Alexa মুন্সিগঞ্জে বাস-মাইক্রো সংঘর্ষে একই পরিবারের আটজনসহ নিহত ১০

ঢাকা, রোববার   ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ২৩ ১৪২৬,   ১০ রবিউস সানি ১৪৪১

মুন্সিগঞ্জে বাস-মাইক্রো সংঘর্ষে একই পরিবারের আটজনসহ নিহত ১০

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৪১ ২২ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৯:১১ ২২ নভেম্বর ২০১৯

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে শুক্রবার বেলা ২টার দিকে বাসের সঙ্গে বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে একই পরিবারের আটজনসহ ১০ জন আরোহী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো চারজন।

নিহতরা হচ্ছেন- বরের বাবা আব্দুর রশিদ বেপারি (৬০) বোন লিজা (১৫), চাচা আব্দুল মফিজ (৫৮), ভাবি রুনা (২৫), ভাতিজা তাহসান (০৩), ভাগ্নি তাবাসুস অবনি (৫), মামাত বোন রেনু (১০), ফুফাত ভাই জাহাঙ্গীর (৪৫), প্রতিবেশী কেরামত বেপারি (৬০) ও মাইক্রোচালক বিল্লাল (৪০)। তাদের বাড়ি জেলার লৌহজং উপজেলার কনকসার ইউপির কনকসার বটতলা গ্রামে। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।  

বরের চাচাত ভাই আবু সাঈদ জানান, কনকসার বটতলা গ্রামের আব্দুর রশিদ বেপারীর ছেলে রুবেল ইসলাম বেপারির (২৮) সঙ্গে ঢাকার কামরাঙ্গীচরের মিশা আক্তারের কাবিন হওয়ার কথা ছিল। এ উপলক্ষে নিজ বাড়ি থেকে পৃথক দু’টি মাইক্রোযোগে বরযাত্রীরা কামরাঙ্গীচরের কনের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। এরই মধ্যে বরযাত্রীবাহী একটি মাইক্রো দুর্ঘটনা কবলিত হয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে। তবে বর রুবেল ইসলাম বেপারি অপর মাইক্রোতে ছিলেন। 

হাসাড়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ওসি আব্দুল বাসেদ জানান, দুপুর ২ টার দিকে ষোলঘর বাসস্ট্যান্ডে ঢাকামুখী বরযাত্রীবাহী মাইক্রো ও মাওয়াগামী স্বাধীন পরিবহনের যাত্রীবোঝাই বাসের সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোটি পুরোপুরি ও বাসের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। তাৎক্ষণিক হাইওয়ে পুলিশ ও শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। ঘটনাস্থলেই ছয়জন মারা যান। আহতদের মধ্যে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুইজন ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরো দুইজন মারা যান। 

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নিহতদের স্বজনরা শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে যান। এ সময় প্রিয়জন হারানো স্বজনদের আহাজারিতে সেখানে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। কান্নায় ভেঙে পড়েন বরের মামাত বোন তানিয়া। দুর্ঘটনায় তানিয়ার আপন বোন রেনু মারা যান। তিনি বোনের লাশের সামনে বিলাপ করতে থাকেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ/জেএইচ