Exim Bank Ltd.
ঢাকা, মঙ্গলবার ১১ ডিসেম্বর, ২০১৮, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

রাণী ভিক্টোরিয়া ও মুনশি আবদুল করিম: এক বিতর্কিত সম্পর্কের আদ্যপান্ত

সঞ্জয় বসাক পার্থডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
রাণী ভিক্টোরিয়া ও মুনশি আবদুল করিম: এক বিতর্কিত সম্পর্কের আদ্যপান্ত
ছবি- সংগৃহীত

তাদের দুজনের সম্পর্কটা এমনই বিতর্ক আর মানহানির সৃষ্টি করেছিল, ১৯০১ সালে রাণীর মৃত্যুর পর দুজনের সম্পর্কের সম্ভাব্য সব প্রমাণই লোপাট করে দিয়েছিল ব্রিটিশ রাজপরিবার। বলা হচ্ছে রাণী ভিক্টোরিয়া ও তাঁর সুদর্শন, আকর্ষণীয় ভারতীয় পরিচারক আবদুল করিমের কথা। দুজনের সম্পর্ক নিয়ে ব্রিটিশ রাজপরিবারের এতটাই অস্বস্তির উদ্রেক হয়েছিল, রাণী মারা যাওয়ার পর ব্রিটিশ রাজপরিবারের ইতিহাস থেকেই আবদুল করিমের নাম নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার পায়তারা করেছিল রাণীর উত্তরসূরিরা। কিন্তু ঘটনাচক্রে বহু বছর পরে এক সাংবাদিক দুজনের সম্পর্কের কিছু প্রমাণ আবিষ্কার করে ফেলেন। আজ আপনাদের সেই কাহিনীই শোনাবো।

বিখ্যাত ইংরেজ পত্রিকা টেলিগ্রাফের ভাষ্যমতে, রাণী ভিক্টোরিয়ার মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে এডওয়ার্ড ঘোষণা দিয়েছিলেন, রাজবাড়ির যেখানেই দুজনের মধ্যে আদান প্রদান করা চিঠি পাওয়া যাবে, সেগুলো যেন তৎক্ষণাৎ আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়! জীবদ্দশায় আবদুল করিমকে রাণী যে বাড়ি উপহার দিয়েছিলেন, রাণীর মৃত্যুর পর সেটি থেকেও তাকে উৎখাত করে রাজপরিবার। শুধু তাই নয়, তাকে দেশছাড়া করে ভারতেই পাঠিয়ে দেয়া হয়। আবদুলের প্রতি ব্রিটিশদের ক্ষোভ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল, যেসব জার্নালে তার সম্পর্কে কোন কিছু ছাপা হয়েছিল, সেগুলো পর্যন্ত ধ্বংস করে ফেলেন রাণীর মেয়ে বিয়েত্রিস!

আবদুল করিমের অস্তিত্ব লোপাট করার জন্য যা যা করা দরকার তার সবই করেছিল ব্রিটিশ রাজপরিবার। কিন্তু প্রায় ১০০ বছর পরে এই তীক্ষ্ণ দৃষ্টিশক্তির সাংবাদিক রাণী ভিক্টোরিয়ার সামার হাউজে দুজনের সম্পর্কের ব্যাপারে কিছু প্রমাণ আবিষ্কার করে ফেলেন। এরপরই প্রকাশ্যে আসে প্রায় এক যুগ ধরে চলা রাণী ও তার পরিচারকের এই বিতর্কিত সম্পর্ক।

কিন্তু কেন তাদের সম্পর্ক নিয়ে এত বিতর্ক? কেনই বা ব্রিটিশ রাজপরিবারের এত ক্ষোভ ছিল আবদুল করিমের উপর? ঐতিহাসিকদের মতে, জাতিগত বিদ্বেষ তো বটেই, এখানে কাজ করেছে রাজপরিবারের সদস্যদের ঈর্ষাও। দুজনের হৃদ্যতা বাড়ার পর থেকেই আবদুল করিমকে নানাবিধ সুযোগ সুবিধা দিয়েছিলেন রাণী ভিক্টোরিয়া। রাণীর সাথে ইউরোপ ভ্রমণে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি, বিভিন্ন অপেরা থেকে শুরু করে ভোজসভায় সম্মানজনক আসনের অধিকারীও করে দিয়েছিলেন তাকে রাণী। তার জন্য ব্যক্তিগত যানবাহনের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন রাণী, রাণীর তরফ থেকে প্রায়শই পেতেন ব্যক্তিগত উপহারও। শুধু করিম নয়, রাণীর স্নেহধন্য হয়েছিল করিমের পরিবারও। করিমের পরিবারের সদস্যদের জন্য মনোরঞ্জনের ব্যবস্থা করে দিতেন রাণী, করিমের বাবার পেনশন জোগাড় করে দিতেও সাহায্য করেছেন তিনি। এছাড়া লোকাল প্রেসকে তাগাদা দিয়েছেন করিমকে নিয়ে পত্রিকায় লেখালেখি করার জন্য। এছাড়া বিভিন্ন শিল্পীকে দিয়ে করিমের অনেকগুলো প্রতিকৃতিও তৈরি করিয়েছিলেন রাণী ভিক্টোরিয়া।

করিমের সাথে পরিচয় হওয়ার আগে রাণীর সবচেয়ে কাছের পরিচারক ছিল স্কটিশ জন ব্রাউন। স্বামী আলবার্টের মৃত্যুর পর এই জন ব্রাউনই রাণীর সবচেয়ে কাছের মানুষ হয়ে উঠেছিলেন, রাণীর কাছের সঙ্গী হয়ে উঠেছিলেন। এই জন ব্রাউনও যখন মারা গেলেন, তখন রাণীর জীবনের শূন্যস্থান পূরণের জন্য এসেছিলেন আবদুল করিম।

করিমের প্রতি ঈর্ষার কারণ বোঝাতে ইতিহাসবিদ ক্যারলি এরিকসন তার ‘হার লিটল ম্যাজেস্টি’তে লিখেছিলেন, ‘একজন কালো গাত্রবর্ণ বিশিষ্ট ভারতীয় পরিচারক শ্বেতাঙ্গ পরিচারকদের মতোই সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে, এটা তারা কিছুতেই সহ্য করতে পারছিল না। রাণীর সাথে একই টেবিলে বসে খাওয়া, রাণীর ব্যক্তিগত সঙ্গী হয়ে ওঠা, এসবই তারা নিজেদের জন্য চূড়ান্ত অপমানজনক হিসেবে গণ্য করেছিল।’

কিন্তু করিমের সাথে রাণীর পরিচয় কীভাবে? কেমন করেই বা তিনি রাণীর এত কাছের মানুষ হয়ে উঠলেন? এরকমই বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর মিলবে এখানে।

যেভাবে পরিচয় দুজনের:

২০০৩ সালে রাণী ভিক্টোরিয়ার সামার হোমে গিয়ে আচমকাই দুজনের সম্পর্কের বিষয়ে কিছু সূত্র পান সাংবাদিক শ্রাবণী বসু। এরপর আরও অনেক তদন্ত ও পড়াশোনা করার পর তিনি দুজনের সম্পর্কের বিষয়ে নিশ্চিত হন। পর্যাপ্ত তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করার পর ‘ভিক্টোরিয়া ও আবদুল: দ্য ট্রু স্টোরি অফ দ্য কুইন্স ক্লোজেস্ট কনফিড্যান্ট’ নামক একটি বই লিখেন তিনি। সেই বইতে দুজনের পরিচয় হওয়া সম্পর্কে তিনি লিখেছেন, ‘১৮৮৭ সালে সিংহাসনে নিজের ৫০ বছর পূর্তিকে সামনে রেখে ভারতীয় অঞ্চলের উপর আগ্রহ প্রকাশ করেন রাণী ভিক্টোরিয়া। সেই ধারাবাহিকতায় তার ভারতীয় স্টাফ মেম্বারদের তিনি অনুরোধ করেন প্রাদেশিক প্রধানদের জন্য একটি রাজকীয় ভোজসভার আয়োজন করতে। ওই ভোজসভা শেষে ভারতের উপহার হিসেবে রাণীকে দুইজন ভৃত্য উপহার দেয়া হয়। ওই দুইজনের মধ্যে একজন ছিলেন আগ্রার এক হাসপাতাল সহকারীর ছেলে আবদুল করিম। এভাবেই জন ব্রাউনের মৃত্যুর চার বছর পর আরেকজন ঘনিষ্ঠ পরিচারক খুঁজে পান ৮০ বছর বয়স্ক রাণী। রাণী ভিক্টোরিয়া পরে এক জায়গায় লিখেছিলেন, প্রথম দর্শনেই লম্বা চওড়া করিমকে তাঁর বেশ সুদর্শন মনে হয়েছিল।

রাণী যেভাবে আকৃষ্ট হলেন করিমের প্রতি:

রাণীকে প্রথমবারের মতো করিম মুগ্ধ করেন তার হাতের রান্না দিয়ে। সামার হোমে করিমের হাতের পোলাও, ডাল আর চিকেন কারির স্বাদে মুগ্ধ হয়ে যান রাণী। রাণীর জীবনী রচয়িতা এ.এন. উইলসনের মতে, করিমের এই রান্না রাণীর এতটাই ভালো লেগেছিল যে এটিকে তিনি নিজের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে নেন।

আস্তে আস্তে ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতি আরও বেশি আকৃষ্ট হয়ে পড়েন রাণী। এরই ধারাবাহিকতায় করিমকে তিনি আদেশ দেন তাঁকে উর্দু (তখন হিন্দুস্তানী ভাষা নামে পরিচিত ছিল) ভাষা শেখানোর জন্য।

উর্দু শেখা সম্পর্কে নিজের ডায়রিতে রাণী লিখেছিলেন, ‘আমার পরিচারকদের সাথে কথা বলার উদ্দেশ্যে হিন্দুস্তানি শিখছি আমি। এই ব্যাপারে দারুণ আগ্রহী আমি। শুধু হিন্দুস্তানী ভাষার উপরই নয়, হিন্দুস্তানী বলা মানুষদের ব্যাপারেও ব্যাপক আগ্রহ বোধ করছি আমি।’

শুধু তাই নয়, দুজনের মধ্যে যোগাযোগ যেন আরও নিখুঁত হয়, সে কারণে প্রতিদিন নিয়ম করে দুই বেলা করিমকে ইংরেজি শেখাতেন স্বয়ং রাণী। যদিও তাকে পরিচারক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল, তবে খুব দ্রুতই তাকে পদোন্নতি দিয়ে ‘মুনশি’ পদে অধিষ্ঠিত করেন রাণী। মাসিক বেতন বাড়িয়ে করা হয় ১২ পাউন্ড। পরবর্তীতে আরও বড় পদেও বসানো হয় তাকে।

দুজনের সম্পর্ক কতটা ঘনিষ্ঠ ছিল সে ব্যাপারে টেলিগ্রাফের কাছে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক শ্রাবণী বসু, ‘রাণী হিসেবে নয়, বরং ভিক্টোরিয়াকে একজন মানুষ হিসেবে গণ্য করে তাঁর সাথে কথা বলত করিম। বাকি সবাই, এমনকি রাণীর সন্তানেরাও তাঁর কাছ থেকে একটা নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে চলত, কিন্তু এই তরুণ ভারতীয় নিজের সরলতা দিয়ে রাণীকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করতে পেরেছিলেন। সে রাণীকে ভারত সম্পর্কে জানিয়েছে, নিজের পরিবার সম্পর্কে জানিয়েছে। এমনকি রাণী যখন নিজের পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে অভিযোগ করতেন, তখনও মনোযোগী হয়ে রাণীর কথা শুনেছে।’

করিমকে যে রাণী ভীষণ পছন্দ করতেন সে প্রমাণ পাওয়া গেছে তাঁর ব্যক্তিগত ডায়রিতেও, যেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমি তাকে খুব পছন্দ করি। সে খুব ভদ্র, ভীষণ বোঝদার ও সহানুভূতিশীলও। তার সাথে কথা বলে স্বস্তি পাই আমি।’

কতটা ঘনিষ্ঠ ছিলেন তারা:

২০১১ সালে বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে শ্রাবণী বসু বলেছিলেন, ‘করিম যুক্তরাজ্যে আসার পর থেকে রাণীর মৃত্যু পর্যন্ত তার কাছে যতগুলো চিঠি লিখেছিলেন রাণী ভিক্টোরিয়া, সবগুলোতেই করিমের উদ্দেশ্যে ‘তোমার প্রিয় মা’ ও ‘তোমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ এই সম্বোধনগুলো ব্যবহার করেছেন তিনি। এমনকি কোন কোন চিঠিতে করিমের উদ্দেশ্যে চুম্বনের সংকেতও পাঠাতেন তিনি, যেটা কি না অনেকটাই অস্বাভাবিক ছিল। কোন সন্দেহ নেই দুজনের সম্পর্ক অনেকটাই গভীর ছিল, আমার মনে হয় তাদের সম্পর্কের বেশ অনেকগুলো স্তরও ছিল।’

এমনকি স্কটল্যান্ডের এক নির্জন কটেজে রাণী ভিক্টোরিয়া ও আবদুল করিম একাকী রাত্রিযাপনও করেছেন একবার। তবে দুজনের মধ্যে বয়সের ব্যবধান অনেকটাই বেশি থাকায় শ্রাবণী বসুর ধারণা, তারা দুইজন যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হননি।

শ্রাবণী পরে লিখেছিলেন, ‘প্রিন্স আলবার্টের মৃত্যুর পর ভিক্টোরিয়া বলেছিলেন, আলবার্ট একই সাথে তাঁর স্বামী, ঘনিষ্ঠ বন্ধু, বাবা ও মায়ের ভূমিকা পালন করেছেন। আমার ধারণা আবদুল করিমও রাণীর জীবনে এরকমই ভূমিকা পালন করেছিল।’

২০১০ সালের করিমের উত্তরসূরি জাভেদ মাহমুদও টেলিগ্রাফকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, রাণী ও করিমের মধ্যে মা-ছেলের সম্পর্ক ছাড়া আর কিছুই ছিল না।

করিম কি বিবাহিত ছিলেন?

রাণীর সাথে যুক্তরাজ্যে আসার আগেই বিয়ে করেছিল করিম। তবে রাণী ভিক্টোরিয়া কখনোই করিমের স্ত্রীর প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করেননি, বরং যথাসম্ভব সম্মান দেখানোর চেষ্টা করেছেন। একবার স্ত্রীর সাথে দেখা করার জন্য আগ্রা যেতে চেয়েছিলেন করিম। রাণী তখন করিমের স্ত্রীকেই ইংল্যান্ডে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে বসেন। করিম ও তার স্ত্রীর জন্য ইংল্যান্ডে বাসার ব্যবস্থা করে দেন তিনি, ভারতেও এই দম্পতির নামে জমি লিখে দেন তিনি। নয় সন্তানের জননী রাণী ভিক্টোরিয়া এমনকি করিম ও তার স্ত্রীকে সন্তান নেয়ার ব্যাপারে পরামর্শও দিয়েছিলেন।

যেভাবে আবিষ্কৃত হয় দুজনের সম্পর্ক:

২০০৩ সালে রাণী ভিক্টোরিয়ার সামার হোম পরিদর্শনকালে কয়েকটি চিত্রকর্ম ও একজন ভারতীয় পরিচারকের আবক্ষ মূর্তি দেখে প্রথম সন্দেহ হয় সাংবাদিক শ্রাবণী বসুর। গত বছর টেলিগ্রাফের কাছে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে শ্রাবণী জানিয়েছেন, ‘ছবি দেখে তাকে কোন পরিচারক মনে হচ্ছিল না। এমনভাবে তার প্রতিকৃতি অঙ্কন করা হয়েছিল, মনে হচ্ছিল তিনি কোন বড় মানুষ। হাতে একটি বই নিয়ে এক পাশে তাকিয়ে ছিলেন, এটি ছিল প্রতিকৃতির বিষয়বস্তু। তার প্রতিকৃতিগুলো দেখেই প্রথম সন্দেহ হয় আমার।’

এরপর এই রহস্য উন্মোচনের জন্য দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে প্রচুর গবেষণা করেছেন শ্রাবণী। এরপরই উন্মোচিত হয় রাণী ভিক্টোরিয়া ও আবদুল করিমের রহস্যময় এই সম্পর্কের কথা।

দুজনকে নিয়ে নির্মিত হয়েছে সিনেমাও:

রহস্যময় এই সম্পর্ক নিয়ে ২০১৭ সালে স্টিফেন ফ্রিয়ার্সের পরিচালনায় নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র ‘ভিক্টোরিয়া ও আবদুল’। মূলত শ্রাবণী বসুর বইয়ের উপর ভিত্তি করেই নির্মিত হয়েছে এই চলচ্চিত্রটি। সিনেমায় রাণী ভিক্টোরিয়ার চরিত্রে অভিনয় করেছেন জুডি ডেঞ্চ, আর আবদুল করিমের চরিত্রে ছিলেন আলী ফজল।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
ফাইভ জি চালু হতেই মরল কয়েকশ পাখি!
ফাইভ জি চালু হতেই মরল কয়েকশ পাখি!
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই মারা গেছেন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই মারা গেছেন
ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
দেশের মাটিতে মাশরাফির শেষ ম্যাচ
দেশের মাটিতে মাশরাফির শেষ ম্যাচ
‘বিশ্ব সুন্দরী’র মুকুট পড়া হলো না ঐশীর
‘বিশ্ব সুন্দরী’র মুকুট পড়া হলো না ঐশীর
৭ দিনের নিচে কোন ইন্টারনেট প্যাকেজ নয়
৭ দিনের নিচে কোন ইন্টারনেট প্যাকেজ নয়
মৃত সাফায়েত উদ্ধার, বাবা আটক; সুরায়েত জীবিত
মৃত সাফায়েত উদ্ধার, বাবা আটক; সুরায়েত জীবিত
সিলেটি যুবককে বিয়ের জন্য ক্যাথলিক মেয়ের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
সিলেটি যুবককে বিয়ের জন্য ক্যাথলিক মেয়ের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
এমিরেটসের হীরায় মোড়ানো বিমান
এমিরেটসের হীরায় মোড়ানো বিমান
পাপ যেন পিছু ছাড়ছে না নিকের!
পাপ যেন পিছু ছাড়ছে না নিকের!
সোমবার রাতের মধ্যেই ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ
সোমবার রাতের মধ্যেই ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ
‘যৌন মিলন দেখিয়ে আনন্দ পাই’
‘যৌন মিলন দেখিয়ে আনন্দ পাই’
বাংলাদেশি অভিনেত্রী হিসেবে পরীই প্রথম
বাংলাদেশি অভিনেত্রী হিসেবে পরীই প্রথম
বিশ্বের আদর্শ ফিগারের নারী কেলি ব্রুক
বিশ্বের আদর্শ ফিগারের নারী কেলি ব্রুক
বিএনপির হয়ে লড়বেন পার্থ
বিএনপির হয়ে লড়বেন পার্থ
ক্যান্সার শনাক্তে বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর সাফল্য
ক্যান্সার শনাক্তে বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর সাফল্য
বাবার ইচ্ছাপূরণে হেলিকপ্টারে বউ তুলে আনল ছেলে
বাবার ইচ্ছাপূরণে হেলিকপ্টারে বউ তুলে আনল ছেলে
তামিম-সৌম্য শতকে ৩৩২ তাড়া করে জয়
তামিম-সৌম্য শতকে ৩৩২ তাড়া করে জয়
তামান্নার অন্তরঙ্গ ছবি, রয়েছে শারীরিক সম্পর্ক!
তামান্নার অন্তরঙ্গ ছবি, রয়েছে শারীরিক সম্পর্ক!
“কে ডেকেছে, চলে যান, ১টায় ছেলেকে দাফন করবো”
“কে ডেকেছে, চলে যান, ১টায় ছেলেকে দাফন করবো”
শিরোনাম :
২৫৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করছে উইন্ডিজ, দেড়শতক পার । উইন্ডিজ ১৫৭/৫, ওভার ৩৪, সাই হোপ ৭৮* ২৫৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করছে উইন্ডিজ, দেড়শতক পার । উইন্ডিজ ১৫৭/৫, ওভার ৩৪, সাই হোপ ৭৮* জেএসসি-জেডিসির ফল প্রকাশ ২৪ ডিসেম্বর জেএসসি-জেডিসির ফল প্রকাশ ২৪ ডিসেম্বর উপজেলা চেয়ারম্যানরা পদত্যাগ না করেও নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন, হাইকোর্টের এ আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার বিচারপতি উপজেলা চেয়ারম্যানরা পদত্যাগ না করেও নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন, হাইকোর্টের এ আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার বিচারপতি উইন্ডিজের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৫৫ উইন্ডিজের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৫৫ জাপার সাবেক মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারের আপিল বাতিল জাপার সাবেক মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারের আপিল বাতিল আইএসপিআরের নতুন পরিচালক হলেন লেফট্যানেন্ট কর্নেল মো. আবদুল্লা ইবনে জায়েদ আইএসপিআরের নতুন পরিচালক হলেন লেফট্যানেন্ট কর্নেল মো. আবদুল্লা ইবনে জায়েদ