রহস্য, রোমাঞ্চের গল্পে ‘কক্সবাজারে কাকাতুয়া’

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০৭ এপ্রিল ২০২০,   চৈত্র ২৪ ১৪২৬,   ১৩ শা'বান ১৪৪১

Akash

রহস্য, রোমাঞ্চের গল্পে ‘কক্সবাজারে কাকাতুয়া’

বিনোদন প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:২৪ ২৩ মার্চ ২০২০  

ছোটকাকু সিরিজের একটি দৃশ্য

ছোটকাকু সিরিজের একটি দৃশ্য

টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ফরিদুর রেজা সাগরের ছোটকাকু সিরিজের গল্প অবলম্বনে নির্মিত পাঁচটি চলচ্চিত্র প্রচার হচ্ছে মার্চ মাসজুড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার বিকেল ৩.০৫ মিনিটে দেখানো হবে ‘কক্সবাজারে কাকাতুয়া’।

ইমপ্রেস টেলিফিল্মের এ ছবিগুলো পরিচালনা করছেন আফজাল হোসেন।  এতে অভিনয় করেছেন  অর্ষা, সীমান্ত, তানভীর হোসেন প্রবাল, জহিরউদ্দিন পিয়ার, শামস্ সুমন ছাড়াও নির্মাতা নিজেও।
 
গল্পে দেখা যাবে, ছোট কাকু মানে রহস্য। ছোট কাকু মানেই বিপদ সংকুল পথে পা বাড়িয়ে রহস্যের কিনারায় পৌঁছানো। কক্সবাজার শহর থেকে মাইল দশেক দূরে রামুতে এমন সময় ছোট কাকুর মোবাইল বেজে উঠলো। অপরিচিতি নাম্বার, ছোট কাকু কিছুক্ষণ কথা বলে ফোন কেটে ড্রাইভারকে বললেন ঘুম ঘুম কতদূর, টেকনাফের পথে গাড়ী ঘোরাও। 

এমন সময় হঠাৎ করে এক ভদ্রলোককে চোখে পড়লো ছোট কাকুর। বেশ চিন্তিত ভঙ্গি, উশকো খুশকো একমাথা চুল, দু‘চোখে শাণিত দৃষ্টি। অদ্ভুত লোকটা পকেট থেকে সোনালী রঙের একটি মুদ্রা বের করে দিলেন। মুদ্রার একপিঠে এক পায়ে ভর করে দাড়িয়ে আছে একটা বাঘ, অন্যপাশে খোলা তরবারী হাতে একজন গাইড।

বুঝতে বাকি রইলো না এটা রবার্ট কাইভের আমলের মুদ্রা। ধন্যবাদ দেবার জন্য তাকাতেই দেখি লোকটি অদৃশ্য। পাশের পাহাড়ের দিকে তাকাতেই বুঝলাম এই পাহাড়েই অদৃশ্য হয়ে গেছে লোকটা।

উত্তেজনায় ছোট কাকুর দু‘চোখ চক চক করছে। সকালে যার সঙ্গে দেখা হয়েছিলো তিনি রকিব স্যার। বহু বছর আগে এই প্রাচীন মুদ্রাটি রকিব স্যারকে ছোট কাকু দিয়েছিলেন। হনহন করে ছোটকাকু লতাপাতা সরিয়ে প্রবেশ করলেন পাহাড়ের ফাটলে।

পেছনে আফতাব মির্জা ও কয়েকজন তাকে অণুসরণ করলেন। চারিদিকে মোটা থরে প্রাচীর। যত ভেতরে যাচ্ছে, অন্ধকার গাঢ় হচ্ছে, গা ছম ছম করছে। পায়ের নিচে ঠান্ডা পানি, দেয়ালগুলো সব প্রবাল, সুঁচের মতো সাদা ফলাগুলো বেরিয়ে থাকা সরু পাাথরগুলো জ্বলজ্বল করছে। এমন অসংখ্য রহস্য, রোমাঞ্চের সব গল্প দেখা যাবে ছোট কাকুর এবারের পর্বে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনএ