যাত্রী হাজারেরও অধিক, টিকিট ১২০

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৩ মে ২০১৯,   জ্যৈষ্ঠ ৯ ১৪২৬,   ১৭ রমজান ১৪৪০

Best Electronics

যাত্রী হাজারেরও অধিক, টিকিট ১২০

সন্তোষ চন্দ্র সূত্রধর, আশুগঞ্জ ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:৩৬ ১৬ মে ২০১৯   আপডেট: ১৬:৪২ ১৬ মে ২০১৯

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জবাসীর একমাত্র ভরসা আশুগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন। এই স্টেশন থেকেই প্রতিদিন হাজারেও অধিক যাত্রী ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, নোয়াখালী, চাঁদপুর যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, নিরাপদ যাতায়াত, আরামদায়ক যাতায়াত করা যায় বলে প্রতিদিন বাড়ছে যাত্রীর সংখ্যা।

মহানগর এক্সপ্রেসে আশুগঞ্জ থেকে ঢাকা ভাড়া ১১০ টাকা, এই ট্রেনে আশুগঞ্জ থেকে চট্টগ্রামের ভাড়া ২৫০। উপকূল এক্সপ্রেসে আশুগঞ্জ থেকে ঢাকা ভাড়া ১১০ টাকা, আশুগঞ্জ থেকে নোয়াখালী এই ট্রেনের ভাড়া ১৪০ টাকা। জয়েন্তিকা এক্সপ্রেসে আশুগঞ্জ থেকে ঢাকা ভাড়া ১১০ টাকা, আশুগঞ্জ থেকে সিলেট এই ট্রেনের ভাড়া ২২৫ টাকা। ভাড়াও বাসের ভাড়ার চাইতে অনেক কম। আশুগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী বিভিন্ন বাসের ভাড়া পড়ে দুইশ’ থেকে আড়াইশ’ টাকা।

আশুগঞ্জের চরচারতলা গ্রামের হাজী রফিকুল ইসলাম ব্যবসার কাজে সপ্তাহে চারদিনই ঢাকা আসেন। তার কাছে যাতায়াতের একমাত্র সহজ মাধ্যম ট্রেন। এই ট্রেনেই আশুগঞ্জ কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে আসা যায় এক থেকে দেড় ঘণ্টার মধ্যেই। তিনি ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, ট্রেনে ভাড়া অনেক কম। সময়ও কম লাগে। বাসে যেতে যেখানে লাগে দুই থেকে তিনঘন্টা সেখানে ট্রেনে মাত্র এক থেকে দেড়ঘন্টা। সড়কে যেমন জ্যামের আশঙ্কা থাকে তেমনই রেলপথে সেই আশংকা থাকে না। কিন্তু ট্রেনে সিটের জন্য ভোগান্তিতে পড়তে হয়। যাত্রীর তুলনায় সিট খুবই কম।

আশুগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন থেকে বেসরকারি তিতাস কমিউটার ও কর্ণফূলি কমিউটার ট্রেন ছাড়া। সরকারি আন্তনগর মহানগর এক্সপ্রেস, জয়েন্তিকা এক্সপ্রেস ও উপকূল এক্সপ্রেসের ১২০টি সিট বরাদ্ধ আছে। কিন্তু ১২০টি সিটের অর্ধেক অনলাইনে বিক্রি হয়। ঢাকা থেকে নোয়াখালী, নোয়াখালী থেকে ঢাকা রেলপথে চলাচলকারী উপকূল এক্সপ্রেস ৬০টি আসন, ঢাকা থেকে সিলেট, সিলেট থেকে ঢাকা পর্যন্ত জয়েন্তিকা এক্সপ্রেসের ৪০টি আসন, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পর্যন্ত মহানগর এক্সপ্রেসের ২০টি সিট বরাদ্ধ থাকে।

২০১৮-২০১৯ সালে গত ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) পর্যন্ত স্টেশনের আয় হয়েছে বেসরকারি ট্রেন ব্যতীত ২ কোটি ৩৯ লাখ ১৪ হাজার  টাকা। আর যাত্রী সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৬৯ হাজার ৩শ’ জন। গত অর্থ বছরে (২০১৭-২০১৮) সালে স্টেশনের আয় হয়েছিল বেসরকারি ট্রেন ব্যতীত ২ কোটি ৩০ লাখ ৩ হাজার ৪শ’ ২৪ টাকা। আর যাত্রী সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫শ’ ৭১ জন।