রক্তমাখা ক্যাপ থেকে বেরিয়ে এলো কৃষক হত্যার রহস্য

ঢাকা, রোববার   ১৬ মে ২০২১,   জ্যৈষ্ঠ ৩ ১৪২৮,   ০৩ শাওয়াল ১৪৪২

রক্তমাখা ক্যাপ থেকে বেরিয়ে এলো কৃষক হত্যার রহস্য

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:২০ ৪ জুন ২০২০  

জিনারুল ইসলাম(বামে) ও শামীম হোসেন

জিনারুল ইসলাম(বামে) ও শামীম হোসেন

কৃষক নুর ইসলাম ওরফে বুড়োকে কুপিয়ে হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছে গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা। এর আগে ২০১৯ সালের ৫ মে বিকেলে ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার দখলপুর গ্রামের বেলেমাঠ থেকে কৃষক নুর ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পানবরজে ফেলে যাওয়া হত্যাকারীদের একজনের মাথার ক্যাপের সূত্র ধরে এই হত্যার রহস্য উন্মোচন করা হয়েছে। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এরমধ্যে দুইজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গত মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ঝিনাইদহ ডিবি পুলিশ।

গ্রেফতাররা হলেন, উপজেলার বরিশখালী গ্রামের মুছা মোল্লার ছেলে মতিচুর রহমান, একই গ্রামের কোরবান আলীর ছেলে জিনারুল ইসলাম ও সাবার মোল্লার ছেলে শামীম হোসেন। তাদের মধ্যে মতিচুর জামিনে মুক্ত হয়ে পলাতক। জিনারুল ও শামীম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

জানা গেছে, ২০১৯ সালের ৫ মে বিকেলে উপজেলার দখলপুর গ্রামের বেলেমাঠ থেকে কৃষক নুর ইসলাম ওরফে বুড়োর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই দিন নিহতের ভাই আজিজুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর আদালত মামলাটি গোয়েন্দা পুলিশ বিভাগে হস্তান্তর করেন। পরে ঝিনাইদহ গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে তদন্ত শুরু করেন পরিদর্শক নজরুল ইসলাম।

এসপি মো. হাসানুজ্জামান জানান, একই গ্রামের মতিচুর রহমানের সঙ্গে জমির আইল কাটা নিয়ে বিরোধের জের ধরে কৃষক নুর ইসলামকে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর ঘাতকদের একজন জিনারুল ইসলাম পাশের জমিতে তার নিজের পানবরজে যান। সেখানে সে তার মাথায় থাকা রক্তমাখা ক্যাপ ভুল করে ফেলে রেখে যান। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত হিসেবে ক্যাপটি উদ্ধার করে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম