রামগঞ্জে দুঃসময়ের সাহসী যোদ্ধা সেলিম
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=191618 LIMIT 1

ঢাকা, শনিবার   ০৮ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৫ ১৪২৭,   ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

রামগঞ্জে দুঃসময়ের সাহসী যোদ্ধা সেলিম

রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৫৫ ২ জুলাই ২০২০  

রামগঞ্জে দুঃসময়ের সাহসী যোদ্ধা সেলিম

রামগঞ্জে দুঃসময়ের সাহসী যোদ্ধা সেলিম

জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর’ স্বামী বিবেকানন্দের এই বাণী নানা সময়ে নানা মানুষের মধ্যে প্রতিফলিত হতে দেখা যায়।

তবে বিশাল এ পৃথিবীতে ওই মানুষগুলোর সংখ্যা একেবারেই যৎসামান্য। তাদের একজন লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম শোশালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. সেলিম হোসেন।

উপজেলার ৭ নম্বর দরবেশপুর ইউপির দক্ষিন দরবেশপুর গ্রামের চৌকিদার বাড়ির নুর মিয়া চকিদারের ছেলে সেলিম। ৪ ভাইয়ের মধ্যে সবচেয়ে ছোট সেলিম হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার পাশাপাশি একজন হোমিও চিকিৎসক হিসেবে নিয়মিত গ্রামের সাধারণ মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। 

দেশব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে করোনা কিংবা উপসর্গ নিয়ে কারো মৃত্যু হলে মরদেহের গোসল, জানাজা ও দাফন নিয়ে দুচিন্তায় পড়েন পরিবারের লোকজন। এ অবস্থায় রোদ, বৃষ্টি, ঝড়সহ নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে তাদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন শিক্ষক মো. সেলিম হোসেন।   

উপজেলার পশ্চিম শোশালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওই প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্বে ১৫ জন মানবিক সদস্য কাজ করছে ইসলামি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রামগঞ্জ উপজেলা মরদেহ দাফন কমিটিতে।

সংগঠন সূত্রে জানা যায়, এ পর্যন্ত তারা করোনা কিংবা উপসর্গে মৃত মোট ২২ জনের মরদেহ দাফন করেছে। এর মধ্যে উপজেলার শেফালীপাড়া এলাকার তছলিম উদ্দিন, আশার কোটা এলাকার মমতাজ বেগম, নন্দন পুর এলাকার রহুল আমিন, বদর পুর এলাকার আবুল কাশেম, শ্রীরামপুর এলাকার জাহানারা বেগম, পশ্চিম শোশালিয়া এলাকার কোহিনূর বেগম ও নূরনবী, দরবেশপুর এলাকার শিশু সিফাত, জগৎপুরের সাহাব উদ্দিন, আউগানখীল এলাকার আবদুল হালীম পাটওয়ারী, পূর্ব শোশালীয়া এলাকার রাইছা আক্তার, লামচরের নরুল হুদা ও ইছাপুর ইউপির চেয়ারম্যান মো. সহিদ উল্যা।  

এ ব্যপারে জানতে চাইলে উপজেলা মরদেহ দাফন কমিটির সভাপতি, পশ্চিম শোশালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. সেলিম হোসেন বলেন, করোনাভাইরাসের শুরুতে  মার্চে লক্ষ্মপুর সিভিল সার্জন অফিসে প্রশিক্ষণ নিয়ে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করে মানবিক বিবেচনায় মরদেহ দাফনের কাজ শুরু করি। সমস্ত ভয়কে জয় করে এখন পর্যন্ত আমরা সমাজের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। উপজেলায় যেখানেই আমাদের খবর দেয়া হবে, আমরা হাজির হবো।

রামগঞ্জ উপজেলার মরদেহ দাফন কমিটির সমন্বয়ক শামসুল ইসলাম বলেন, কারোনা কিংবা উপসর্গ নিয়ে কেউ মারা গেলে স্বজনরা কাছে আসে না। তাই ইসলামি ফাউন্ডেশনের মরদেহ দাফন কমিটির সদস্যরা শরিয়া মেনে সরকারি আইন অনুযায়ী দাফনের দায়িত্ব নিয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ