.ঢাকা, শুক্রবার   ১৯ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ৫ ১৪২৬,   ১৩ শা'বান ১৪৪০

বাবুল চিশতি ফের রিমান্ডে

 প্রকাশিত: ১৮:৪৫ ৫ নভেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৮:৫০ ৫ নভেম্বর ২০১৮

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

ঋণ মঞ্জুরে অনিয়ম-দুর্নীতির পৃথক দুই মামলায় দি ফারমার্স ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক সভাপতি বাবুল চিশতীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফের ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে ঢাকার সিএমএম আদালত। 

মামলা দুটির তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক সামসুল আলমের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত রোববার এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তার সঙ্গে অপর আসামি জিয়াউদ্দিন আহমেদকে ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। তিনি ফারমার্স ব্যাংকের এসভিপি। এ দুই আসামি জেলে বন্দি থাকায় দুদক কর্মকর্তা চাইলে জেল গেটে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবেন। 

একই মামলায় বাবুল চিশতীর ছেলে রাশেদুল হক চিশতী ও চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দিন আলিমের রিমান্ড চেয়েছে দুদক। এর মধ্যে রাশেদুল হক চিশতীকে ৭ নভেম্বর ও সাহাবুদ্দিন আলমকে ১১ নভেম্বর আদালতে হাজির করতে বলা হয়। তাদের উপস্থিতিতে শুনানি হবে। 

২৯ কোটি ৫১ লাখ ৮৫ হাজার ৮শ ২০ টাকা প্রদানের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও বর্তমানে ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডি চৌধুরী মোশতাক আহমেদ, ফারমার্স ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক সভাপতি বাবুল চিশতী ও চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দীন আলমসহ ৭জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। 

মামলার অপর আসামিরা হলেন চট্টগ্রামের এসএ গ্র“প ও মেসার্স লায়লা বনস্পতি প্রডাক্ট লিমিটেডের মালিক সাহাবুদ্দিন আলমের স্ত্রী ইয়াসমিন আলম, ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক অতিরিক্ত পরিচালক (পরে পরিচালক) একেএম শামীম ও এসইভিপি দেলোয়ার হোসেন। 

দণ্ডবিধির ৪০৬/৪০৯/১০৯ ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪ ধারায় মামলাটি  রেকর্ড করে পুলিশ।

মামলায় ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তারা ব্যাংকিং রীতিনীতি উপেক্ষা করে এবং সিআইবি রিপোর্ট পরীক্ষা না করে ঋণ মঞ্জুরের আগেই চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দীন আলমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ২৯ কোটি ৫১ লাখ ৮৫ হাজার ৮শ ২০ টাকা প্রদানের মাধ্যমে আত্মসাত করেন। 

বাবুল চিশতী ও তার ছেলের বিরুদ্ধে দুদক পৃথক মামলাটি করে ১০ এপ্রিল। মামলায় ফারমার্স ব্যাংক গুলশান শাখার মাধ্যমে ১৩৮ কোটি ৮২ লাখ ৯২ হাজার টাকা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয় তাদের বিরুদ্ধে। এতে বলা হয়, আসামি রাশেদুল হক চিশতীর স্বাক্ষরে জামালপুরের বকশীগঞ্জ জুট মিলস লিমিটেডের চলতি হিসাব নং ০১১১১০০০০২৩৬৩-এ পরিচালিত লেনদেন ছিল সন্দেহজনক। হিসাবের বিপরীতে ২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর থেকে চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৩৮ কোটি ৮২ লাখ ৯২ হাজার টাকা নেয়া হয়। অথচ দুদকের অনুসন্ধানে ঋণ নেয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ