ঢাকা, শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮
Advertisement
শিরোনাম:
গোপালগঞ্জের গোপীনাথপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত তিন, আহত দশ। টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে তুলার গোডাউনে আগুন দগ্ধ হয়ে এক শিশুর মৃত্যু। নিয়ন্ত্রনে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ২ টি ইউনিট। নওগাঁর মহাদেবপুরে গোপন বৈঠকের সময় জেলা জামায়াতের সাধারন সম্পাদক মহিউদ্দিনসহ ১২ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। পশ্নফাঁসসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে শিক্ষা অধিদপ্তর ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ২৯ কর্মকর্তাকে বদলির আদেশ মন্ত্রণালয়ের। সংগীত পরিচালক আলী আকবর রুপু চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন খালেদার জামিন আবেদনের শুনানি রোববার দুর্নীতিতে বাংলাদেশ বিশ্বের ১৭তম: টিআই
শিরোনাম:
গোপালগঞ্জের গোপীনাথপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত তিন, আহত দশ। টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে তুলার গোডাউনে আগুন দগ্ধ হয়ে এক শিশুর মৃত্যু। নিয়ন্ত্রনে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ২ টি ইউনিট। নওগাঁর মহাদেবপুরে গোপন বৈঠকের সময় জেলা জামায়াতের সাধারন সম্পাদক মহিউদ্দিনসহ ১২ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। পশ্নফাঁসসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে শিক্ষা অধিদপ্তর ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ২৯ কর্মকর্তাকে বদলির আদেশ মন্ত্রণালয়ের। সংগীত পরিচালক আলী আকবর রুপু চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন খালেদার জামিন আবেদনের শুনানি রোববার দুর্নীতিতে বাংলাদেশ বিশ্বের ১৭তম: টিআই...

হবিগঞ্জ সদর

রাজনীতির মাঠে সব দল

 জাকারিয়া চৌধুরী, হবিগঞ্জ ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:১৩, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

আপডেট: ১৪:১৩, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

১৫৪ বার পঠিত

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

জেলার ৪টি সংসদীয় আসন ও ৮টি উপজেলার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু হবিগঞ্জ সদর উপজেলা। মূলত হবিগঞ্জ সদর থেকেই পরিচালিত হয় কর্মসূচি প্রণয়নসহ সব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড। যে কারণে জেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা এটি। হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় রয়েছে ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌর সভা। এখানে রাজনীতির মাঠে সব দলের নেতাকর্মীরাও বেশ তৎপর।

বর্তমানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিতে রয়েছে দুই প্রভাবশালী নেতা। হবিগঞ্জ-লাখাইয়ের (হবিগঞ্জ-৩) বর্তমান এমপি হচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহির। তার নেতৃত্বে একাট্টা রয়েছে নেতাকর্মীরা।

এদিকে, কঠিন সময়েও যিনি বিএনপির হাল ধরে রেখেছেন তিনি হলেন দলের কেন্দ্রীয় সমবায় বিষয়ক সম্পাদক, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র আলহাজ জি কে গউছ। তিনি গত পৌরসভা নির্বাচনে সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যা মামলায় কারাগারে থেকেও মেয়র নির্বাচিত হন।

অপরদিকে, বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে জেলা জাতীয় পার্টি। তাদের নেই কোনো দৃশ্যমান দলীয় কার্যক্রম। কোন্দলের কারণে সমন্বয় নেই নেতাদের মধ্যে। নেতাকর্মীদের সঙ্গে নেই জেলা নেতাদের নিয়মিত যোগাযোগ। সব মিলে জাতীয় পার্টিতে চলছে করুণ দশা। হবিগঞ্জ সদর উপজেলায়ও তাদের একই অবস্থা। ফলে হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় জাতীয় পার্টি অনেকটাই নিষ্ক্রিয়।

বর্তমানে হবিগঞ্জের ৪টি আসনকে আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে বিবেচিত করা হয়। অনেকে আবার ২য় গোপালগঞ্জ হিসেবে বলে থাকেন। তবে স্বাধীনতার পর থেকে এ আসনটিতে বেশিবার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় পার্টির মরহুম আবু লেইছ মুবিন চৌধুরী। কিন্তু ২০০৩ সালের নির্বাচনে তিনি দল পরিবর্তন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিতে যোগদান করে এমপি নির্বাচন করেন। এ সময় প্রয়াত অর্থমন্ত্রী শাহ এম এ এস কিবরিয়ার সঙ্গে প্রতিদ্বন্ধিতা করে পরাজিত হন। ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যেরবাজারে আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলায় অর্থমন্ত্রী শাহ এমএএস কিবরিয়া নিহত হলে এ আসনটিতে উপনির্বাচন হয়।

উপনির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী আবু লেইছ মুবিন চৌধুরী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহিরের সঙ্গে প্রতিদ্বন্ধিতা করে হেরে যান। তখন থেকে আজ পর্যন্ত এ আসনটি রয়েছে আওয়ামী লীগের দখলে।

২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহির এমপির বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন জাতীয় পার্টির হবিগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক আতিকুর রহমান আতিক।

হবিগঞ্জ সদর উপজেলা ও লাখাই উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ জিকে গউছ কিবরিয়া হত্যা মামলায় কারাগারে থেকেও মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। এ হিসেবে আগামী সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে এ আসনে মেয়র জিকে গউছের প্রতিদ্বন্দিতা করার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই হবিগঞ্জ সদর-লাখাই আসনটিতে আগামী নির্বাচনে সেয়ানে সেয়ানে লাড়াই হবে।

দলীয় সূত্র থেকে জানা যায়, হবিগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগে নেই কোন গ্রুপিং-লবিং। এমপি আবু জাহিরের নেতৃত্বে এ উপজেলাটিতে একাট্টা রয়েছে তারা। এ ক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়ে বিএনপি। মেয়র আলহাজ জিকে গউছ ছাড়াও আরো দুইটি গ্রুপে বিভক্ত দলটি। এক গ্রুপের নেতৃত্ব দেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক সেলিম ও অপরটির নেতৃত্বে রয়েছেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. আহমদুর রহমান আব্দাল।

জি কে গউছ জানান, গ্রুপিং নয় বিএনপি নেতাকর্মীদের এখন একটাই কাজ হচ্ছে স্বৈরাচারী সরকারকে হঠানো।

জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক আতিকুর রহমান আতিক জানান, নির্বাচনকে সমনে রেখে তাদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে নেতাকর্মীদের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

>>>কাল থেকে হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার রাজনীতি...

ডেইলি বাংলাদেশ/আজ/এমআরকে

সর্বাধিক পঠিত