Alexa মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে সংঘর্ষ, ৪০০০ লোক ঘরছাড়া

ঢাকা, শনিবার   ২৫ জানুয়ারি ২০২০,   মাঘ ১১ ১৪২৬,   ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

Akash

মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে সংঘর্ষ, ৪০০০ লোক ঘরছাড়া

 প্রকাশিত: ১৪:২৫ ২৮ এপ্রিল ২০১৮   আপডেট: ১৪:৪৪ ২৮ এপ্রিল ২০১৮

সংগৃহীত

সংগৃহীত

মিয়ানমারের প্রত্যন্ত উত্তরাঞ্চলে সেনাবাহিনী ও জাতিগত বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। এ সংঘর্ষের কারণে হাজার হাজার লোক নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে।

জাতিসংঘের অফিস ফর দ্যা কো-অপারেশন অব হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্সের (ওসিএইচএ) প্রধান মার্ক কাটস শুক্রবার রাতে এএফপি-কে একথা জানান।

তিনি বলেন, গত তিন সপ্তাহে মিয়ানমারের উত্তরপ্রান্তে চীন সীমান্তের কাছে কাচিন রাজ্যে সংঘর্ষ চলছে। এতে চার হাজারের বেশি লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

সাম্প্রতিক এ সংঘর্ষের ঘটনা সম্পর্কে মার্ক কাটস আরো বলেন, ‘স্থানীয় সংস্থার কাছ থেকে আমরা জোনতে পেরেছি এখনো অনেক বেসামরিক লোক ওই সংঘাতময় এলাকায় আটকা পড়ে আছে।’

সংঘর্ষের এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ওই এলাকার বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তার বিষয়ে আমরা চিন্তিত। তবে সবচেয়ে বেশি চিন্তিত- গর্ভবতী নারী, বৃদ্ধ, ছোট শিশু এবং প্রতিবন্ধীদের নিয়ে।

এর আগে, চলতি বছরের শুরুতে ওই অঞ্চলে সংঘর্ষ ও সহিংসতার কারণে আরো প্রায় ১৫ হাজার লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

২০১১ সালে মিয়ানমার সরকার ও শক্তিশালী বিদ্রোহী গোষ্ঠী কাচান ইনডিপেনডেন্স আর্মির মধ্যে অস্ত্রবিরতি চুক্তি ভেঙে যায়। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত কাচিন ও শান রাজ্যের শরণার্থী শিবিরগুলোতে আশ্রয় নেয়া অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যূত মানুষের সংখ্যা ৯০ হাজার ছাড়িয়েছে।

অবশ্য, এই সংঘর্ষে বেসামরিক মৃত্যুর প্রতিবেদনগুলো যাচাই করতে পারেনি সংস্থাটি।

এদিকে, মিয়ামারের বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য রোহিঙ্গায় বড় ধরনের সংকট চলমান রয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, রাখাইনে সেনাবাহিনীর অভিযানে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের জাতিগত নিধনের অভিযোগও তুলেছে জাতিসংঘ।

ডেইলি বাংলাদেশ/নিশি