মুজিববর্ষকে স্বাগত জানাল জাপা

ঢাকা, শনিবার   ০৪ এপ্রিল ২০২০,   চৈত্র ২১ ১৪২৬,   ১০ শা'বান ১৪৪১

Akash

মুজিববর্ষকে স্বাগত জানাল জাপা

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:০৫ ৮ মার্চ ২০২০  

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি বলেছেন, আগামী ১৭ মার্চ থেকে স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এসময় থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ  পর্যন্ত মুজিববর্ষ ঘোষণা করা হয়েছে।  এ উপলক্ষ্যে বছরব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছি।

রোববার রাজধানীর বনানীতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে প্রেস এন্ড পলিটিক্যাল সেক্রেটারি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রত্যেক জাতির সামনে একজন আদর্শ নেতার প্রয়োজন। যার কর্মময় জীবন অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে জাতিকে সঠিক দিক নির্দেশনা দিতে পারে। বঙ্গবন্ধু সে ধরনের একজন মানুষ। তার জীবনের বিভিন্ন দিকগুলো উপস্থাপন করলে নতুন প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সামনে চলার অনুপ্রেরণা পাবে এবং তাদের মধ্যে দেশের সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করার মানসিকতা তৈরি হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোনো দলের একক সম্পদ নন, তিনি দলমত নির্বিশেষে বাঙালি জাতির সম্পদ। তিনি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি।

এতে আরো বলা হয়, বঙ্গবন্ধুর শ্রেষ্ঠত্ব এখানেই যে, ক্ষমতার বাইরে অবস্থান করেও শুধু দেশপ্রেম, ত্যাগ, সাহসিকতা ও প্রজ্ঞাবান নেতৃত্ব দিয়ে তিনি দলমত নির্বিশেষে সমগ্র বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। স্বাধীকার আদায়ের আন্দোলন থেকে পরবর্তীতে স্বাধীনতা সংগ্রামে সমগ্র বাঙালি জাতি সব ভেদাভেদ ভুলে বঙ্গবন্ধুর প্রতি অবিচল আস্থা রেখে তার প্রতিটি নির্দেশ-আদেশ বিনা দ্বিধায় প্রতিপালন করে গেছে। ফলশ্রুতিতে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদ্বয় হয়েছে। বাঙালি জাতির হাজার বছরের ইতিহাসে এ ধরনের নেতৃত্ব কখনই কেউ দিতে সক্ষম হননি।

তার জীবনে সবচেয়ে বড় অর্জন বাঙালি জাতির জন্য একটি স্বাধীন দেশ বাংলাদেশ। এ অর্জনে প্রতিবেশী দেশ ভারতের জনগণ ও সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়েছিল। বিপদে পাশে দাঁড়িয়েছিল। এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে, নিরাপত্তা দিয়েছে, আহার-বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছে। বাংলাদেশের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সামরিক প্রশিক্ষণ ও সামরিক সরঞ্জামাদী দিয়ে সহায়তা করেছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি বলা হয়, আমাদের মহান নেতার জন্মবার্ষিকীতে আমাদের দেশ ও জাতির ভারতীয় জনগণ ও সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞা ও ধন্যবাদ জানানো অবশ্য পালনীয় কর্তব্য। ভারতের জনগণ ও সরকারের প্রতিনিধিত্বকারী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তার সব সফরসঙ্গীকে আমরা বাংলাদেশে স্বাগতম জানাচ্ছি। মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে তার আগমণে আমরা আনন্দিত।

তার এই সফর বাংলাদেশ-ভারত দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক আরো সুমুধুর ও বেগবান করতে বলিষ্ঠ ভুমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে দু’দেশের মধ্যকার অনিষ্পত্তিকৃত বিষয়গুলিও তড়িৎ সমাধান সম্ভব হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।  

ডেইলি বাংলাদেশ/এস.আর/এসএএম