ঢাকা, সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮
ডেইলি বাংলাদেশের অডিও সার্ভিস চালু
শিরোনাম:
কার্গো বিমানে পণ্য পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলো যুক্তরাজ্য ১২৭ ইউনিয়ন ও নয় পৌরসভায় ভোট ২৯ মার্চ চা শ্রমিকদের আবাসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে বাগান মালিকদের কাছে থাকবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বিএনপি রাজশাহীর তানোরে বিস্ফোরকসহ ৩ জঙ্গি আটক
শিরোনাম:
কার্গো বিমানে পণ্য পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলো যুক্তরাজ্য ১২৭ ইউনিয়ন ও নয় পৌরসভায় ভোট ২৯ মার্চ চা শ্রমিকদের আবাসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে বাগান মালিকদের কাছে থাকবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বিএনপি রাজশাহীর তানোরে বিস্ফোরকসহ ৩ জঙ্গি আটক...

শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী (শেরপুর-৩)

রাজনীতিতে এখন নির্বাচনী হাওয়া

 শেরপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:২৯, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

১২৩ বার পঠিত

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী (শেরপুর-৩) আসনে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। এরইমধ্যে দলীয় মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা।

এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে একাধিক প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। অন্যদিকে বিএনপির রয়েছে একক প্রার্থী। আর বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছে জামায়াত। জাতীয় পার্টিও রয়েছে তৎপর।

এবার নৌকার মাঝি হতে শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা থেকে ডজনখানেক নেতা মাঠে নেমেছেন। এ আসনে বর্তমান এমপি আওয়ামী লীগের প্রকৌশলী একেএম ফজলুল হক। তিনি দুই মেয়াদে এ আসনের এমপি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগ থেকে এ আসনের জন্য মনোনয়ন চাইবেন। তিনি ভোটার ও নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়সহ সভা-সমাবেশ করছেন।

ফজলুল হক বলেন, আওয়ামী লীগের নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীসহ যুবলীগ, কৃষকলীগ, শ্রমিকলীগ, ছাত্রলীগের বেশিরভাগ নেতাকর্মী আমার সঙ্গে আছে। আশা করি জননেত্রীকে আবারো আসনটি উপহার দিতে পারব।

ঝিনাইগাতী উপজেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক ছামিদুল ইসলাম বলেন, আমরা জাসদ থেকে ফজলুল হককে সমর্থন জানাব। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য তাকেই ফের এমপি পদে দরকার।

ঝিনাইগাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের শাখার সভাপতি এস এম এ ওয়ারেজ নাঈম মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

ওয়ারেজ নাঈম বলেন, বর্তমান এমপি দলের ভেতর বিভেদ সৃষ্টির কারণে তৃণমূলে তার জনসমর্থন নেই। এজন্য আসনে পরিবর্তন সময়ের দাবি।

জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আবু সালেহ নুরুল ইসলাম হিরুও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।
নুরুল ইসলাম হিরু বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করতে হলে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দল আমাকে মনোনয়ন দেবে বলে আশাবাদী।

মাঠে থাকা জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসরিন বেগম ফাতেমা বলেন, ছাত্রলীগ থেকে রাজনীতি করে আসছি। বর্তমান সরকার নারীবান্ধব। নারী ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের জন্য আমি দলীয় মনোনয়ন পাব বলে আশা করি।

শ্রীবরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোতাহারুল ইসলাম লিটনও বিভিন্ন সভা-সমাবেশে তিনি প্রার্থী হতে চান বলে ঘোষণা দিয়েছেন। করছেন জনসংযোগ, ঘুরছেন হাইকমান্ডের নেতাদের কাছে।

শ্রীবরদীর খড়িয়া কাজিরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এ ডি এম শহিদুল ইসলাম কর্মী সমাবেশের মধ্য দিয়ে মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে জানান দিয়েছেন।

শহিদুল ইসলাম বলেন, আমার রাজনৈতিক জীবনে ঘুষ-দুর্নীতি স্পর্শ করতে পারেনি। জোট আমাকে মনোনয়ন দিলে এ আসনে নৌকার বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক কৃষিবিদ ড. ফররুখ আহমেদ ফারুকও মনোনয়ন চান। তিনি বলেন, শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী আসনের বিভিন্ন এলাকার ভোট বিশ্লেষণ ও কৌশলগত দিক বিবেচনায় আমার পক্ষে আওয়ামী লীগের বিজয় ছিনিয়ে আনা অত্যন্ত সহজ।

সাবেক এমপি ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খন্দকার মুহম্মদ খুররমকে মনোনয়ন দিলে বিজয়ী হবেন বলে তার কর্মী-সমর্থকরা আশা করছে।

আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মিজানুর রহমান রাজা বলেন, শিক্ষিত, মার্জিত ও জনপ্রিয় হিসেবে মূল্যায়ন করে দল আমাকেই মনোনয়ন দেবে।

এদিকে একক প্রার্থী নিয়ে আয়েশী মেজাজে রয়েছে বিএনপি। এ আসনে দলটির একক প্রার্থী দুইবারের এমপি জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুল হক রুবেল।

মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, এ আসনে বিএনপি সুসংগঠিত। শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতীর সব নেতাই আমাকে সমর্থন করছেন। জনসমর্থনও এখন বিএনপির দিকে। মানুষ বিএনপিকে ক্ষমতায় দেখতে চায়।

তবে ২০ দলীয় জোট থেকে এবার মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির নুরুজ্জামান বাদল। জোট থেকে মনোনয়ন না পেলে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের মাঠে থাকবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

জাতীয় পার্টি (এরশাদ) থেকে মনোনয়ন চাইবেন শ্রীবরদী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম ফর্সা দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ফজলুল হকের কাছে পরাজিত হন। জাতীয় পার্টির আরো দুই নেতা হাসান খালেদ কাজল ও আবু নাসের বাদল দলের মনোনয়নের প্রত্যাশা করে কেন্দ্রে দৌড়ঝাঁপ করছেন এবং এলাকায় প্রচারণা চালাচ্ছেন।

>>>কাল থেকে লালমনিরহাট জেলার রাজনীতি...

ডেইলি বাংলাদেশ/আজ/এমআরকে

সর্বাধিক পঠিত
ওপরে যেতে