Exim Bank Ltd.
ঢাকা, মঙ্গলবার ২৩ অক্টোবর, ২০১৮, ৮ কার্তিক ১৪২৫

রহস্যের নাম ‘জ্যাক দ্য রিপার’

হাসিব শাহ আমানডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
রহস্যের নাম ‘জ্যাক দ্য রিপার’
ছবি: সংগৃহীত

ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রায় শেষের দিকে পূর্ব লন্ডনের দারিদ্র পীড়িত এক পাড়ায় ঘটে যায় একের পর এক হত্যার ঘটনা। হত্যার শিকার প্রত্যেকেই যৌনকর্মী। এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে শহরজুড়ে শুরু হয় তোলপাড়। ব্রিটিশ মিডিয়া, সরকার এবং পুলিশ বাহিনী হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়ায় হত্যাকারীকে। কিন্তু আজ অবধি অমীমাংসিত সেই রহস্য ব্রিটিশ পুলিশ ও স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের অত্যন্ত দক্ষ গোয়েন্দাদের জন্য অপমানজনক একটি অধ্যায় হিসেবেই রয়ে গেছে।

১৮৮৮ সালের কথা। এক হত্যাকারী পুরো লন্ডনকে আতঙ্কিত এবং সমগ্র ব্রিটেনকে উৎকণ্ঠিত করে রাখে। ব্রিটেন এবং বিশ্বের ইতিহাসের অন্যতম কুখ্যাত এই হত্যাকারী তিনমাসের ব্যবধানে হত্যা করে পাঁচজনকে। নিহত যৌনকর্মীদের ক্ষত দেখে বোঝা গেল, মানবদেহের অঙ্গসংস্থান সম্পর্কে হত্যাকারীর যথেষ্ট জ্ঞান রয়েছে, অর্থাৎ হয় সে একজন চিকিৎসক অথবা চিকিৎসা বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী। পুলিশ হত্যাকারীর নাম দিল জ্যাক দ্য রিপার। ৫টি হত্যার প্রতিটিই এক মাইল এলাকার মধ্যে সংগঠিত। পূর্ব লন্ডনের হোয়াইট চ্যাপেল এলাকায় ঘটনাগুলো ঘটে ১৮৮৮ সালের ৩১ অগাস্ট হতে ৯ নভেম্বরের মাঝে। জ্যাক দ্য রিপার ছাড়াও এই হত্যাকারীকে "লেদার এপ্রোন" নামেও ডাকা হত।

কথিত রয়েছে, জ্যাক দ্য রিপার লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ তথা স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বিদ্রুপ করে কয়েকটি চিঠি পাঠায়। সেসব চিঠিতে স্বীকার্য এবং তার পরবর্তী হত্যার ব্যাপারে ক্লু দেয়া থাকত। রহস্যময় এই হত্যাকারীকে “জ্যাক দ্যা রিপার” নামটি দেয়া হয় তারই পাঠানো একটি চিঠির সূত্র ধরে। অবশ্য এ বিষয়টিকে অনেকে গুজব বলেও সন্দেহ করে থাকেন। দিনের পর দিন ধরে চলা অসংখ্য তদন্তের পরও হত্যাকারীর হদিস মেলেনি। ১৮৮৮ সাল থেকে রিপার হিসেবে কমপক্ষে শতজনকে সন্দেহ করা হলেও এটি কেবল মিথ এবং পৈশাচিক কাহিনি ছড়াতেই সাহায্য করেছে। তবে যে ব্যক্তিটিকে “জ্যাক দ্য রিপার” হিসেবে বর্তমানে ধরে নেয়া হয়, তিনি পোল্যান্ড থেকে আসা অভিবাসী, ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিখ্যাত চিত্রকর, ওয়াল্টার সিকার্ট। যদিও নিশ্চিত করে কিছু প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি।

উনবিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে পূর্ব লন্ডনের শেষাংশকে শহরের অধিবাসীদের কেউ কেউ অনুকম্পা ও সহানুভূতির দৃষ্টিতে দেখত। আবার কেউ দেখত ঘৃণা ও অবজ্ঞার চোখে। নতুন এক উন্নত জীবনের আশায় ইউরোপের বিভিন্ন দেশ হতে ইংল্যান্ডে পাড়ি দেওয়া প্রবাসীরা বাস করত সেই এলাকায়। যদিও তারা ব্যবসা এবং কারিগরি বিদ্যাসহ বিভিন্ন কাজে বেশ দক্ষ ছিল তবুও টিকে থাকার লড়াইয়ে সেসব এলাকায় দাঙ্গা-ফ্যাসাদ লেগেই থাকত। অপরাধের হারও ছিল বেশি এবং ওই এলাকাগুলোকে বাকি শহর নোংরামি, যৌনতা, নৃশংসতা ও অপরাধের কারখানা হিসেবে গণ্য করত। পতিতাবৃত্তি তখন শুধুমাত্র পাবলিক প্লেস ছাড়া সকল জায়গায় বৈধ ছিল। এরই সুবিধা গ্রহণ করে পূর্ব লন্ডনের বাড়িতে বাড়িতে ও সস্তা লজগুলোতে গড়ে উঠে পতিতালয় এবং এসব ছোট বড় মিলিয়ে পতিতালয়ের সংখ্যা ছিল সহস্রাধিক। সে সময় একজন যৌনকর্মীকে হত্যা করা হলেও তথাকথিত ভদ্র সমাজের মানুষজন এ নিয়ে আলোচনা করতে পছন্দ করতেন না। এমনকি মিডিয়াও এ ধরণের ঘটনা এড়িয়ে যেত। বরং তখন এমন মানসিকতা ছিল, “সবচেয়ে নিচু”এই নারীদের শারীরিকভাবে নির্যাতন করা তেমন দোষের কিছু না। এমন অস্থিতিশীল সময় ও অপরাধপ্রবণ এলাকায় আবির্ভাব ঘটে জ্যাক দ্য রিপারের। ১৮৮৮ সালের আগস্ট হতে নভেম্বরের মধ্যে ঘটে যাওয়া এই হত্যাকাণ্ডগুলো ছিল একেবারে আলাদা। সবগুলো হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রেই প্রথমে গলাকেটে হত্যা করা হয়। এরপর তলপেট পুরো কেটে ভেতরের সব যেমন- কিডনি, গর্ভাশয় ইত্যাদি অঙ্গ বের করে ফেলত। হত্যার নমুনা থেকে ধারণা করা হয়, হত্যাকারী যৌনকর্মী- এমনকি হয়তো বা সমগ্র নারী জাতির প্রতিই প্রচণ্ড ঘৃণা পোষণ করে।

রিপারের শিকার পাঁচ নারী মেরি অ্যান নিকোলস, অ্যানি চ্যাপম্যান, এলিজাবেথ স্ট্রাইড, ক্যাথরিন এডোয়েস এবং মেরি জেন কেলি। ১৮৮৮ সালের ৩১ আগস্ট শুক্রবার ভোর ৩টা ৪০- নিকোলসের দেহটি হোয়াইটচ্যাপেলের বেকার স্ট্রিট (বর্তমান ডুরওয়ার্ড স্ট্রিট) থেকে আবিষ্কৃত হয়। নিকোলসের গলায় গভীরভাবে দু’বার কাটার দাগ ছিল এবং পেটের নীচে আংশিকভাবে গভীর একটি ক্ষত ছিল। পেটের উপর অন্যান্য অংশে আরো কিছু ক্ষত পাওয়া যায়।

৮ সেপ্টেম্বর, শনিবার সকাল ৬ টায় চ্যাপম্যানের দেহ আবিষ্কৃত হয় ২৯, হানবারি স্ট্রিটের স্পিটলফিল্ডের পিছনের দিকে একটি দরজার কাছে। ঠিক যেমন মেরি অ্যান নিকোলসের ক্ষেত্রে গলা দু’বার আঘাতের মাধ্যমে যেভাবে বিচ্ছিন্ন করা হয় ঠিক তেমন ভাবেই কাটা হয় চ্যাপম্যানের গলাও। পেট সম্পূর্ণরূপে কাটা ছিল, এবং পরে আবিষ্কৃত হয় যে পেটের ভেতর থেকে গর্ভাশয়টি অপসারণ করা হয়েছে।

৩০ সেপ্টেম্বর রবিবার স্ট্রাইড ও এডোয়েসকে হত্যা করা হয়। হোয়াইট চ্যাপেলের বার্নার স্ট্রিট (এখন হেনরিকস স্ট্রিট) এর কাছে ডটফিল্ডের ইয়ার্ডে রাতের প্রায় ১ টার দিকে স্ট্রাইডের দেহ আবিষ্কৃত হয়। মৃত্যুর কারণ ছিল গলার বাম দিকের প্রধান ধমনীটি ছিন্ন হওয়া। লন্ডনের মিটার স্কয়ারে স্টাইডের মৃতদেহ পাওয়ার প্রায় পঁয়তাল্লিশ মিনিট পর এডোয়েসকে পাওয়া যায়। তার গলা কাটা হয়েছিল এবং পেটে দীর্ঘ ও গভীর ক্ষত ছিল। বাম কিডনি এবং গর্ভাশয়ের প্রধান অংশ সরানো হয়েছে। এডডয়েস এবং স্ট্রাইডের হত্যার পরে তাকে "দ্বৈত ঘটনা (ডাবল ইভেন্ট)" বলা হয়।

হোয়াইটচ্যাপেলের গলস্টন রাস্তায় একটি খাজনার প্রবেশদ্বারে এডোয়েসের রক্তাক্ত দেহের কিছু অংশ পাওয়া যায়। উপরে দেয়ালে কিছু লেখা ছিল যা গলস্টন স্ট্রিট গ্রাফিতি নামে পরবর্তীতে পরিচত হয়। গ্রাফিতিতে ইহুদিদের নিয়ে কিছু কথা লেখা ছিল। কিন্তু খুনীই গ্রাফিতিটি লিখেছে কি-না তা স্পষ্ট না, কারণ হোয়াইট চ্যাপেলের এমন গ্রাফিতি খুবই সাধারণ ছিল। পুলিশ কমিশনার চার্লস ওয়ারেন ইহুদি বিরোধী দাঙ্গা ছড়িয়ে দিতে পারে, এমন আশঙ্কায় ভোর হওয়ার আগেই গ্রাফিতি ধুঁয়ে ফেলার আদেশ দেন। ৯ নভেম্বর শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে ডারসেট স্ট্রিট, স্পিটালফিল্ডের বাইরে ১৩ মিলার’স কোর্টে বসবাসকারী কেলির মৃতদেহ তার ঘরে বিছানায় পাওয়া যায়। তার গলা থেকে মেরুদন্ড পর্যন্ত কেটে ফেলা হয় এবং শরীরের ভেতরের প্রায় অঙ্গই অনুপস্থিত ছিল।

এসব নৃশংস ঘটনা ছিল ইতিহাসে বিরল এবং এ ঘটনাগুলো পুরো লন্ডন ও ব্রিটেনকে কাঁপিয়ে দেয়। শুরু হয় পুলিশ, প্রশাসনের তৎপরতা। চারিদিকে বিরাজ করছিল উৎকণ্ঠা। রিপারের হত্যা হঠাৎ করেই বন্ধ হয়ে গেল। এরপর হত্যার কারণ যেমন সমাধান হয়নি, তেমনি কেউ ধরাও পড়েনি। তবে ঘটনাগুলো জনমনে প্রভাব ফেলে। তাই লন্ডনের অধিকাবাসীগণ এ ঘটনার শতাব্দী পার হলেও এখনো খুঁজে বেড়াচ্ছেন এমন কিছু প্রশ্নের উত্তর যা আজ পর্যন্ত অজানা। এসব ঘটনা নিয়ে মানুষের উৎসাহ ও কৌতূহলকে ঘিরে তৈরি হয় বেশ কিছু চলচ্চিত্র, টেলিভিশন সিরিজ, লেখা হয়েছে বই।

এ ব্যাপারে এখনো কেস চলছে, কিন্তু সম্মুখীন হচ্ছে অসংখ্য বাঁধার, যার মধ্যে রয়েছে নিরেট প্রমাণের অভাব, ভুল তথ্যের সমাহার, মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান এবং স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের অত্যন্ত শক্ত কিছু নিয়মের মারপ্যাঁচ। ২০০৭ সালে রাসেল এডওয়ার্ডস নামক এক ব্যবসায়ী এডোয়েসের ব্যবহৃত একটি শাল কিনে নেন। তিনি সেটি লিভারপুলের জেনেটিক্স এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ড. জারি লুথেলেইনেনের কাছে নিয়ে যান। ড. লুথেলেইনেন বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর ডিএনএ পরীক্ষা করেন। পরীক্ষার ফলাফল হিসেবে তিনি “রিপার” হিসেবে সন্দেহভাজন এক ব্যক্তির বোনের উত্তরাধিকারের ডিএনএ-এর সঙ্গে শত ভাগ মিল খুঁজে পান, যা ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকেই রিপার বলে ধরে নিতে বাধ্য করে। তবু একে জ্যাক দ্য রিপার কেসের সমাধান বলে বিভিন্ন কারণে গ্রহণ করা হয়নি।

২০১১ সালে রিপারের কেস নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করা বেসরকারী গোয়েন্দা ট্রেভর ম্যারিয়টকে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড কিছু ফাইল দিতে অস্বীকৃতি জানালে ব্রিটিশ মিডিয়া জুড়ে বেশ সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ১৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে জ্যাক দ্য রিপারকে নিয়ে চলছে নানা জল্পনা কল্পনা। রিপারের পরে আরো বহু সিরিয়াল কিলার এসেছে, কিন্তু রিপার রয়ে গেছেন লন্ডনের কুয়াশা ঘেরা রাতের মতোই অস্পষ্ট ও রহস্যময়। জ্যাক দ্য রিপার হয়তো বা থেকে যাবে পৃথিবীর অসংখ্য অমিমাংসিত রহস্যের কুঠুরে!

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস/এসজেড

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
আজো হিমঘরে সন্তানের প্রতীক্ষায় ‘বাবা’!
আজো হিমঘরে সন্তানের প্রতীক্ষায় ‘বাবা’!
নোবেলের সঙ্গে যা করতে চান মোনালি
নোবেলের সঙ্গে যা করতে চান মোনালি
আইয়ুব বাচ্চু মারা গেছেন
আইয়ুব বাচ্চু মারা গেছেন
প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার সময়সূচি
প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার সময়সূচি
‘গোপন বিয়ে’ মুখ খুললেন রোদেলা
‘গোপন বিয়ে’ মুখ খুললেন রোদেলা
না ফেরার দেশে সালমানের ‘শেষ প্রেমিকা’
না ফেরার দেশে সালমানের ‘শেষ প্রেমিকা’
তুরস্কে দূতাবাস থেকে হেঁটে বেড়োলেন খাশোগি!
তুরস্কে দূতাবাস থেকে হেঁটে বেড়োলেন খাশোগি!
যেভাবে প্রথম বুবলীর ‘ভাই’
যেভাবে প্রথম বুবলীর ‘ভাই’
স্ত্রী ফিরে দেখে বাসায় অন্য নারী!
স্ত্রী ফিরে দেখে বাসায় অন্য নারী!
অনেকেই সাবান জমান কেউ গোসলই করেন না!
অনেকেই সাবান জমান কেউ গোসলই করেন না!
আর নিজেকে ‘কুমারী’ দাবির সুযোগ নেই দীপিকার!
আর নিজেকে ‘কুমারী’ দাবির সুযোগ নেই দীপিকার!
মৃত্যুর আগে কোথায় ছিলেন আইয়ুব বাচ্চু?
মৃত্যুর আগে কোথায় ছিলেন আইয়ুব বাচ্চু?
কাদের ওপর চটেছেন জেমস?
কাদের ওপর চটেছেন জেমস?
ধর্ষণ থেকে বাঁচতে ঝাঁপ দিল তরুণী, অতঃপর...
ধর্ষণ থেকে বাঁচতে ঝাঁপ দিল তরুণী, অতঃপর...
এক উঠোনে মসজিদ-মন্দির, প্রার্থনায় নেই বিবাদ
এক উঠোনে মসজিদ-মন্দির, প্রার্থনায় নেই বিবাদ
দুলাভাইয়ের কাছে শ্যালিকার আবদার!
দুলাভাইয়ের কাছে শ্যালিকার আবদার!
এবার মেয়েকে নিয়ে মারাত্মক কথা বললেন ঐশ্বরিয়া!
এবার মেয়েকে নিয়ে মারাত্মক কথা বললেন ঐশ্বরিয়া!
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বাচ্চুর ৬০টি গিটার!
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বাচ্চুর ৬০টি গিটার!
তারেককে ধ্বংসে ড. কামাল ইন: মইনুল
তারেককে ধ্বংসে ড. কামাল ইন: মইনুল
বন্ধুর ‘অকাল প্রয়াণে’ যা বললেন হাসান
বন্ধুর ‘অকাল প্রয়াণে’ যা বললেন হাসান
শিরোনাম:
প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীদের ফের পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত: উপাচার্য প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীদের ফের পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত: উপাচার্য জিয়া অরফানেজ মামলা: শুনানি পেছাতে খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের আবেদন খারিজ; দুদকের যুক্তি উপস্থাপন শেষ জিয়া অরফানেজ মামলা: শুনানি পেছাতে খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের আবেদন খারিজ; দুদকের যুক্তি উপস্থাপন শেষ জাতীয় নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের জোট গঠন করে একদলের প্রার্থী, অন্য দলের প্রতীকে নির্বাচন অসাংবিধানিক ঘোষণা চেয়ে হাইর্কোটে রিট জাতীয় নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের জোট গঠন করে একদলের প্রার্থী, অন্য দলের প্রতীকে নির্বাচন অসাংবিধানিক ঘোষণা চেয়ে হাইর্কোটে রিট