণ রায় তা প্রমাণ হয়ে যায়। মামলা জেতার পরপরই তিনি কালি মন্দিরে পূজা দিতে যান। ফেরার পথে স্ট্রোক করেন। এবং দুই দিন পরেই তার দেহাবসান ঘটে। পরে বিভাবতি দেবী ভাওয়াল জমিদারির দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানান।

এই সন্ন্যাসী রাজকুমারের ঘটনা জনমনে এতো প্রভাব ফেলে যে তার মৃত্যুর পরেও সে যে মারা গিয়েছে তা কেউ বিশ্বাস করতে রাজি হয়নি। তাদের ধারণা হয় সন্ন্যাসী আসলে মারা যাননি। সে নাগা সন্ন্যাসীদের সঙ্গে থেকে তন্ত্রমন্ত্র শেখেন। এবং এমন এক যোগ শিখেছিলেন যার সাহায্যে চাইলেই নিজের দেহ থেকে প্রস্থান করতে পারতেন আবার প্রবেশ করতে পারতেন। প্রথমবারে সে নিজের দেহে এইভাবে প্রবেশ করেছিল আবার নিজের লক্ষ্য পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় সে দেহ ত্যাগ করেছে।

শুধুমাত্র ঘটনা হিসেবেই নয়, এটি ইতিহাসের অন্যতম এক মামলা হিসেবে এখন সর্বজনবিদিত। এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা যে কেবল স্থানীয় লোকমুখে বা ইতিহাসের পাতায় আছে শুধু তাই নয়। এ ঘটনার আদলে তৈরি সর্বপ্রথম তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে সর্বপ্রথম চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন খান আতাউর রহমান। ১৯৬৬ সালে তিনি আজিমকে কেন্দ্রীয় চরিত্রে নিয়ে নির্মাণ করেন "রাজা সন্ন্যাসী"। ৭০ দশকের মাঝামাঝি আরো একটি ছবি নির্মিত হয় বাংলাদেশে যার নাম ছিল "রঙীন রাজা সন্ন্যাসী"। পশ্চিম বঙ্গে ১৯৭৫ সালে নির্মিত হয়েছে উত্তম কুমারের ‘সন্ন্যাসী রাজা’ ছবিটি। আরো আছে পার্থ চ্যাটার্জির গবেষণামূলক বই। এবং অত সম্প্রতি এই ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে কলকাতায় সৃজিত মুখার্জির পরিচালনায় বানানো হয়েছে ছবি ‘এক যে ছিল রাজা’, যা শীঘ্রই মুক্তি পাবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস/এসজেড

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
শিস দিয়েই দুই বাংলার তারকা জামালপুরের অবন্তী
শিস দিয়েই দুই বাংলার তারকা জামালপুরের অবন্তী
সুজির মালাই পিঠা
সুজির মালাই পিঠা
আশুরার রোজা: নিয়ম ও ফজিলত
আশুরার রোজা: নিয়ম ও ফজিলত
তরুণীদের বেডরুমে নেয়ার পর হত্যা করাই কাজ
তরুণীদের বেডরুমে নেয়ার পর হত্যা করাই কাজ
অবন্তী সিঁথির জয়জয়কার
অবন্তী সিঁথির জয়জয়কার
যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবেই তুমি বাংলাদেশ!
যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবেই তুমি বাংলাদেশ!
সূরা আল নাস এর গুরুত্ব ও ফজিলত
সূরা আল নাস এর গুরুত্ব ও ফজিলত
যৌনতায় ঠাসা ৫টি সিনেমা
যৌনতায় ঠাসা ৫টি সিনেমা
‘তারেকের তিন গাড়ি, আমার বোন চলে বাসে’
‘তারেকের তিন গাড়ি, আমার বোন চলে বাসে’
শচীনের সঙ্গে অভিনেত্রীর ‘গোপন’ সম্পর্ক!
শচীনের সঙ্গে অভিনেত্রীর ‘গোপন’ সম্পর্ক!
বিয়ে ছাড়াই মা হলেন জিৎ-এর প্রেমিকা!
বিয়ে ছাড়াই মা হলেন জিৎ-এর প্রেমিকা!
নিককে প্রকাশ্যে চুমু খেলেন প্রিয়াঙ্কা
নিককে প্রকাশ্যে চুমু খেলেন প্রিয়াঙ্কা
মিলনে ‘অপটু’ ট্রাম্প, বোমা ফাটালেন এই পর্নো তারকা!
মিলনে ‘অপটু’ ট্রাম্প, বোমা ফাটালেন এই পর্নো তারকা!
ন্যান্সি ও তার স্বামীকে গ্রেফতারের দাবি
ন্যান্সি ও তার স্বামীকে গ্রেফতারের দাবি
সূরা বাকারার শেষ অংশের ফজিলত
সূরা বাকারার শেষ অংশের ফজিলত
‘শাহরুখ’ আর রেডি গোয়িং টু জাহান্নাম!
‘শাহরুখ’ আর রেডি গোয়িং টু জাহান্নাম!
‘পবিত্র আশুরা’
‘পবিত্র আশুরা’
বিবাহিতা বা সন্তানের মা হলে ১০ লাখ জরিমানা!
বিবাহিতা বা সন্তানের মা হলে ১০ লাখ জরিমানা!
এ কেমন কাণ্ড পুলিশ পুত্রের!
এ কেমন কাণ্ড পুলিশ পুত্রের!
কাকে বিয়ে করবেন?
কাকে বিয়ে করবেন?
শিরোনাম:
দেশের দুই পুঁজিবাজারে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে সূচকের উত্থান-পতনে লেনদেন চলছে দেশের দুই পুঁজিবাজারে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে সূচকের উত্থান-পতনে লেনদেন চলছে ক্ষমতা হারানোর জ্বালা থেকেই মনগড়া কথা বলছেন এস কে সিনহা: ওবায়দুল কাদের ক্ষমতা হারানোর জ্বালা থেকেই মনগড়া কথা বলছেন এস কে সিনহা: ওবায়দুল কাদের এশিয়া কাপে পাকিস্তানকে হারিয়ে ভারতের জয় এশিয়া কাপে পাকিস্তানকে হারিয়ে ভারতের জয় আদালতে হাজির হওয়ার মতো সুস্থ নন খালেদা জিয়া: অ্যাডভোকেট মাসুদ তালুকদার আদালতে হাজির হওয়ার মতো সুস্থ নন খালেদা জিয়া: অ্যাডভোকেট মাসুদ তালুকদার