‘মোবাইল থেকেই সেবা পাবেন কৃষকরা’

.ঢাকা, বুধবার   ২৪ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ১০ ১৪২৬,   ১৮ শা'বান ১৪৪০

‘মোবাইল থেকেই সেবা পাবেন কৃষকরা’

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:৪৫ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, মোবাইল ফোন শুধু কথা বলার জন্যই নয়। মোবাইলের মাধ্যমে কৃষকেরা অনলাইন, ডিজিটাল সেন্টার ও কৃষকদের জন্য অ্যাপ থেকে সব রকম তথ্য পেতে পারেন। সেই সঙ্গে জানতে পারবেন উৎপাদিত পণ্যের বাজারদর।

তিনি বলেন, কোন জেলায় কি কি ফসল উৎপন্ন হচ্ছে, মোট ফসলের উৎপাদন, ওই এলাকার ফসলের মূল্য এসবই জানা যাবে মোবাইলের মাধ্যমে। ফলে সহজে কেউ আর কৃষকদের ঠকাতে পারবে না। বর্তমান সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। এটি তারই অংশ। 

মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রাম (এটুআই) এর সঙ্গে কৃষি মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম বিষয়ক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ই-কৃষি সেবার লক্ষ্যে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘কৃষি বাতায়ন’ ও ‘কৃষক বন্ধু’ ফোনসেবা। কৃষি বাতায়ন সেবার দ্বারা রেজিস্ট্রেশনকৃত যেকোন ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে কৃষি সর্ম্পকিত প্রশ্ন করা যাবে এবং উত্তরও পাওয়া যাবে। এসময় মন্ত্রী মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ৩৩৩১ নম্বরে কল করে দুই জেলায় কৃষি কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রতিটি কৃষককে ডিজিটাল সেবা ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। যেন তারা নিজেরাই নিজেদের ফসলের সব সমস্যা সমাধান করতে পারেন। এটি কৃষকদের জন্য খুবই উপকার হবে। এজন্য কৃষক সমাজকে সচেতন হতে হবে।

তিনি বলেন, গতানুগতিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিহার করে সবাইকে ইনোভেটিব (উদ্ভাবনী) হতে হবে। কি করে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা যায়, খাদ্য সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের উপায় বের করতে হবে। 

তিনি আরো বলেন, কৃষি বাতায়ন ব্যবহারের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মীর সঙ্গে কৃষকের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ, কৃষি গবেষণার সঙ্গে মাঠপর্যায়ের সংযোগ, কৃষি তথ্য ভিত্তিক জ্ঞানভাণ্ডার গড়ে তোলা ও মাঠপর্যায় হতে কেন্দ্র পর্যন্ত বিবিধ রিপোর্ট আদান-প্রদান সহায়ক হবে। এ পর্যন্ত ৭৯ লাখ কৃষকের ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। কৃষকের ডাটাবেজ দ্বারা তার শিক্ষা, জীবনাচার, পরিবার ও অন্যান্য পেশা সম্পর্কে জানা যাবে। যা ভবিষৎ পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে সহায়ক হবে। এছাড়া পর্যায়ক্রমে ৩ কোটি কৃষকের ডাটাবেজ তৈরি করা হবে বলেও জানান তিনি।

ডেইল বাংলাদেশ/এসএইচআর/আরএইচ/এমআরকে