Alexa রুট পারমিট ছাড়াই ২৬ বছর পার

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৭ ১৪২৬,   ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

নাটোর দুর্ঘটনা

রুট পারমিট ছাড়াই ২৬ বছর পার

 প্রকাশিত: ১৭:২৪ ২৮ আগস্ট ২০১৮   আপডেট: ১৭:২৪ ২৮ আগস্ট ২০১৮

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় লালপুরে দায়ের হওয়া মামলায় বগুড়া জেলা পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত বাসের চালক শামিম হোসেনকে মঙ্গলবার গ্রেফতার করেছে।

দুইদিন আগে একই বাসের হেলপার আব্দুস সামাদ কমলকে বগুড়া থেকে গ্রেফতার হয়েছিলো। চ্যালেঞ্জার নামের ওই বাসটি বগুড়ার মালিক মঞ্জু সরকার নামে এক ব্যক্তির। বগুড়া বিআরটিএর নথিভুক্ত বাসটির কোনো রুট পারমিট ছিলো না। এই বাসটি ২৬ বছর ধরে কোনো প্রকারের অনুমতি ছাড়াই চলছিলো। বগুড়া বিআরটিএ সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। অপর দিকে চ্যালেঞ্জার বাসটির রেজিস্ট্রেশন ও এর চালকের লাইসেন্স স্থগিত করছে বগুড়া বিআরটিএ।

বগুড়া বিআরটিএ জানায়, ১৯৯২ সালে বাসটি ঢাকা থেকে এনে বগুড়ায় নথিভুক্ত করে এর মালিক। এটি কয়েক দফা হাতবদল হয়। ১৯৯৩ সালে এটির মালিকানা যায় মঞ্জু সরকার নামে এক ব্যক্তির হাতে। তবে বগুড়ায় নথিভুক্ত হওয়ার পর থেকেই এর কোন রুট পারিমট ছিলো না। বাসটির রুট পারমিটের জন্য কখনো মালিক পক্ষ আবেদনও করেনি বলে সূত্র জানায়। তবে এর ফিটনেস সহ ট্যাক্স টোকেন ছিলো। নাটোরে ভয়বহ দুর্ঘটনার পর চ্যালেঞ্জার নামে বাসটি আলোচনায় আসে। শনিবার বিকেলে নাটোর-পাবনা মহাসড়কে লালপুরের কদিমচিলান এলাকায় যাত্রীবাহীবাস ও লেগুনার মুখোমুখী সংঘর্ষে শিশু ও নারী সহ ১৩ জন নিহত হয়। ওই দুর্ঘটনায় পরে আরো ২ জন মারা যায়। এঘটনায় নাটোরের লালপুর থানায় হাইওয়ে পুলিশ একটি মামলা দায়ের করে। বগুড়া বিআরটিএর সহকারী পরিচালক সৈয়দ মেজবা উদ্দিন জানিয়েছেন, চ্যালেঞ্জার পরিবহন বগুড়ায় ১৯৯২ সালে নথিভুক্ত হলেও এর রুট পারমিট ছিলো না। কর্তৃপক্ষের নিদের্শনায় এরইমধ্যে বাসটির রেজিস্ট্রেশন ও চালকের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে। এদিকে বগুড়া ডিবি পুলিশ জানায়, দুপুরে শহরের স্টেশন রোড সংলগ্ন বগুড়া মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সামনে থেকে চ্যালেঞ্জার বাসের চালক শামিম হোসেনকে গ্রেফতার করে। তার বাড়ি শহরের মালগ্রাম পশ্চিম পাড়ায়। গ্রেফতারের পর তাকে ডিবি অফিসে নেয়া হয়। ডিবি পুলিশ জানিয়েছে তাকে লালপুর থানায় দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেফতারের পর সেখানে হস্তান্তরেরর প্রক্রিয়া চলছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর