Alexa রাঙামাটিতে ৫ নেতার ছাত্রলীগ, ‘আদর্শ’ প্রশ্নবিদ্ধ

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১২ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ২৮ ১৪২৬,   ১৫ রবিউস সানি ১৪৪১

রাঙামাটিতে ৫ নেতার ছাত্রলীগ, ‘আদর্শ’ প্রশ্নবিদ্ধ

 প্রকাশিত: ০৮:৫৭ ৩১ আগস্ট ২০১৭   আপডেট: ১৭:৪৬ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৭

‘অযোগ্য’, অছাত্র নেতৃত্ব আর একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগের অবস্থা হ-য-ব-র-ল। সভাপতি-সম্পাদকের দুটি গ্রুপে বিভক্ত ঐতিহ্যবাহী এই সংগঠন। দুই বছর আগে জেলা সম্মেলনে ‘ব্যাপক লুকোচুরি’র মাধ্যমে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীদের দিয়ে যে ছয় সদস্যের কমিটি ঘোষিত হয়েছিল, দুই বছরেও তা পূর্ণতা পায়নি। বরং এ ছয়জনের একজন যুগ্ম সম্পাদক রুবেল চৌধুরী সরকারি চাকরিতে যোগ দিয়েছেন। এখন বাকি পাঁচ নেতার নেতৃত্বে চলছে জেলা ছাত্রলীগ।

২০১৫ সালের ২ জুন হয় জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন। শেষ বিকেলে কমিটি ঘোষণা না করেই সম্মেলন শেষ করেন কেন্দ্রীয় নেতারা। পরদিন কেন্দ্রীয় নেতাদের রাঙামাটি ত্যাগের পর জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় কমিটির রেখে যাওয়া ছয় সদস্যের জেলা কমিটি ঘোষণা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক মো. মুছা মাতব্বর। যাতে সভাপতি হিসেবে কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সম্মেলনে কোনো পদেই প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিক আবেদন জমা না দেওয়া আব্দুল জব্বার সুজনকে সভাপতি, সভাপতি পদপ্রার্থী সাইফুল আলম রাশেদ ও এম এন কাউসার রুমিকে সহসভাপতি, সম্পাদক পদপ্রার্থী রুবেল চৌধুুরীকে যুগ্ম সম্পাদক, সাবেক জেলা কমিটির উপ-পাঠাগার সম্পাদক প্রকাশ চাকমাকে সাধারণ সম্পাদক ও সালাউদ্দিন টিপুকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়। আরেক সভাপতি প্রার্থী শাহনেওয়াজ সুমনকে কেন্দ্রীয় সদস্য করার আশ্বাস দেওয়া হয় সেখানেই। এই কমিটি ঘোষণার পরপরই সভাপতি-সম্পাদক পদের সব প্রার্থী একত্রিত হয়ে দলীয় কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালান; সংবাদ সম্মেলনে নতুন কমিটিকে প্রত্যাখ্যান করেন।

এ নিয়ে চলে নানা দেন-দরবার। কিছুদিন এই কমিটির নেতারা একসঙ্গে কিছু কর্মসূচিতে যোগ দিলেও তাদের সম্পর্ক আর স্বাভাবিক হয়নি। বরং সভাপতি সুজন-যুগ্ম সম্পাদক রুবেল ও সাংগঠনিক সম্পাদক টিপু একদিকে, আর সহসভাপতি রাশেদ, রুমি ও সম্পাদক প্রকাশ চাকমা অন্যদিকে অবস্থান নেন। জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা নানা সময়ে চেষ্টা করেও এক করতে পারেননি তাদের।

অছাত্র : সুজন কিসে পড়েন, পড়াশোনা শেষ করেছেন কি না, কেউ জানে না। সাইফুল আলম রাশেদ, কাউসার রুমি, প্রকাশ চাকমা, সালাউদ্দিন টিপু—তাদের কেউই এখন আর ছাত্র নন এবং রুবেল চৌধুুরী সরকারি চাকরিজীবী। কাউসার রুমি দীপংকর তালুকদারের ব্যক্তিগত সহকারী।

স্থগিত কলেজ ছাত্রলীগের কার্যক্রম : ২০১৫ সালের ২২ মে রাঙামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত হয়। এ কমিটির সভাপতি সুলতান মাহমুদ বাপ্পা জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সুজনের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে বিবেচিত। কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আহমদ ইমতিয়াজ রিয়াদ কারো অনুসারী ছিলেন না। কিন্তু জেলা সম্মেলনে সুজন সভাপতি হওয়ার পর বাপ্পার দাপটে কোণঠাসা হয়ে পড়া রিয়াদ ও তার অনুসারী প্রকাশ-রাশেদ গ্রুপের অনুসারী হন। ফলে জেলা ছাত্রলীগের বিরোধ পৌঁছে কলেজেও। কলেজ ছাত্রলীগে শক্তিশালী হয়ে ওঠে রিয়াদ গ্রুপ। হামলার শিকার হয় বাপ্পার অনুসারীরা। এ নিয়ে দেন-দরবার চলার মধ্যেই রিয়াদ অনুসারীদের ওপর হামলা চালায় বাপ্পা অনুসারীরা। ফলে স্থগিত করা হয় কলেজ কমিটি। বন্ধ হয়ে যায় কার্যক্রম। বহু চেষ্টায়ও জট খোলেনি। সভাপতি অনুসারীরা কলেজে যেতে পারে না মার খাওয়ার ভয়ে। আহমেদ ইতমিয়াজ রিয়াদ বলেন, ‘আমার ওপর হামলার পর জেলা কমিটির নির্দেশে আমাদের কার্যক্রম স্থগিত আছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাংগঠনিক কার্যক্রম, কমে গেছে নতুন সদস্য রিক্রুট। ’

বহিষ্কৃত পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি : রাঙামাটি পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি এইচ এম আলাউদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক অপু শ্রীং লেপচা রাশেদ-প্রকাশ গ্রুপের অনুসারী হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। একদিন ফেসবুকে জেলা ছাত্রলীগ নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দেওয়ায় আলাউদ্দিনকে বহিষ্কার করে জেলা ছাত্রলীগ। পরে পাল্টাপাল্টি বিবৃতি দেয় ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদকরা। তখন থেকে স্থবির ওয়ার্ড ছাত্রলীগের কার্যক্রম। কয়েক মাস আগে বহিষ্কার করা হয়েছে বাঘাইছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সুজিত চক্রবর্তীকে। সম্প্রতি লংগদু উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান রাজুর বিরুদ্ধে অনাস্থা দিয়েছে উপজেলা ছাত্রলীগ। ‘সাংগঠনিক শৃঙ্খলা না মানায়’ আলাউদ্দিন ও সুজিতের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে বলে জানান জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি।

জেলা কমিটি নিয়ে টানাপড়েন : দুই বছরেও জেলা ছাত্রলীগের কমিটি পূর্ণাঙ্গ না হওয়ার অন্যতম কারণ প্রস্তাবিত কমিটি নিয়ে সভাপতি ও সম্পাদকের একমত হতে না পারা। সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ চাকমা বলেন, ‘কমিটি অনেক আগেই হতো, কিন্তু সভাপতি সুজনের কারণে কমিটি হতে বিলম্ব হচ্ছে। তার পছন্দের অসংখ্য অযোগ্যকে তিনি কমিটিতে ঠুকিয়েছেন, কিন্তু আমাদের পরীক্ষিত কর্মীদের নিতে দিচ্ছেন না। তাই কমিটি হতে বিলম্ব হচ্ছে। তবে জেলা আওয়ামী লীগের নির্দেশনার পর কমিটি ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত হয়েছে। আশা করছি সেপ্টেম্বরেই হয়ে যাবে।’ সভাপতি সুজন বলেন, ‘এ বিষয়ে আপনি আমার সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে কথা বলেন।’ তার সঙ্গে বিএনপি-জামায়াত পরিবারের সন্তানদের ঘনিষ্ঠতা প্রসঙ্গে সুজন বলেন, ‘অতীতে অনেকেই ভুল রাজনীতি করেছে। এখন তারা আমাদের সঙ্গে থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে দলে আসছে। তবু আমরা তাদের যাচাই-বাছাই করেই দায়িত্ব দেব।’

সূত্র মতে, সুজন-প্রকাশ নিজেদের অনুসারীদের কে কতটা কমিটিতে রাখতে পারবেন, সেটা নিয়েই মূল বিরোধ। আবার পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সোলায়মান চৌধুরীর ছেলে মহিউদ্দিন রিমন বাবুকে কমিটিতে রাখতে চান না সুজন।

জেলা কমিটির প্রতি আস্থা নেই উপজেলাগুলোরও: দুই বছরেও জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি না হওয়া ও বর্তমান কমিটির কার্যক্রমের কারণে এই কমিটির প্রতি আস্থা নেই ১০টি উপজেলার বেশির ভাগ কমিটির। রাজস্থলী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অংচাসিন মারমা বিজয় বলেন, ‘এটা আমার দেখা সবচেয়ে ব্যর্থ জেলা ছাত্রলীগের কমিটি। যেখানে আমি তিন দিনেই আমার উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি পূর্ণাঙ্গ করেছি, সেখানে তারা দুই বছরে এটা পারেননি। তাদের কারণেই আজ আমাদের বয়স পেরিয়ে গেলেও জেলা কমিটিতে আসতে পারলাম না।’ লংগদু উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মুহম্মদ জিয়াউল বলেন, ‘যে কমিটি দুই বছরেও জেলা কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে পারে না, তাদের দায়িত্ব পালনের কোনো অধিকারও নেই। আর যেহেতু মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, সম্মেলন করে নতুন নেতৃত্বের হাতেই জেলা ছাত্রলীগের দায়িত্ব দেওয়া উচিত। ’

ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ-জেলা আওয়ামী লীগ : রাঙামাটি ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডে হতাশ ও ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। গত ১৫ মে চট্টগ্রামে বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতারা রাঙামাটির সভাপতি-সম্পাদকের কাছে ৩০ মের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দেওয়ার আলটিমেটাম দেন। অন্যথায় জেলা কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন। তখন রাঙামাটি জেলার সাংগঠনিক দায়িত্বপালনকারী কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি এম আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘সুজন-প্রকাশ কেউ আমার কথা শোনে না। তাদের নিজেদের পারস্পরিক সম্পর্ক ভালো নয়। সমন্বয়ও নেই।’ তবে ৩০ মের আলটিমেটাম পেরিয়ে গেলেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি; ভাঙা হয়নি বর্তমান কমিটি। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুছা মাতব্বর বলেন, ‘সুজন-প্রকাশ ব্যর্থ হয়েছে। ওদের দিয়ে আর কিছু আশা করা যায় না। সেপ্টেম্বরের মধ্যেই তারা কমিটি করতে ব্যর্থ হলে আমরা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে জানিয়ে দেব নতুন সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি করতে। ’

সভাপতির কর্মকাণ্ডে বিবর্ণ ছাত্রলীগ : জেলা কমিটির সভাপতি সুজনের নেতৃত্বে শহরের বনরূপা এলাকার চিহ্নিত জামায়াত-হেফাজত পরিবারের সন্তানদের ছাত্রলীগে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে নিজের অবস্থান সুসংহত করার চেষ্টা ঘিরেই ছাত্রলীগে শুরু হয় বিরোধ। সুজন ও তার অনুসারী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি বাপ্পার নেতৃত্বে বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত পরিবারের সন্তানদের নিয়ে তৈরি হয় ছাত্রলীগের নতুন একটি বলয়। বলয়টির অপকর্মে বিতর্কিত হতে থাকে ছাত্রলীগ। সাংবাদিককে মারধর, পুলিশের গাড়ি আটকে আসামি ছিনতাই, ব্যক্তিগত পাওনা টাকা আদায় করতে রানীরহাট থেকে গাড়ি ছিনিয়ে আনা, লংগদুর এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে বিরোধের জেরে তার বোট আটকে রাখাসহ নানা ঘটনা দিয়ে শহরে আলোচনার জন্ম দেন সুজন। তিনি গাছ ব্যবসায় জড়িত এবং এ ব্যবসায় তিনি ছাত্রলীগের পরিচয় ব্যবহার করেন। শহরে বিতর্কিত ব্যবসায় জড়িত কয়েকজনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতাও আলোচিত। ব্যক্তিস্বার্থে ২০-২৫ জনের একটি জুনিয়র গ্রুপকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, সাংবাদিক, আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাসহ অনেককেই ফেসবুকে হেনস্তার ঘটনা ঘটান তিনি। স্থানীয় একটি পত্রিকার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে তার নেতৃত্বে মিছিল করে উসকানিমূলক স্লোগানও দেওয়া হয়েছে। তবে সুজন বলেন, ‘পুলিশের সঙ্গে ঘটনাটি ভুল-বোঝাবুঝি ছিল। আর রানীরহাট থেকে গাড়ি আনার ঘটনাটি ছিল ব্যক্তিগত টাকা পাওনার কারণে সমঝোতার ভিত্তিতে।’ নিজের কোনো ‘ফেসবুক বাহিনী’ নেই দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক।’

আদর্শের সংকটই মূল সমস্যা : জেলা ছাত্রলীগের বিরোধ বিষয়ে জানতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে চমকপ্রদ সব তথ্য। সভাপতি সুজনের অনুসারীরা প্রায় সবাই বিএনপি-জামায়াত ও হেফাজত সমর্থিত পরিবারের সন্তান। তাদের মধ্যে বনরূপা এবং রিজার্ভবাজার এলাকার বিতর্কিত কয়েকজন ব্যবসায়ীর ছেলে, সাবেক বিএনপি নেতার ছেলে, বনরূপা মসজিদের অপসারণকৃত সম্পাদকের ছেলে, সাবেক ছাত্রদল নেতাসহ বেশ কয়েকজন আছেন, যারা অতীতে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিপক্ষে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়াসহ নানা কর্মকাণ্ড করেছেন। তারা আওয়ামী লীগের সুসময়ে এবং ব্যক্তি ও পরিবারের স্বার্থে ছাত্রলীগে ভিড়েছেন বলে দাবি ছাত্রলীগের নেতাদের। সুজনেরই পরিবারের কেউ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নন। তার ভাই মো. ইউনুস জেলা ছাত্রদলের স্বাস্থ্য ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক। কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সুজনের অনুসারী বাপ্পার বাবা জালালউদ্দিন চৌধুরী আলমগীর ছিলেন পার্বত্য বাঙালি গণপরিষদ নামের সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও দীপংকর তালুকদারের কট্টোর বিরোধিতাকারী। ২০১২ ও ২০১৪ সালে রাঙামাটি সরকারি কলেজে ছাত্র সংঘাত থেকে সৃষ্ট বিরোধ পরে শহরে সাম্প্রদায়িক সংঘাত হিসেবে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনার জন্য তখনকার তদন্ত কমিটি এবং পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ সুজন ও বাপ্পাকেই দায়ী করে আসছে। অন্যদিকে প্রকাশ-রাশেদের অনুসারীরা প্রায় সবাই ছোটবেলা থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবি আন্দোলনেও এই গ্রুপের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই