Alexa যমুনা-ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে ভাঙন আতঙ্ক

ঢাকা, শনিবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৬ ১৪২৬,   ২১ মুহররম ১৪৪১

Akash

যমুনা-ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে ভাঙন আতঙ্ক

দেলোয়ার হোসেন, জামালপুর ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:৪৭ ১৯ আগস্ট ২০১৯   আপডেট: ১৩:৫০ ১৯ আগস্ট ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

দুর্ভোগ তাড়া করছে জামালপুরের ইসলামপুরের বন্যা কবলিতদের। বন্যায় সর্বস্ব হারানো মানুষগুলো এবার ভুগছে নদীভাঙন আতঙ্কে। বন্যা পরবর্তী ভাঙনে যমুনার গর্ভে চলে গেছে পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় উপজেলার চিনাডুলী ইউপির উলিয়া বাজারের পাকা সড়কটি ৪০ জায়গায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে বিঘ্নিত হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। মোরাবাদবাদ ঘাট-কুলকান্দি হাট পয়েন্ট পর্যন্ত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটিও ভেঙে গেছে। সরে গেছে কয়েকটি সেতুর নিচের মাটিও।

অটোচালক আবদুল মোমিন বলেন, প্রতিটি সড়কের কার্পেটিং উঠে গেছে। কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। কাঁচা সড়কগুলোও খানাখন্দে ভরে গেছে। আমরা হেঁটেও চলাচল করতে পারছি না।

কৃষক রবিজল মিয়া বলেন, বন্যা পরবর্তী ভাঙনে ঘরবাড়ির পাশাপাশি আমতলী থেকে বলিয়াদহ, শিংভাঙা, উলিয়া, জনতা বাজারের সড়কগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

চিনাডুলী ইউপি চেয়ারম্যান আবদুস সালাম বলেন, ইসলামপুরে বন্যায় ৩৩৫টি বাড়ি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত, পাঁচ হাজার ৫৫০টি বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১৭০ কিলোমিটার পাকা সড়ক, ৩০৫ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক, চার কিলোমিটার বাঁধ ভেঙে গেছে। এছাড়া ২৫৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ১৩৫টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ৫৫টি ব্রিজ, ৮০টি কালভার্ট, এক হাজার ৫৭০টি পুকুর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

ইসলামপুর এলজিইডি বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবু সালে মো. ইউসুফ শাহী বলেন, বন্যা ও নদী ভাঙনে উপজেলার বিভিন্ন স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি পাঁচশ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

ইসলামপুরের ইউএনও মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, যমুনা-ব্রহ্মপুত্র বেষ্টিত হওয়ায় ইসলামপুরে ক্ষতির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

জামালপুর-২ আসনের এমপি ফরিদুল হক খান দুলাল বলেন, ইসলামপুরে বন্যা ও ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবগত আছেন। এরইমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, ব্রিজ, কালভার্ট, বাড়িঘর মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর