Alexa রাইড শেয়ারিংয়ে প্রতারণা, গ্রেফতার ৬

ঢাকা, শনিবার   ১৮ জানুয়ারি ২০২০,   মাঘ ৪ ১৪২৬,   ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

রাইড শেয়ারিংয়ে প্রতারণা, গ্রেফতার ৬

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০২:৩৩ ১১ ডিসেম্বর ২০১৯   আপডেট: ০৩:২২ ১১ ডিসেম্বর ২০১৯

গ্রেফতারকৃতরা

গ্রেফতারকৃতরা

অভিনব কায়দায় বিভিন্ন রাইড শেয়ারিং কোম্পানির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছিল একটি প্রতারক চক্র। অবশেষে এ চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সাইবার পুলিশ সেন্টার।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মো. আবুল হোসেন (৩৯), মো. খোকন (৩৯), মো. রিপন (৩১), মো. তোফাজ্জল হোসেন তপু (৩১), মো. আজম সরকার (২৯), আব্দুল্লাহ আল আমান ওরফে ডলার (২৯)

মঙ্গলবার সিআইডির মিডিয়া কর্মকর্তা শারমিন জাহান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সিআইডি জানায়, প্রতারক চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন ড্রাইভারকে রাইড শেয়ারিং কোম্পানি থেকে শীত বস্ত্র দেয়ার কথা বলে, কখনো সরকার থেকে ফ্রিতে সিএনজি দেয়ার কথা বলে গাড়ির কাগজ, এনআইডি কার্ডের কপিসহ অন্যান্য কাগজপত্র সংগ্রহ করে। এই কাগজপত্র তারা তুলে দেয় চক্রের অন্য সদস্যদের হাতে, যারা রাইড শেয়ারিং কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করে ড্রাইভার একাউন্ট খুলে দেয়।

কাগজপত্র বিভিন্ন ড্রাইভারদের হলেও কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ, রাইড শেয়ারিংয়ের কমিশন বা আর্থিক লেনদেনের জন্য প্রতারক চক্রটি নিজেরাই ভুয়া রেজিস্ট্রেশনকৃত মোবাইল নাম্বার সরবরাহ করত। এমনকি লেনদেনের জন্য ভুয়া রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে বিকাশ অ্যাকাউন্ট খোলা ও লেনদেনে সহযোগিতা করার জন্য এই চক্রের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বিকাশের এজেন্টরাও।

রাইড শেয়ারিং কোম্পানিগুলো প্রায়ই রাইডে ডিসকাউন্ট দেয়। কোনো ড্রাইভার প্রতিদিন নির্দিষ্ট সংখ্যক ট্রিপ দেয়ার পরেও যদি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা আয় করতে না পারে সেক্ষেত্রে বাকি টাকা কোম্পানির পক্ষ থেকে ড্রাইভারদের বিকাশ অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেয়ার অফার দেয়। এই সময়ই সক্রিয় হয়ে ওঠে প্রতারক চক্রটি। এরপর চক্রের সদস্যরা প্রযুক্তির মাধ্যমে ফেক অ্যাপস ব্যবহার করে রাইড দেখিয়ে রাইড শেয়ারিং কোম্পানির কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়।

সম্প্রতি ওভাই সলিউশন্স লিমিটেডের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা হলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের একটি টিম গত ২৪ নভেম্বর ও ২৫ নভেম্বর চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেফতার করে। পরে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২৭ নভেম্বর ২ জন ও ৯ ডিসেম্বর প্রতারক চক্রের আরো ২ সদস্যসহ মোট ৬ প্রতারককে গ্রেফতার করা হয়।

প্রতারক চক্রের সদস্যরা ওভাই রাইড শেয়ারিং কোম্পানিতে ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে ৯০টি সিএনজি অটোরিকশা রেজিস্ট্রেশন করিয়ে পনের লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। প্রতারক চক্রের সঙ্গে অন্য কোনো সদস্য জড়িত আছে কিনা এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এস.আর/আরএইচ