Alexa মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় নেহা, চমকে গেলেন শিক্ষকরা

ঢাকা, সোমবার   ১৮ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৩ ১৪২৬,   ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় নেহা, চমকে গেলেন শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৫৬ ১৭ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ১৫:০৭ ১৭ অক্টোবর ২০১৯

তৌফিকা রহমান নেহা।ছবি: সংগৃহীত

তৌফিকা রহমান নেহা।ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছর মেডিকেল কলেজ ভর্তি পরীক্ষায়  তৌফিকা রহমান নেহা দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন। সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের এই শিক্ষার্থীর এমন সাফল্যে তার কলেজের শিক্ষকরাই চমকে গেছেন।  

জানা গেছে, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস কোর্সের ভর্তি পরীক্ষায় প্রকাশিত ফলাফলে ১০০ নম্বরের মধ্যে ৮৯ নম্বর পেয়েছেন নেহা। এই ফলাফলে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এতে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে সাড়ে ১০ হাজারেরও বেশি আসনের বিপরীতে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৯ হাজার ৪১৩ জন। 

সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক কাজী আসাদ বলেন, তৌফিকা রহমান নেহা মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় দ্বিতীয় হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। তবে খুব বেশি কলেজে আসতো না নেহা। শুধু নেহা নয়, বিজ্ঞান বিভাগের অধিকাংশ শিক্ষার্থী কলেজে আসতে চায় না।

তিনি বলেন, সেক্ষেত্রে বলা যায়, ঠিকমতো ক্লাস না করেও দ্বিতীয় হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে নেহা। তবে এটা বলতেই হবে নেহা খুবই মেধাবী শিক্ষার্থী। ঠিকমতো ক্লাসে না আসায় তার বিষয়ে আমাদের বিস্তারিত জানা নেই।

সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আফাজাল হোসেনের কাছে তৌফিকা রহমান নেহার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নেহার ব্যাপারে বিস্তারিত কিছুই আমি জানি না। তবে শুনেছি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় হয়েছেন।

এদিকে মেধা তালিকায় দ্বিতীয় হওয়ার পর নেহার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। একাধিকবার ফোন দিলেও রিসিভ করেননি তিনি। পরে এসএমএস করলেও তার জবাব দেননি।

এছাড়া এ বছর মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন রংপুরের রাগীব নূর অমিয়। তার টেস্ট স্কোর ৯০.৫০। তিনি রংপুর ক্যাডেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাশ করেন। 

প্রসঙ্গত, এ বছর এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় ৪৯ হাজার ৪১৩ জন পাস করেছেন। এতে ছাত্র ৪৬ দশমিক ৩১ শতাংশ ও ছাত্রী ৫৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ। পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সরকারিতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে ৪ হাজার ৬৮ জন আর বেসরকারিতে ৬ হাজার ৩৩৯ জন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর