Alexa রহস্যময় কুমারীকুন্ডে ঘুরে আসুন

ঢাকা, সোমবার   ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯,   পৌষ ১ ১৪২৬,   ১৮ রবিউস সানি ১৪৪১

রহস্যময় কুমারীকুন্ডে ঘুরে আসুন

ভ্রমণ প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৪৪ ১৯ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৪:৪৭ ১৯ নভেম্বর ২০১৯

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

সীতাকুন্ডকে বলা হয় পৌরাণিক অঞ্চল। সত্যিই তো, পুরো উপজেলায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে কত-শত ছড়া! প্রত্যেকটির সঙ্গে জড়িয়ে আলাদা আলাদা গল্প, লুকিয়ে আছে নানা বিস্ময়। তেমনি এক রহস্যময় জায়গা কুমারীকুন্ড। সেখানে খুঁজে পাবেন এক প্রাচীন মন্দিরের রহস্যময় ধ্বংসাবশেষ। সেখানকার আবহটাই অন্যরকম!

সীতাকুন্ডের প্রসিদ্ধ লবণাক্ষকুন্ড ও অগ্নিকুন্ডকে উপজীব্য করেই পীঠস্থান নামে গড়ে উঠেছে। হয়তো এটিও ছিল সেরকম কোনো মন্দির। যুগের ব্যবধানে ও মূল তীর্থ অঞ্চল থেকে অন্তত দশ কিলোমিটার দূরত্ব-দূর্গমের কারণে মানুষ হয়তো বিস্মৃত হয়েছে। সরু ঝিরির ঝোপঝাড়ের ডালপালা ভেঙ্গে অনেকদূর যাবার পর হঠাৎ চোখে পড়লো মাটি চাপা পড়া পুরনো দিনের ইটের কাঠামো। তারই ভেতরে গিয়ে তাজ্জব বনে গেলাম।

স্বচ্ছ নীল পানির পাথর দিয়ে বাঁধানো কূপ এটি। তবে চৌবাচ্চাও বলা যায়। গভীরতা আট-দশ ফুট। পানির তলদেশ থেকে গ্যাসের বুদবুদ উঠছে। চারপাশের দেয়াল ধসে গেছে সেই কবেই। আশেপাশে কাঠালপাতা ঝরে পড়ে আছে। চারপাশে অদ্ভুত সব পাথর। একদম অপরিচিত লোকচক্ষুর আড়ালে হারিয়ে যাওয়া এই মন্দিরের নাম দূরে থাক, কোনো গল্পও শুনিনি কখনো। অথচ উদ্দেশ্যহীনভাবেই মিলে গেলো রত্ন। কুড়িয়ে পাওয়া রত্ন!

যাওয়া-থাকা

ঢাকা থেকে বাসে বা ট্রেনে সীতাকুন্ড-কুমিরা। তারপর স্থানীয়দের সাহায্য নিয়ে কুমারীকুন্ড। থাকার জন্য সীতাকুন্ড ও চট্টগ্রামে নানান মানের হোটেল আছে। পাঁচশ' থেকে তিন হাজার টাকায় মোটামুটি মানের হোটেল পাবেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে