মুকসুদপুরে সংঘর্ষ, আহত ১১

.ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৫ এপ্রিল ২০১৯,   বৈশাখ ১১ ১৪২৬,   ১৯ শা'বান ১৪৪০

মুকসুদপুরে সংঘর্ষ, আহত ১১

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০০:২৭ ২০ মার্চ ২০১৯   আপডেট: ০০:৩৭ ২০ মার্চ ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. কাবির মিয়ার নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা এবং বিভিন্ন স্থানে তার কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান মিয়া আনারস প্রতীকের প্রচারণায় মুকসুদপুরের বহুগ্রাম ইউপির বলনারায়ন বাজারে গেলে প্রতিদ্বন্দ্বী চেয়ারম্যান প্রার্থী এম এম মহিউদ্দিন আহম্মেদ (মুক্ত মুন্সী)’র সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এসব খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উভয় গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। 

এসময় হামলায় আনারস প্রতীকের ১১ সমর্থক আহত হন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত আসাদকে মিয়াকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আহত অন্যরা হলেন- টুকু কমিশনার, তৌকির, আজগর, গোলাম ফরহাদ, আল আমিন, কাদের, রুহুল আমিন, মাসুদ, মাহফুজ, হাফিজুর।তাদেরকে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আনারস প্রতীকের প্রার্থী মো. কাবির মিয়া অভিযোগ করে বলেন, খান্দারপাড় ইউপির চেয়ারম্যান সাব্বির খানের নেতৃত্বে তার লোকজন আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এম এম মহিউদ্দিন আহম্মেদ (মুক্ত মুন্সী)’র পক্ষ নিয়ে মুকসুদপুর ডিগ্রী কলেজ মোড়ে আমার নির্বাচনী প্রচারণার অফিস, হোটেল, সেলুন, মুদির দোকান, বন্ধ থাকা কয়েকটি দোকান, শামসুল আরেফিন মুক্তার নিজের ব্যবহৃত প্রাইভেটকার এবং কয়েকটি কাউন্টার ভাঙচুর করেছে। এছাড়া  আনারসের প্রচারণার মাইক, অফিসের টেলিভিশন, কাউন্টারের তিনটি ল্যাপটপসহ গুরুত্বপূর্ণ আসবাবপত্র লুট করে নিয়ে গেছে।

মো. কাবির মিয়া বলেন, ভাবড়াশুর ইউপির কালিনগর গ্রামের মনোজ বিশ্বাসের বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে মহিউদ্দিনের কর্মী সমর্থকরা। প্রতীক বরাদ্দের আগেও বনগ্রাম বাজারে আমার কর্মীর ওপর হামলা করে আহত করা হয়েছিলো। আমি এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। 

মুকসুদপুর হাসপাতালের চিকিৎসক মাসুদ করিম বলেন, আহতদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে এবং গুরুতর আহত একজনকে ফরিদপুর মেডিক্যাল ক‌লেজ হাসপাতা‌লে পাঠানো হয়েছে।

মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী অঞ্চলের এএসপি ( সার্কেল) রায়হান হোসেন বলেন, দুই প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। এখন পরিস্থিতি শান্ত। পরবর্তী অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মুকসুদপুরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ