রবীন্দ্রনাথ ইসলাম ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন

ঢাকা, সোমবার   ২৭ মে ২০১৯,   জ্যৈষ্ঠ ১৩ ১৪২৬,   ২১ রমজান ১৪৪০

Best Electronics

রবীন্দ্রনাথ ইসলাম ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন

অমিত গোস্বামী ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৪৯ ৮ মে ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

রবীন্দ্রনাথ সৃজনে যে সময়ে মধ্যগগণে; সাম্প্রদায়িকতা তখন অন্যতম আলোচিত প্রসঙ্গে পরিণত হয়েছে। সেই বিভাজনের ক্ষত এখনো পুরোটা শুকায়নি। জের রয়েই গেছে, আমাদের সময় পর্যন্ত এই আলাপ বন্ধ হয়নি।

সেই ছেলেবেলা থেকে শুনে আসছি, রবীন্দ্রনাথ সাম্প্রদায়িক। তিনি হিন্দু মতাবলম্বী। হিন্দুধর্মের মাহাত্ম্য বর্ণনায় রবীন্দ্রনাথ ছিলেন অকুণ্ঠ। এটা দোষের কিছু নয়, যে কেউ তার ধর্মে আস্থাশীল হয়ে স্বধর্মের মাহাত্ম্য বর্ণনা করতে পারেন। কিন্তু কেউ যদি স্বধর্মের মাহাত্ম্য বর্ণনা করতে গিয়ে অন্য ধর্মকে হেয় প্রতিপন্ন করেন এবং বিধর্মীর প্রতি বিদ্বেষ উদ্গীরণ করেন, তবে সেটাকে সমর্থন করা যায় না। সে কাজটি রবীন্দ্রনাথ করেছেন? একেবারেই নয়। বরং তার ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধা ছিল অটুট। 

১৯৩৩ সালের ২৬ নভেম্বর মির্জা আলি আকবর খাঁর সভাপতিত্বে মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত হয় ‘পয়গম্বর দিবস’। এই অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথ বাণী পাঠান। তার বাণী সেদিন পাঠ করে শোনান সরোজিনী নাইডু। রবীন্দ্রনাথ লেখেন, ‘জগতে যে সামান্য কয়েকটি মহান ধর্ম আছে, ইসলাম ধর্ম তাদেরই অন্যতম। মহান এই ধর্মমতের অনুরাগীদের দায়িত্বও তাই বিশাল। ইসলামপন্থীদের মনে রাখা দরকার, ধর্ম বিশ্বাসের মহত্ত্ব আর গভীরতা যেন তাদের প্রতিদিনের জীবনযাত্রার ওপর ছাপ রেখে যায়। আসলে, এই দুর্ভাগা দেশের অধিবাসী দুটি সম্প্রদায়ের বোঝাপড়া শুধু তো জাতীয় স্বার্থের সপ্রতিভ উপলব্ধির ওপর নির্ভর করে না, সাহিত্যদ্রষ্টাদের বাণী নিঃসৃত শাশ্বত প্রেরণার ওপরও তার নির্ভরতা। সত্য ও শাশ্বতকে যারা জেনেছেন ও জানিয়েছেন, তারা ঈশ্বরের ভালবাসার পাত্র, এবং মানুষকেও তারা চিরকাল ভালবেসে এসেছেন।’

হযরত মোহাম্মদের (স.) জন্মদিন উপলক্ষে রবীন্দ্রনাথ একটি বাণী পাঠিয়েছিলেন স্যার আবদুল্লা সোহরাওয়ার্দীকে। ১৯৩৪ সালের ২৫ জুন বেতারে রবীন্দ্রনাথের এই বাণী প্রচারিত হয়। সেখানে রবীন্দ্রনাথ বলেন, ‘ইসলাম পৃথিবীর বৃহত্তম ধর্মের মধ্যে একটি। এই কারণে ইহার অনুবর্তীগণের দায়িত্ব অসীম, যেহেতু আপন জীবনে এই ধর্মের মহত্ত্ব সম্বন্ধে তাহাদিগকে সাক্ষ্য দিতে হইবে। ভারতে যে সকল বিভিন্ন ধর্মসমাজ আছে, তাদের পরস্পরের প্রতি সভ্য জাতিযোগ্য মনোভাব যদি উদ্ভাবিত করতে হয়, তবে কেবল মাত্র রাষ্ট্রিক স্বার্থবুদ্ধি দ্বারা তাহা সম্ভবপর হইবে না, আমাদের নির্ভর করিতে হইবে সেই অনুপ্রেরণার প্রতি, যাহা ঈশ্বরের প্রিয়পাত্র ও মানবের বন্ধু সত্য দূতদিগের অমর জীবন হইতে চির উৎসারিত। অদ্যকার এই পুণ্য অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে মুসলিম ভ্রাতৃদের সহিত এক যোগে ইসলামের মহাঋষীর উদ্দেশ্যে আমার ভক্তি-উপহার অর্পণ করিয়া উৎপীড়িত ভারতবর্ষের জন্য তাহার আশীর্বাদ ও সান্ত্বনা কামনা করি।’

এ সম্পর্কিত রবীন্দ্রনাথের তৃতীয় বাণীটি প্রকাশিত হয় নয়াদিল্লীর জামা মসজিদ প্রকাশিত ‘দ্যা পেশওয়া’ পত্রিকার পয়গম্বর সংখ্যায়। ১৯৩৬-এর ২৭ ফেব্রুয়ারি শান্তিনিকেতন থেকে রবীন্দ্রনাথ শুভেচ্ছা বার্তাটি পাঠান। তৃতীয় বাণীতে রবীন্দ্রনাথ লেখেন, ‘যিনি বিশ্বের মহত্তমদের অন্যতম, সেই পবিত্র পয়গম্বর হজরত মহম্মদের (স.) উদ্দেশ্যে আমি আমার অন্তরের গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করি। মানুষের ইতিহাসে এক নতুন, সম্ভাবনাময় জীবনীশক্তির সঞ্চার করেছিলেন পয়গম্বর হজরত, এনেছিলেন নিখাদ, শুদ্ধ ধর্মাচারণের আদর্শ। সর্বান্তঃকরণে প্রার্থনা করি, পবিত্র পয়গম্বর প্রদর্শিত পথ যারা অনুসরণ করেছেন, আধুনিক ভারতবর্ষের সুসভ্য ইতিহাস রচনা করে তারা যেন এমনভাবে ইতিহাস গড়ে তোলেন যাতে আমাদের জাতীয় জীবনে শান্তি ও পারস্পরিক শুভেচ্ছা অটুট থেকে যায়।’

‘মুসলমান ছাত্রের বাংলা শিক্ষা’ নামের প্রবন্ধে রবি ঠাকুর মত দিয়েছেন: ‘ইংরেজি শিক্ষার যেরূপ প্রচলন হইয়াছে, তাহাতে ইংরেজের ইতিহাস, সমাজতত্ত্ব, আচার-বিচার আমাদের কাছে লেশমাত্র অগোচর থাকে না; অথচ তাহারা বহুদূরদর্শী এবং মুসলমানরা আমাদের স্বদেশীয়, এবং মুসলমানদের সহিত বহুদিন হইতে আমাদের রীতিনীতি পরিচ্ছদ ভাষা ও শিল্পের আদান-প্রদান চলিয়া আসিয়াছে। অদ্য নূতন ইংরেজি শিক্ষার প্রভাবে আত্মীয়ের মধ্যে প্রতিবেশির মধ্যে ব্যবধান দাঁড়াইয়া গেলে পরম দুঃখের কারণ হইবে। বাঙালি মুসলমানের সহিত বাঙালি হিন্দুর রক্তের সম্বন্ধ আছে, এ কথা আমরা যেন কখনো না ভুলি।’ 

‘নকলের নাকাল’ প্রবন্ধে পাই সেই সংশয়ের ভঞ্জন : ‘মুসলমান রাজত্ব ভারতবর্ষেই প্রতিষ্ঠিত ছিল। বাহিরে তাহার মূল ছিল না। এইজন্য মুসলমান ও হিন্দু-সভ্যতা পরস্পর জড়িত হইয়াছিল। পরস্পরের মধ্যে স্বাভাবিক আদানপ্রদানের সহস্র পথ ছিল। এইজন্য মুসলমানের সংস্রবে আমাদের সংগীত সাহিত্য শিল্পকলা বেশভূষা আচারব্যবহার, দুই পক্ষের যোগে নির্মিত হইয়া উঠিতেছিল। উর্দুভাষার ব্যাকরণগত ভিত্তি ভারতবর্ষীয়, তাহার অভিধান বহুলপরিমাণে পারসিক ও আরবি। আধুনিক হিন্দুসংগীতও এইরূপ। অন্য সমস্ত শিল্পকলা হিন্দু ও মুসলমান কারিকরের রুচি ও নৈপুণ্যে রচিত। চাপকান-জাতীয় সাজ যে মুসলমানের অনুকরণ তাহা নহে, তাহা উর্দুভাষার ন্যায় হিন্দুমুসলমানের মিশ্রিত সাজ; তাহা ভিন্ন ভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন আকারে গঠিত হইয়া উঠিয়াছিল।’

মোঘল-পাঠান শাসনেও মানুষ যে ভালভাবে বেঁচে ছিল, তাদের হৃদয়বৃত্তির যোগও ঘটছিল, তার উপলব্ধিও দুর্লভ নয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মাঝে: ‘মুসলমান যখন ভারতে রাজত্ব করিতেছিল তখন আমাদের রাষ্ট্রীয় চাঞ্চল্যের ভিতরে একটা আধ্যাত্মিক উদ্বোধনের কাজ চলিতেছিল। সেইজন্য বৌদ্ধযুগের অশোকের মতো মোগল সম্রাট আকবরও কেবল রাষ্ট্রসাম্রাজ্য নয় একটি ধর্মসাম্রাজ্যের কথা চিন্তা করিয়াছিলেন। এইজন্যই সে সময়ে পরে পরে কত হিন্দু সাধু ও মুসলমান সুফির অভ্যূদয় হইয়াছিল যারা হিন্দু ও মুসলমান ধর্মের অন্তরতম মিলনক্ষেত্রে এক মহেশ্বরের পূজা বহন করিয়াছিলেন। এবং এমনি করিয়াই বাহিরের সংসারের দিকে যেখানে অনৈক্য ছিল অন্তরাত্মার দিকে পরম সত্যের আলোকে সেখানে সত্য অধিষ্ঠান আবিষ্কৃত হইতেছিল।’ (কালান্তর : সংযোজন)

রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন ‘বঙ্কিমবাবুর মতো লেখকের গ্রন্থে মুসলমান-বিদ্বেষের পরিচয় পাইলে দুঃখিত হইতে হয় কিন্তু সাহিত্য হইতে ব্যক্তিগত সংস্কার সম্পূর্ণ দূর করা অসম্ভব। থ্যাকারের গ্রন্থে ফরাসি-বিদ্বেষ পদে পদে দেখা যায়, কিন্তু ইংরেজি সাহিত্যপ্রিয় ফরাসি পাঠক থ্যাকারের গ্রন্থকে নির্বাসিত করিতে পারেন না। আইরিশদের প্রতি ইংরেজের বিরাগ অনেক ইংরেজ সুলেখকের গ্রন্থে পরিষ্ফুট হইয়া উঠে। এ-সমস্ত তর্ক-বিতর্ক ও সমালোচনার বিষয়। বঙ্কিমবাবুর গ্রন্থে যাহা নিন্দার্হ তাহা সমালোচক-কর্তৃক লাঞ্ছিত হউক, কিন্তু নিন্দার বিষয় হইতে কোনো সাহিত্যকে রক্ষা করা অসাধ্য। মুসলমান সুলেখকগণ যখন বঙ্গসাহিত্য রচনায় অধিক পরিমাণে প্রবৃত্ত হইবেন তখন তাহারা কেহই যে হিন্দু পাঠকদিগকে কোনোরূপ ক্ষোভ দিবেন না এমন আমরা আশা করিতে পারি না।’ (মুসলমান ছাত্রের বাংলা শিক্ষা: খ্যাতনামা জমিদার শ্রীযুক্ত সৈয়দ নবাব আলি চৌধুরী মহাশয় রচিত বাংলা শিক্ষা সম্বন্ধে একটি উর্দু প্রবন্ধের ইংরেজি ভাষ্যের রবীন্দ্রনাথকৃত পর্যালোচনা)। দেখাই যাচ্ছে যে, মুসলমানের প্রতি বঙ্কিমচন্দ্রের বিদ্বেষের বিষয়ে রবীন্দ্রনাথ অত্যন্ত সচেতন, এই আচরণের তিনি পক্ষালম্বীও নন। 

শুধু সাহিত্যে উপস্থাপনার ত্রুটি নয়, মুসলমান প্রজাদের প্রতি বাস্তব সামাজিক নিপীড়ন নিয়ে তার স্বীকারোক্তিটা স্মরণ করা যাক : ‘হিন্দু-মুসলমানের সম্বন্ধ লইয়া আমাদের দেশের একটা পাপ আছে; এ পাপ অনেক দিন হইতে চলিয়া আসিতেছে। ইহার যা ফল তাহা না ভোগ করিয়া আমাদের কোনোমতেই নিষ্কৃতি নাই। আর মিথ্যা কথা বলিবার কোনো প্রয়োজন নাই। এবার আমাদিগকে স্বীকার করিতেই হইবে হিন্দু-মুসলমানের মাঝখানে একটা বিরোধ আছে। আমরা যে কেবল স্বতন্ত্র তাহা নয়। আমরা বিরুদ্ধ। আমরা বহুশত বৎসর পাশে পাশে থাকিয়া এক খেতের ফল, এক নদীর জল, এক সূর্যের আলোক ভোগ করিয়া আসিয়াছি; আমরা এক ভাষায় কথা কই, আমরা একই সুখদুঃখে মানুষ; তবু প্রতিবেশীর সঙ্গে প্রতিবেশীর যে সম্বন্ধ মনুষ্যোচিত, যাহা ধর্মবিহিত, তাহা আমাদের মধ্যে হয় নাই। আমাদের মধ্যে সুদীর্ঘকাল ধরিয়া এমন-একটি পাপ আমরা পোষণ করিয়াছি যে, একত্রে মিলিয়াও আমরা বিচ্ছেদকে ঠেকাইতে পারি নাই। এ পাপকে ঈশ্বর কোনোমতেই ক্ষমা করিতে পারেন না। আমরা জানি, বাংলাদেশের অনেক স্থানে এক ফরাশে হিন্দু-মুসলমানে বসে না, ঘরে মুসলমান আসিলে জাজিমের এক অংশ তুলিয়া দেওয়া হয়, হুঁকার জল ফেলিয়া দেওয়া হয়। তর্ক করিবার বেলায় বলিয়া থাকি, কী করা যায়, শাস্ত্র তো মানিতে হইবে। অথচ শাস্ত্রে হিন্দু-মুসলমান সম্বন্ধে পরস্পরকে এমন করিয়া ঘৃণা করিবার তো কোনো বিধান দেখি না। যদি-বা শাস্ত্রের সেই বিধানই হয় তবে সে শাস্ত্র লইয়া স্বদেশ-স্বজাতি-স্বরাজের প্রতিষ্ঠা কোনোদিন হইবে না। মানুষকে ঘৃণা করা যে দেশে ধর্মের নিয়ম, প্রতিবেশীর হাতে জল খাইলে যাহাদের পরকাল নষ্ট হয়, পরকে অপমান করিয়া যাহাদিগকে জাতিরক্ষা করিতে হইবে, পরের হাতে চিরদিন অপমানিত না হইয়া তাহাদের গতি নাই। তাহারা যাহাদিগকে ম্লেচ্ছ বলিয়া অবজ্ঞা করিতেছে সেই ম্লেচ্ছের অবজ্ঞা তাহাদিগকে সহ্য করিতে হইবেই।’ (ব্যাধি ও প্রতিকার) 

হিন্দু মুসলমান সম্পর্ক নিয়ে রবীন্দ্রনাথের উক্তি ‘হিন্দু-মুসলমান এক হইলে পরস্পরের কত সুবিধা একদিন কোনো সভায় মুসলমান শ্রোতাদিগকে তাহাই বুঝাইয়া বলা হইতেছিল। তখন আমি এই কথাটি না বলিয়া থাকিতে পারি নাই যে, সুবিধার কথাটা এ স্থলে মুখে আনিবার নহে; দুই ভাই এক হইয়া থাকিলে বিষয়কর্ম ভালো চলে, কিন্তু সেইটেই দুই ভাই এক থাকিবার প্রধান হেতু হওয়া উচিত নহে। কারণ, ঘটনাক্রমে সুবিধার গতি পরিবর্তন হওয়াও আশ্চর্যকর নহে। আসল কথা, আমরা এক দেশে এক সুখদুঃখের মধ্যে একত্রে বাস করি, আমরা মানুষ, আমরা যদি এক না হই তবে সে লজ্জা, সে অধর্ম। আমরা উভয়েই এক দেশের সন্তান, আমরা ঈশ্বরকৃত সেই ধর্মের বন্ধনবশত, শুধু সুবিধা নহে, অসুবিধাও একত্রে ভোগ করিতে প্রস্তুত, যদি না হই তবে আমাদের মনুষ্যত্বে ধিক্। আমাদের পরস্পরের মধ্যে, সুবিধার চর্চা নহে, প্রেমের চর্চা, নিঃস্বার্থ সেবার চর্চা যদি করি তবে সুবিধা উপস্থিত হইলে তাহা পুরা প্রহণ করিতে পারিব এবং অসুবিধা উপস্থিত হইলেও তাহাকে বুক দিয়া ঠেকাইতে পারিব।’

সম্প্রতি কিছু ইসলাম ধর্মের মানুষ রবীন্দ্রনাথের গায়ে হিন্দুত্বের ট্যাগ লাগানোর চেষ্টায় যত্নশীল। তারা উল্লেখ করছেন রবীন্দ্রনাথের কিছু চিঠি বা কবিতার পঙক্তি যা খণ্ড চিত্র মাত্র। তবুও তা থাকলেও তার অবশ্যম্ভাবী কারণ ‘সাহিত্য হইতে ব্যক্তিগত সংস্কার সম্পূর্ণ দূর করা অসম্ভব।‘

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর
 

Best Electronics