যাবজ্জীবন পাওয়া সেই গাছটির মুক্তি মেলেনি ১২২ বছরেও

ঢাকা, সোমবার   ০১ মার্চ ২০২১,   ফাল্গুন ১৬ ১৪২৭,   ১৬ রজব ১৪৪২

যাবজ্জীবন পাওয়া সেই গাছটির মুক্তি মেলেনি ১২২ বছরেও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১২:৩৮ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১৩:১০ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ছোটবেলায় পাঠ্যবইতে পড়েছেন- ‘গাছ আমাদের পরম বন্ধু’। অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই যে, গাছপালা ছাড়া পৃথিবীতে আমাদের জীবন অচল। এটি একদিকে নিসর্গের শোভা বৃদ্ধি করে, অন্যদিকে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় পালন করে অসাধারণ ভূমিকা। মানব সংস্কৃতির বিকাশেও মানুষকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছে গাছ। আর এ গাছই কি-না জেল খাটছে ১২২ বছর ধরে।

গাছ নিয়ে ছোটবেলায় পড়া সেই লাইনটি ১৮৯৮ সালে হয়তো ভুলে গিয়েছিলেন তৎকালীন অবিভক্ত ভারতের ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তা জেমস স্কুইড। তিনি গাছকেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। আজও পাকিস্তানের ল্যান্ডি কোটাল সেনানিবাসে শিকল পরিয়ে বন্দি রাখা হয়েছে বটগাছ মহীরুহটিকে।

গাছটির অপরাধ কী ছিল জানেন? মদ্যপ অবস্থায় একদিন বাড়ি ফিরছিলেন জেমস স্কুইড। পথের মধ্যে হটাৎ তিনি দাঁড়িয়ে যান; দেখেন গাছটি তার দিকে এগিয়ে আসছে। বারবার গাছটিকে এগিয়ে আসতে নিষেধ করলেও নির্দেশ অমান্য করে সেটি এগিয়ে যায় তার কাছে। তার এ গল্প শুনে কেউ বিশ্বাস করেনি, কারণ পুরোটাই ছিল নেশার ঘোর। তারপরও শেকল দিয়ে বেঁধে ফেলা হয় গাছটিকে।

গাছের যাবজ্জীবন দিয়ে তিনি থমকে যাননি। স্থানীয় বাসিন্দাদেরও হুমকি দেয়া হয়, কেউ এই গাছকে মুক্ত করলে তাকেও শাস্তি পেতে হবে।  কালের সাক্ষী হয়ে ল্যান্ডি কোটাল সেনানিবাসে বন্দি অবস্থায় থাকা গাছটি এখনও তাই মুক্তির দিন গুনছে। তার গায়ে লেখা, ‘আই অ্যাম আন্ডার অ্যারেস্ট’।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে