মৃত্যুর আগে যে ২০ জায়গা ভ্রমণ না করলে জীবনই বৃথা

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০৭ এপ্রিল ২০২০,   চৈত্র ২৪ ১৪২৬,   ১৩ শা'বান ১৪৪১

Akash

মৃত্যুর আগে যে ২০ জায়গা ভ্রমণ না করলে জীবনই বৃথা

ভ্রমণ ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:১২ ৪ মার্চ ২০২০   আপডেট: ১৪:১৮ ৫ মার্চ ২০২০

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

আজ থেকে বিশ বছর পর আপনি এই ভেবে হতাশ হবেন যে, আপনার পক্ষে যা করা সম্ভব ছিল তা করতে পারেননি। তাই নিরাপদ আবাস ছেড়ে বেরিয়ে পড়ুন। আবিষ্কারের জন্য যাত্রা করুন। কারণ ভ্রমণে যে শুধু বিভিন্ন দেশ বা জায়গা দেখাই হয় তা কিন্তু না, সমৃদ্ধ হয় আপনার জ্ঞান শক্তিও। 

ভ্রমণের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান কোনটি? এমন প্রশ্ন সবার প্রথমে আসলেও এর উত্তর কিন্তু এক বাক্যে দেয়া কঠিন। ইন্টারনেটের এ যুগে ছোট হয়ে আসছে বিশ্ব। তবুও ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে পৃথিবী চরিয়ে বেড়ার ‘নেশা’ কিন্তু এতটুকুও কমেনি। 

পৃথিবীতেই এমনও অনেক জায়গা আছে যেগুলোর ছবি দেখলে মনেই হবে না এগুলোর অবস্থান পৃথিবীতে আছে; কেননা জায়গাগুলোর নৈসর্গিক সৌন্দর্য যেন অপার্থিব গল্পের কোনো পটভূমিকে হার মানিয়ে দেয়। আজ সেরকমই ২০টি সুন্দর স্থানের ছবি এবং এর বিস্তারিত আলোচনা নিয়ে হাজির হয়েছি:-

সান্তরিনি, গ্রিস

সান্তরিনি, গ্রিস
এটি গ্রিসের অন্যতম এবং মনোমুগ্ধকর জায়গার একটি। বিজ্ঞানীদের মতে, ১৬ শতাব্দিতে ইজিয়ান সাগরে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে বৃত্তাকার একটি দ্বীপের সৃষ্টি হয়। সময়ের বিবর্তনে সাধু আইরিনির নামানুসারে এর নাম হয়ে যায় সান্তরিনি। হ্যাঁ, আমরা গ্রিক আইল্যান্ড সান্তরিনির কথাই বলছি। সান্তরিনি গ্রিসের অন্যতম সুন্দর একটি দ্বীপ। 

এটি মূল ভূমি থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দক্ষিণে ইজিয়ান সাগরে অবস্থিত ছোট দ্বীপ। আর এ দ্বীপের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এটি আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্টি। এর প্রাকৃতিক আর্কিটেকচারাল সৌন্দর্যের কারণেই প্রতিবছর হাজার হাজার পর্যটক এখানে এসে তাদের ভ্রমণের পিপাসা মেটান। বছরের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর সান্তরিনি ভ্রমণের আদর্শ সময়।

কেপিলান সাসপেনশন ব্রিজ, কানাডা

কেপিলান সাসপেনশন ব্রিজ, কানাডা
বিশ্বে অবাক করার মতো আরো একটি জায়গা ক্যাপিলানো সাসপেনশন ব্রিজ। এই সেতুটি কানাডার ভ্যানকুভার শহরে অবস্থিত। এর সৌন্দর্য বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে মন্ত্রের মতো কাজ করে। এটি প্রায় ১৪০ মিটার দীর্ঘ এবং ভূমি থেকে ৭০ মিটার উপরে ঝুলছে। জীবনে একবার হলেও ভ্রমণপিপাসুরা ঘুরে আসতে চাইবেন কেপিলান সাসপেনশন ব্রিজে। তবে সেতুটির ওপর দিয়ে হেঁটে পার হওয়া খুবই ভয়ের।

রোম, ইতালি

রোম, ইতালি
বিশ্বে দেখার মতো আরো একটি সুন্দর জায়গা হলো ইতালির প্রাচীন শহর রোম। একে পশ্চিমা সভ্যতার কেন্দ্রও বলা হয়। এই শহরটি খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ শতকে আবিষ্কার হয়েছিল। রোম পিলিওলিথিক যুগের প্রাচীন শহর। ইউরোপের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও শিল্প-সংস্কৃতির এক অনন্য তীর্থভূমি এটি। প্রাচীনকালে এখানে ছোট্ট জনপদ গড়ে উঠেছিল, যাকে সুসভ্য গ্রিকরা ইতালিয়া বলে ডাকতেন। ইতালি প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সংস্কৃতির সংমিশ্রণে রোমান সভ্যতার নগরী। বিশ্বের সবচেয়ে আইকনিক স্মৃতিস্তম্ভ ‘কলসিয়াম’ এই শহরেই অবস্থিত। এই স্মৃতিস্তম্ভটি না দেখে রোম থেকে ফিরে আসতে চান এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।

তাজমহল

তাজমহল, ভারত
বিশ্বের আকর্ষণীয় জায়গা হলো ভারতের আগ্রায় অবস্থিত ‘তাজমহল’। একে ভালবাসার স্মৃতিস্তম্ভও বলা হয়। এটি মোগল সম্রাট শাহজাহান তার স্ত্রী মমতাজের জন্য ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে নির্মাণ শুরু করেন, যা সম্পন্ন হয়েছিল প্রায় ১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দে। যমুনা নদীর দক্ষিণ তীরে অবস্থিত এই ভালবাসার স্মৃতিস্তম্ভটি। নির্মাণের পর থেকেই তাজমহলটি বহু পর্যটককে আকর্ষণ করে। এর আইভরি সাদা রঙ দূর থেকে পর্যটকদের চোখ জুড়িয়ে যায়। সবচেয়ে বেশি পর্যটক যান ঠাণ্ডা মৌসুমে—অক্টোবর, নভেম্বর ও ফেব্রুয়ারিতে।

সাইফ উল মুলুক লেক, পাকিস্তান

সাইফ উল মুলুক লেক, পাকিস্তান
সর্বাধিক সুন্দর এবং দেখার মতো হ্রদগুলির মধ্যে একটি হল পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত সাইফ-উল-মালুক লেক। এটি নারান শহরের নিকটবর্তী কাঘন উপত্যকার উত্তরে অবস্থিত। সমুদ্রতল থেকে ১০,৫৭৮ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এটি।

সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

সিডনি, অস্ট্রেলিয়া
সিডনি শহর সত্যিই সুন্দর। বেড়ানোর জন্য যুতসই এক জায়গা অস্ট্রেলিয়ার উপকূলীয় শহর সিডনি। এ শহরে ঘুরতে আসা সর্বাধিক পর্যটক ঘুরতে আসেন শহরের অবস্থিত হারবার ব্রিজটিতে। শুধু তাই নয় প্রতিবছর লাখ লাখ পর্যটককে নিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায় ব্রিজটি। সব মিলিয়ে বিনোদনের প্রাণকেন্দ্র বলতে পারেন অস্ট্রেলিয়ার সিডনিকে।

বার্সেলোনা, স্পেন

বার্সেলোনা, স্পেন
প্রতি বছর বহু পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হওয়া আরেকটি শহর হলো স্পেনের বার্সোলোনা। ইউরোপ ভ্রমণে আপনি যতই ক্লান্ত হোন না কেনো বার্সেলোনার নাম শুনলে এক বাক্যে হ্যাঁ বলে দিবেন। শত শত বছরের অসাধারণ শৈল্পিক কারুকার্যময় স্থাপনা, প্যারা অলিম্পিকের স্মৃতি এবং সর্বোপরি অদ্ভুত সুন্দর একটা প্রদেশ হচ্ছে বার্সেলোনা। ভূমধ্যসাগর পাড়ের বার্সেলোনাতে রোমান সাম্রাজ্যের নিদর্শনগুলো আজও স্পষ্ট চোখে পড়ে।

ইস্তাম্বুল, তুরস্ক

ইস্তাম্বুল, তুরস্ক
জীবদ্দশায় ঘুরে দেখার আরো একটি সুন্দর এবং আকর্ষণীয় জায়গা হল তুরস্কের শহর ইস্তাম্বুল। শহরটি এশিয়া এবং ইউরোপের সঙ্গে সংযুক্ত। এটি এশীয় এবং ইউরোপীয় সভ্যতার মিশ্রণ বলা যেতে পারে। মসজিদের শহর নামের বিখ্যাত এটি। কেননা এখানকার প্রতিটি মসজিদের কারুকাজই যেকারো নজর কারবে। অপরূপ শহরটি হতে পারে ভ্রমণপিপাসুদের জন্য অন্যতম আকর্ষণের জায়গা।

ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত, জিম্বাবুয়ে

ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত, জিম্বাবুয়ে
অপরূপ সুন্দর এই জলপ্রপাত জিম্বাবুয়ের সীমান্ত ও জিম্বাজি নদীর কোলঘেঁষে অবস্থিত। এর উচ্চতা ১০৮ মিটার ও চওড়ায় ১,৭০৩ মিটার। প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯৩৫ ঘনমিটার জল পতিত হয় এই জলপ্রপাত থেকে। এটির উচ্চতা এবং প্রস্থের কারণে এটি বিশ্বের অন্যতম সুন্দর জলপ্রপাত। ব্রিটিশ অভিযাত্রী ডেভিড লিভিংস্টোন ১৮৫৫ সালে এই জলপ্রপাত দেখে নামকরণ করেন রানি ভিক্টোরিয়ার নামে। এটি বিশ্বের সাতটি প্রাকৃতিক বিস্ময়ের একটি হিসাবেও বিবেচিত হয়।

চীনের প্রাচীর

চীনের প্রাচীর
চীনের প্রাচীর বা গ্রেট ওয়াল অব চায়না সম্পর্কে কে না জানে? এটি পৃথিবীর সপ্তাশ্চার্যগুলোর মধ্যে একটি। বিভিন্ন উপাদান দিয়ে নির্মিত হয়েছিল নজরকাড়া এই প্রাচীরটি। এটি নির্মানের মূল উদ্দেশ্য ছিলো চীনকে ইউরোপের আক্রমণ থেকে রক্ষা করা। কথিত আছে, চীনের প্রাচীরের ওপর দিয়ে একসঙ্গে ১২ জোড়া ঘোড়া চলতে পারে। চীনের এ মহাপ্রাচীরটি বিশ্বের মানবসৃষ্ট অন্যতম বড় নিদর্শন।

এন্টার্কটিকা, দক্ষিণ মেরু

এন্টার্কটিকা, দক্ষিণ মেরু
পৃথিবীর দুর্গমতম মহাদেশ এন্টার্কটিকা যেটি পৃথিবীর দক্ষিণ মেরুতে অবস্থিত। আয়তন প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ বর্গকিলোমিটার। বিশাল এ আয়তনের প্রায় ৯৮ শতাংশ অঞ্চল গড়ে ১.৯ কিলোমিটার পুরু বরফে ঢাকা। এন্টার্কটিকাকে পৃথিবীর সবচেয়ে শীতলতম স্থান হিসেবে চিহ্নিত করা হয় ১৯৮৩ সালের ২১ জুলাই। তখন তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ৮৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি বিশ্বের সর্বাধিক প্রত্যন্ত স্থান এবং এর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা -১২৯ ডিগ্রি সেলসিয়ায় পর্যন্ত রেকর্ড করা হয়েছিলো। জনসংখ্যার অনুপস্থিতি এটিকে একাকী জায়গায় পরিণত করে।

নিশিনোমারু গার্ডেন, জাপান

নিশিনোমারু গার্ডেন, জাপান
এই গ্রহের আরো একটি দর্শনীয় জায়গা হল জাপানের নিশিনামারু গার্ডেন। এটি ওসাকা শহরে অবস্থিত। প্রতিবছর চেরি ফুল দেখতে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা থেকে পর্যটক এসে ভিড় জমায় এখানে। বাগানে ৬০০ টিরও বেশি চেরি গাছ এবং ৯৫ ধরণের এপ্রিকট ফুল রয়েছে।

দ্য রেড বিচ, চীন

দ্য রেড বিচ, চীন
সৈকতে কিছু সময় কাটানো চিত্তাকর্ষক হতে পারে, কিন্তু তা যদি হয় একটি অসাধারণ সৈকত তাহলে তো কোন কথাই নেই। আর এমন আবেশ আপনি পেতে পারেন চীনের রেড বিচে। এটি পানজিনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৩০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ডোয়াতে অবস্থিত। এই সৈকত দেখলে মনে হবে এর পানি লাল। কিন্তু আসলে এর সৌন্দর্য সুয়েদা সালসা নামক একপ্রকার শৈবালের মধ্যে লুকিয়ে আছে। আর এর কারণেই এ পানির রং লাল। এর লালভাব দর্শকদের মন এবং হৃদয়কে আকর্ষণ করে এবং এর সৌন্দর্য দেখে যে কেউ হতবাক হয়ে যায়।

হিলার লেক, অস্ট্রেলিয়া

হিলার লেক, অস্ট্রেলিয়া
অবাক করা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার হিলার লেক। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার মিডল আইল্যান্ডে এর অবস্থান। আশ্চর্যজনক এই হ্রদের বৈশিষ্ট্য হলো এখানকার জল গোলাপি রঙের। এমনকি কোনো পাত্রে তোলার পরও এই জলের বর্ণ অপরিবর্তিত থাকে। বিজ্ঞানীদের মতে, এর গোলাপী রঙ হ্রদে পাওয়া শৈবালগুলির কারণে। শুধু আশ্চর্য-সুন্দর লেকটির কারণেই এখানে প্রচুর পর্যটক-সমাগম হয়।

বোরা বোরা দীপপুঞ্জ, ফ্রান্স

বোরা বোরা দীপপুঞ্জ, ফ্রান্স
বোরা বোরা ১২ বর্গমাইল আয়তনের একটি দ্বীপপুঞ্জ, যা ফরাসি পলিনেশিয়ার পশ্চিমে অবস্থিত। ফরাসি পলিনেশিয়ার রাজধানী পপেইট থেকে প্রায় ২৩০ কিলোমিটার (১৪৩ মাইল) উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত একটি উপহ্রদ ও একটি প্রাচীরের প্রস্থ দ্বারা ঘেরা। দ্বীপের মাঝখানে দুটি মৃত আগ্নেয়গিরি মাউন্ট পেহিয়া ও মাউন্ট ওটারমমেনু রয়েছে। এটি সম্প্রতি বিশ্বের সেরা দ্বীপের খেতাব পেয়েছে। অবকাশ যাপনের জন্য এই দ্বীপে গড়ে উঠেছে রিসোর্ট। যেগুলো দূর থেকে দেখলে মনে হবে দ্বীপে ভাসমান ছোট ছোট ঝুপড়ি।

গ্লাস বিচ, ক্যালিফোর্নিয়া

গ্লাস বিচ, ক্যালিফোর্নিয়া
সৈকত কার না ভাল লাগে। বিস্তৃত নীল সমুদ্র আর নীল ঢেউ আছড়ে পড়ে যে সুবিশাল বেলাভূমিতে তার প্রতি আকর্ষণ নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। পৃথিবীর প্রায় সব সৈকতের একই চিত্র। কিন্তু ক্যালিফোর্নিয়ার ফোর্ট ব্র্যাগের কাছে ম্যাক্যারিচার স্টেট পার্কে রয়েছে এক অদ্ভুত সৈকত। এটি আর সব সৈকতের সঙ্গে মেলে না। এখানে বালি নয় চিকচিক করে কাচের টুকরো। আর এ কারণেই সৈকতের নাম গ্লাস বিচ। সৈকতে গেলে পর্যটকদের নানা রঙের স্বচ্ছ পাথর দেখে মন ভরে যাবে।

গ্লো ওয়ার্ম ক্যাব, নিউজিল্যান্ড

গ্লো ওয়ার্ম ক্যাব, নিউজিল্যান্ড
এটি বিশ্বের খুব সুন্দর এবং দর্শনীয় স্থান। নামটি থেকে বোঝা যায়, সূর্যের আলোর কারণে এখানকার বরফগুলো আলোকিত হয়। আর এ আলোর বিচ্চুরণের রং যে কাউকেই আকৃষ্ট করবে। নিউজিল্যান্ডে অবস্থিত এই গুহাটি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা দর্শনার্থীদের আকষর্ণ করে থাকে। এর সৌন্দর্য দেখার জন্য গুহায় একটি দর্শনার্থী কেন্দ্র রয়েছে।

পামুক্কাল, তুরস্ক

পামুক্কাল, তুরস্ক
বিশ্বের আর একটি সুন্দরী জায়গার নাম পামুক্কাল। তুরস্কে অবস্থিতি এই শহরটি পাথরের উপর দিয়ে উষ্ণ জল বয়ে যায়। ইউনেস্কো ১৯৮৮ সালে এটিকে বিশ্বের দৃষ্টিনন্দন জায়গার খেতাব দেয়। এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য দর্শনার্থীদের মন্ত্রের মতো আকষর্ণ করে। 

হা লং বে, ভিয়েতনাম

হা লং বে, ভিয়েতনাম
ভিয়েতনামে অবস্থিতি হা লং বে দর্শনার্থীদের ভ্রমণের আকষর্ণী স্থানের একটি। বড় বড় পান্না পাথরে ঘেরা জায়গাটিতে প্রতিবছর হাজার হাজার পর্যকট ঘুরতে আসে। এছাড়া এখানে ঘুরে দেখানোর জন্য নৌকাও রয়েছে। অঞ্চলটি পর্বতমালার জন্যও বিখ্যাত।

ওয়েস্টিন মাউই রিসর্ট, আমেরিকা

ওয়েস্টিন মাউই রিসর্ট, আমেরিকা
জীবদ্দশায় দেখার মতো আরো একটি সুন্দর জায়গা হলো আমেরিকার ওয়েস্টিন মউই রিসোর্ট। ছুটি কাটাতে এমন মনোরম পরিবেশের জুড়ি মেলা ভাড়। এই রিসর্টের সমস্ত কক্ষগুলিতে খুব আকর্ষণীয় পর্যটকদের মুগ্ধ করতে বাধ্য করে।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিএএস