Alexa মিয়ানমারে যৌন লালসার শিকার রোহিঙ্গা কন্যা শিশুরাও

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৯ ১৪২৬,   ২৪ মুহররম ১৪৪১

Akash

মিয়ানমারে যৌন লালসার শিকার রোহিঙ্গা কন্যা শিশুরাও

 প্রকাশিত: ১১:৩৫ ২২ অক্টোবর ২০১৭   আপডেট: ১৭:১৮ ২২ অক্টোবর ২০১৭

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

মিয়ানমারের রাখাইনে দেশটির সেনা ও উগ্র বৌদ্ধদের নির্যাতনের কবল থেকে রক্ষা পায়নি রোহিঙ্গা শিশুরাও। বর্মি সেনাদের নির্যাতন-নিপীড়ন এতটাই ভয়বহ রূপ নিয়েছে যেখানে হাজার হাজার শিশু এতিম হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এমনটাই জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো ঘুরে দেখা গেছে, অনেক শিশুই এতিম। দিন-দুনিয়ার কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই তাদের ওপর নেমে এসেছে আকস্মিক এই ভয়বহতা। প্রাণ বাচাতে কোমলমতি শিশুরা তাই প্রতিবেশিদের সঙ্গে আশ্রয় নিয়েছে বাংলাদেশে। সব হারিয়ে তারা এখন নিস্ব প্রায়। এমনকি পিতা-মাতা হারানো এসব শিশুদের কেউ কেউ বর্মি সেনা ও উগ্র বৌদ্ধদের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলেও জানা গেছে।

সূত্র মতে, বর্মী সেনাদের গণহত্যা, ধর্ষণ ও নিপীড়ন থেকে রোহিঙ্গা শিশু কন্যারাও রক্ষা পায়নি। বিভিন্নভাবে তাদের শ্লিলতাহানী ও ধর্ষণের ঘটনাও ঘটছে অহরহ। এছাড়া ছেলে শিশুদেরকে নির্মমভাবে হত্যার বিভিন্ন চিত্র সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও উঠে এসেছে।

জাতিসংঘ শিশুবিষয়ক তহবিল (ইউনিসেফ) বলেছে, মিয়ানমারে সহিংসতা বা ক্ষুধার কারণে প্রতি সপ্তাহে ১২ হাজারের মতো শিশু পালিয়ে বাংলাদেশে আসছে। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শিশুর সংখ্যা এখন প্রায় ৩ লাখ ২০ হাজার। তারা শিবিরের নোংরা পরিবেশে বাস করছে এবং পর্যাপ্ত খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে না।

`রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু শিশুরা বিপজ্জনক ভবিষ্যতের মুখে` শিরোনামে এক প্রতিবেদনে এ কথা বলেছে সংস্থাটি এ কথা বলেছে। সংস্থাটি আরও বলেছে, এসব শিশু নিজের চোখে দেখা নৃশংসতায় এখনো ভীতসন্ত্রস্ত।

ইউনিসেফ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, সহিংসতার শিকার রোহিঙ্গা শিশুদের মানবিক সহায়তা দিতে ইউনিসেফকে অবিলম্বে রাখাইনে প্রবেশের অধিকার দিতে হবে।

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্থনি লেক বলেন, অবিলম্বে এসব শিশুর জন্য খাবার, নিরাপদ পানি, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে রোগ প্রতিরোধ করতে টিকা দরকার। তাদের শিক্ষা, কাউন্সেলিং প্রয়োজন।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ