যাচাই-বাছাইয়ে ৪১ ঋণখেলাপি প্রার্থী চিহ্নিত

ঢাকা, রোববার   ২৬ মে ২০১৯,   জ্যৈষ্ঠ ১২ ১৪২৬,   ২১ রমজান ১৪৪০

Best Electronics

যাচাই-বাছাইয়ে ৪১ ঋণখেলাপি প্রার্থী চিহ্নিত

নিজস্ব প্রতিবেদক :: staff-reporter

 প্রকাশিত: ১৩:১৭ ২ ডিসেম্বর ২০১৮   আপডেট: ১৪:০৮ ৬ মার্চ ২০১৯

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রায় ১২ হাজার মনোনয়ন ফরম বিক্রি করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। এসব প্রার্থীদের খেলাপি ঋণ আছে কিনা তা  চিহ্নিত করতে বিশেষ সিআইবি সেল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই সেল ২৯ নভেম্বর থেকে শুরু করে শনিবার পর্যন্তু প্রার্থীদের ঋণ সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করে। নির্বাচন কমিশন থেকে পাঠানো তালিকা যাচাই-বাছাই করে শনিবার দুপুর পর্যন্ত ৪১ জনকে ঋণখেলাপি হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ঋণখেলাপিদের ঠেকাতে বাংলাদেশ ব্যাংক উদ্যোগ নিলেও আগেই ঋণখেলাপিদের ছাড় দিয়ে নিয়মিত করে দিয়েছে ব্যাংকগুলো।বিশেষ করে প্রভাবশালী প্রার্থীরা নানাভাবে সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তাদের খেলাপি ঋণ নবায়ন করে নিয়েছেন।

ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুসারে সর্বোচ্চ ৩ বার যে কোনো গ্রাহক পুনঃ তফসিল সুবিধা নিতে পারেন। নীতিমালা অনুসারে প্রথমবার পুনঃতফসিলের জন্য বকেয়া কিস্তির ১৫ শতাংশ বা মোট পাওনা ১০ শতাংশের মধ্যে যেটি কম সেই পরিমাণ নগদ অর্থ জমা দিতে হয়।

দ্বিতীয়বার করতে হলে বকেয়া কিস্তির ৩০ শতাংশ বা মোট পাওনার ২০ শতাংশের মধ্যে যেটি কম, তৃতীয়বার পুনঃতফসিলের জন্য বকেয়া কিস্তির ৫০ শতাংশ বা মোট পাওনার ৩০ শতাংশের মধ্যে যেটি কম সেই পরিমাণ নগদ অর্থ জমা দিতে হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, নভেম্বরের শুরু থেকেই নির্বাচনে অংশ নিতে ব্যাংকগুলোতে পুনঃতফসিলের হিড়িক পড়ে। ৮ থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত সর্বমোট ২০৫টি আবেদন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে আসে।

এছাড়া মনোনয়নপত্র দাখিলের পর নির্ধারিত সময়ে আরো ১৫ জন পুনঃতফসিলের আবেদন করেন। এই আবেদনগুলো বিশেষ বিবেচনায় অনুমোদন দেয়া হয়।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঋণ পুনঃতফসিল একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। সম্প্রতি যেসব আবেদন এসেছে নিয়ম অনুযায়ী তা বিবেচনা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পুনঃতফসিল, বকেয়া কিস্তি পরিশোধ, সুদ মওকুফসহ নানা ধরনের আবেদন গ্রাহকের পক্ষে ব্যাংকগুলো প্রেরণ করে। তবে কেউ কেউ সময়সীমার পরও ঋণ পুনঃতফসিল করেছেন।

নির্বাচনে ঋণখেলাপিরা অংশ নিতে পারেন না। তাই প্রার্থীরা ঋণখেলাপি নন এমন সনদপত্র সিআইবি থেকে নিয়ে নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রার্থীদের তথ্য যাচাই করে থাকে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এলকে

Best Electronics