Exim Bank Ltd.
ঢাকা, মঙ্গলবার ১১ ডিসেম্বর, ২০১৮, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

জন টেরি

‘মিস্টার চেলসি’র বিদায়

সঞ্জয় বসাক পার্থডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
‘মিস্টার চেলসি’র বিদায়
ছবি: সংগৃহীত

লিগ কাপে অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে ১৯৯৮ সালের অক্টোবর মাসে চেলসির নীল জার্সি গায়ে প্রথমবারের মতো মাঠে নামলেন জন টেরি নামের এক টিনেজ ফুটবলার। ঠিক ২০ বছর ৫ দিন পরে সেই টেরিই যখন বুটজোড়া তুলে রাখার ঘোষণা দেন, আনকোরা টিনেজ ফুটবলার থেকে ততদিনে তিনি পরিণত হয়েছেন চেলসির ইতিহাসের অন্যতম সেরা অধিনায়ক, ডিফেন্ডার ও দর্শকপ্রিয় খেলোয়াড়দের একজন। চেলসি ও ইংলিশ সমর্থকদের অসংখ্য স্মরণীয় স্মৃতি উপহার দেয়া সেই টেরিকে নিয়েই আজকের আয়োজন।

প্রথম নজরকাড়া: চেলসির হয়ে অভিষেক হলেও টেরি প্রথম নজর কাড়েন প্রিমিয়ার লিগের আরেক দল নটিংহ্যাম ফরেস্টের হয়ে। ১৯৯৯ থেকে ২০০০ মৌসুমের শেষ দিকে ছয় ম্যাচের জন্য টেরিকে ধারে পাঠানো হয় নটিংহ্যামে। সাবেক ইংল্যান্ড ও টটেনহাম মিডফিল্ডার জার্মেইন জেনাস তখন নটিংহ্যাম ফরেস্টের যুব দলে খেলেন, সেই সুবাদে টেরিকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয় তার। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি বলেন টেরির কথা, ‘টেরি আসার পর থেকে আমাদের পজিশন অদল বদল হয়ে গেলো। ও খেলতে লাগলো আমার জায়গায়, আর আমি ওর জায়গায়। ওর স্কিল এক কথায় দুর্দান্ত। প্রিমিয়ার লিগে আমার দেখা সেরা সেন্টার ব্যাক টেরি। কিন্তু কখনো নিজের পারফরম্যান্সের পূর্ণ স্বীকৃতি পায়নি সে।’

প্রথম বিতর্ক: ২০০১ সালের সেপ্টেম্বরে নিজেদের চার ফুটবলারকে জরিমানা করে চেলসি, তাদের একজন ছিলেন টেরি। টেরির ‘অপরাধ’, নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ারে হামলার মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে লন্ডনের এক হোটেল বারে বেশ কয়েকজন মার্কিন নাগরিকের সঙ্গে পানোৎসবে মত্ত ছিলেন। টেরির সঙ্গে এই ঘটনায় ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ড, জডি মরিস ও ফ্রাঙ্ক সিনক্লেয়ারকেও জরিমানা করে লন্ডনের ক্লাবটি। যে হোটেলে মাতাল অবস্থায় পাওয়া যায় টেরিদের সেটি হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে খুব কাছে। একের পর এক ফ্লাইট বাতিল হওয়ার কারণে হিথ্রো বিমানবন্দরে তখন আতঙ্কিত মার্কিনিদের ভীড়। নাইন ইলেভেনের সেই ভয়াবহ হামলার স্মরণে সেদিন রাতের চেলসির উয়েফা কাপের ম্যাচটিও বাতিল হয়। এরকম পরিস্থিতিতে মদ্যপান করে উল্লাসরত অবস্থায় ধরা পড়ায় টেরি সহ প্রত্যেকের দুই সপ্তাহের বেতন কেটে নেয় চেলসি।

জাতীয় দলে ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ সময়: ২০০৩ সালের জুনে সার্বিয়া ও মন্টেনেগ্রোর বিপক্ষে জাতীয় দলে অভিষেক টেরির। ইংল্যান্ডের হয়ে ৭৮টি ম্যাচ খেলা টেরির অধিনায়কত্ব পর্যায়ে বিতর্কের সম্মুখীন হতে হয়েছে বেশ কয়েকবার। ২০০৬ জার্মানি বিশ্বকাপে পর্তুগালের কাছে টাইব্রেকারে হেরে বিদায়ের পর অধিনায়কত্ব ছাড়েন ডেভিড বেকহাম, তার স্থলাভিষিক্ত হন টেরি। ২০১০ সালে অধিনায়ক থাকা অবস্থায় বেশ বড়সড় বিতর্কের সামনে পড়তে হয়ে তাকে। সাবেক চেলসি ও ইংল্যান্ড সতীর্থ ওয়েইন ব্রিজের স্ত্রী ভেনেসার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লে সেটির রেশ আদালত পর্যন্তও পৌঁছায়। ঘটনার জের ধরে সে বছরের ফেব্রুয়ারিতে টেরিকে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেন তৎকালীন কোচ ফ্যাবিও ক্যাপেলো।

রিও ফার্ডিনান্দের দীর্ঘমেয়াদী ইনজুরির কারণে ২০১১ সালের মার্চ মাসে আবারো অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পান টেরি। তবে এবারো দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয় তাকে। এবারের অভিযোগ আরো গুরুতর। ২০১১ সালের অক্টোবর মাসে প্রিমিয়ার লিগে কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্সের বিপক্ষে ম্যাচে অ্যান্টন ফার্ডিনান্দকে বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য করায় তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। এ কারণেই তাকে অধিনায়ক হিসেবে অব্যাহতি দেয় ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। তবে ক্যাপেলো এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি, অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে মতৈক্য না হওয়ায় পদত্যাগই করে বসেন। ২০১২ সালের জুলাইতে ওয়েস্টমিনিস্টার ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট কর্তৃক নির্দোষ প্রমাণিত হন টেরি। কিন্তু এফএ’র নিজস্ব তদন্তে টেরিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয় এবং ২ লাখ ২০ হাজার পাউন্ড জরিমানার পাশাপাশি ৪ ম্যাচ নিষিদ্ধও করা হয়। এফএ’র পদক্ষেপের কারণে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে এমন অভিযোগ এনে ওই বছরের সেপ্টেম্বরেই জাতীয় দল থেকে অবসর নিয়ে নেন তিনি।

ফাইনালের পেনাল্টি মিস:

টেরির বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় হতাশা ২০০৮ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালের পেনাল্টি মিস। চেলসির সামনে প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জেতার হাতছানি, সেটিও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে হারিয়ে। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো পেনাল্টি মিস করে চেলসির রাস্তাটা আরো সুগমই করে রাখেন কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি টেরি। বৃষ্টিস্নাত মাঠে শট নিতে গিয়ে পা পিছলে বসেন, মিস করেন পেনাল্টি। শেষ পর্যন্ত সাডেন ডেথে ৬-৫ গোলে চ্যাম্পিয়ন হয় ইউনাইটেড আর অশ্রুশিক্ত হয় চেলসি সমর্থকদের চোখ। সেই পেনাল্টি মিসের প্রতিক্রিয়া এতটাই ছিল, ২০১৫ সালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, এখনো স্বপ্নে সেই পেনাল্টি মিস ঘুরেফিরে আসে!

অধিনায়ক হিসেবে ডাবল জয়:

চেলসির অধিনায়ক হিসেবে টেরির সবচেয়ে সফল মৌসুমগুলোর একটি ছিল ২০০৯-১০ মৌসুম। টেরির অধিনায়কত্বেই ডাবল জিতেছিল চেলসি। লিগের শেষ দিনে উইগান অ্যাথলেটিককে ৮ গোলে বিদ্ধস্ত করেই প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন হয় টেরির চেলসি। শিরোপা জেতার পথে সেবার ১০৩ গোল করে কার্লো আনচেলোত্তির দল, এতে করে ১৯৬১ সালের টটেনহামের পর প্রথম দল হিসেবে ১০০ এর বেশি গোল করার রেকর্ড করে চেলসি। টেরি ছিলেন সেই লিগ জয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ, লিগের ৩৮ ম্যাচের মধ্যে খেলেছিলেন ৩৭টিই, সব মিলিয়ে সে মৌসুমে চেলসির হয়ে পঞ্চাশটিরও বেশি ম্যাচে মাঠে নেমেছেন তিনি। পুরো মৌসুমে মাত্র দুই গোল করেন, কিন্তু দুইটিই ছিল জয়সূচক গোল। প্রথমটি করেন সেই মৌসুমে রানার্স আপ দল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে, আরেকটি করেন বার্নলির বিপক্ষে। টেরির এই গোলেই মাত্র সপ্তম দল হিসেবে একই মৌসুমে লিগ ও কাপ জেতে চেলসি।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়:

২০০৮ সালে পেতে পেতেও যে স্বাদ পাননি, চার বছর পরে ২০১২ সালে এসে সেই স্বাদ পান টেরি। ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে আরাধ্য শিরোপা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের স্বাদ, সেটিও আবার অধিনায়ক হিসেবে! চেলসির অধিনায়ক হিসেবে নিঃসন্দেহে এটিই ছিল টেরির সবচেয়ে সুখকর মুহূর্ত। তবে সেই ফাইনাল পুরোটাই টেরিকে দেখতে হয় মাঠের বাইরে থেকে। বার্সেলোনার বিপক্ষে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে লাল কার্ড দেখায় ফাইনালে দর্শক হয়ে থাকতে হয় তাকে। কিন্তু অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় বায়ার্ন মিউনিখকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শিরোপা জয় নিশ্চিত হতেই দলের জার্সি গায়ে চড়িয়ে মাঠে নেমে পড়েন, সতীর্থদের সঙ্গে শিরোপা উদযাপনে মত্ত হয়ে পড়েন। টেরির দুর্ভাগ্যই বলতে হবে, এক বছর পর বেনফিকাকে হারিয়ে ইউরোপা লিগের স্বাদ পেলেও সেই ফাইনালেও মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছিল তাকে! এবার অবশ্য কার্ডের ফাঁড়ায় পড়ে নয়, হাঁটুর ইনজুরির কারণে মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি।

চেলসির সফলতম অধিনায়ক:

চেলসির ইতিহাসে মাত্র তিনজন ফুটবলারের ৭০০ এর বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়েছে, তাদের একজন জন টেরি। বাকি দু’জন হলেন রন হ্যারিস ও পিটার বনেত্তি। ১৭ বছর বয়সে চেলসির হয়ে অভিষিক্ত হওয়া টেরি প্রথমবারের মতো চেলসির অধিনায়কত্ব পান ২১ তম জন্মদিনের দুই দিন আগে, এরপর থেকে অধিনায়কত্বের আর্মব্যান্ডটিকে প্রায় নিজের সম্পত্তিই বানিয়ে নেন। চেলসি ক্যারিয়ারটা ঠিক মনের মতো শেষ না হলেও সব চেলসি সমর্থকই এক বাক্যে স্বীকার করে নেবেন, চেলসির ইতিহাসের সফলতম অধিনায়ক এই টেরিই। নিজেদের সবচেয়ে বড় হিরোকে অবশ্য বিদায়বেলায় যোগ্য সম্মানই দিয়েছে চেলসি সমর্থকেরা। ক্যারিয়ারজুড়ে ২৬ নম্বর জার্সি পরে মাঠ মাতিয়ে এসেছেন, সান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে টেরির শেষ ম্যাচের ২৬ মিনিটে তাই মাঠে উপস্থিত সকল দর্শক দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে অভিবাদন জানিয়েছেন তাকে। শেষ ম্যাচে ঠিক ২৬ মিনিটে মাঠ থেকে উঠে যাবেন, ম্যানেজারের সঙ্গে না-কি আগে থেকেই সেটা ঠিক করে রেখেছিলেন টেরি!

পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি: ২০০৫ সালে চেলসি ও ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে প্রথম ডিফেন্ডার হিসেবে জন টেরি জেতেন প্রফেশনাল ফুটবলার’স অ্যাসোসিয়েশন (পিএফএ) ফুটবলার অফ দ্য ইয়ার খেতাব। প্রিমিয়ার লিগে খেলা ফুটবলারদের ভোটে নির্বাচিত হন প্রতি মৌসুমে লিগের সেরা খেলোয়াড়। চেলসিকে নিজেদের দ্বিতীয় প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জেতানোর স্বীকৃতি হিসেবেই এই পুরষ্কার পান টেরি। এছাড়া সেই মৌসুমে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগের সেমিফাইনালেও ওঠে চেলসি, আর নিজের পারফর্ম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের সেরা একাদশে জায়গা করে নেন তিনি। ২০০৫ সালের পর ২০০৮ ও ২০০৯ সালেও চ্যাম্পিয়ন্স লীগের সেরা একাদশে জায়গা পান টেরি।

ব্লুজদের হয়ে মোট ৫ বার প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জেতার সৌভাগ্য হয়েছে টেরির। এফএ কাপও জিতেছেন সমান ৫ বার। ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে সম্মানজনক ট্রফি হিসেবে খ্যাত চ্যাম্পিয়ন্স লিগও জিতেছেন ২০১১-১২ মৌসুমে। পরের মৌসুমেই জিতেছেন উয়েফা ইউরোপা লিগও। দলগত অর্জনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত অর্জনের খাতাটাও কম ভারী নয় টেরির। ২০০০-০১ ও ২০০৫-০৬ দুই মৌসুমে হয়েছেন চেলসির বর্ষসেরা খেলোয়াড়। পিএফএ বর্ষসেরা ফুটবলারের খেতাবের কথা তো আগেই বলা হলো।

এছাড়া পিএফএ বর্ষসেরা একাদশেও জায়গা করে নিয়েছেন চারবার। ফিফার বর্ষসেরা একাদশেও ডিফেন্ডার হিসেবে জায়গা পেয়েছেন পাঁচবার। ২০০৫, ২০০৮ ও ২০০৯ সালে মোট ৩ বার ‘উয়েফা ক্লাব ডিফেন্ডার অফ দ্য ইয়ার’ পুরষ্কার পেয়েছেন। ২০০৭ থেকে ২০০৯ টানা ৩ বছর জায়গা করে নিয়েছিলেন উয়েফার বর্ষসেরা একাদশে। জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপে অসাধারণ পারফরম্যান্সের সুবাদে ২০০৬ বিশ্বকাপের অফিশিয়াল একাদশেও জায়গা করে নেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস/এসজেড

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
ফাইভ জি চালু হতেই মরল কয়েকশ পাখি!
ফাইভ জি চালু হতেই মরল কয়েকশ পাখি!
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই মারা গেছেন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই মারা গেছেন
ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
‘বিশ্ব সুন্দরী’র মুকুট পড়া হলো না ঐশীর
‘বিশ্ব সুন্দরী’র মুকুট পড়া হলো না ঐশীর
দেশের মাটিতে মাশরাফির শেষ ম্যাচ
দেশের মাটিতে মাশরাফির শেষ ম্যাচ
মৃত সাফায়েত উদ্ধার, বাবা আটক; সুরায়েত জীবিত
মৃত সাফায়েত উদ্ধার, বাবা আটক; সুরায়েত জীবিত
৭ দিনের নিচে কোন ইন্টারনেট প্যাকেজ নয়
৭ দিনের নিচে কোন ইন্টারনেট প্যাকেজ নয়
ভাইরাল জন-মিথিলা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়!
ভাইরাল জন-মিথিলা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়!
সিলেটি যুবককে বিয়ের জন্য ক্যাথলিক মেয়ের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
সিলেটি যুবককে বিয়ের জন্য ক্যাথলিক মেয়ের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
এমিরেটসের হীরায় মোড়ানো বিমান
এমিরেটসের হীরায় মোড়ানো বিমান
সোমবার রাতের মধ্যেই ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ
সোমবার রাতের মধ্যেই ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ
‘যৌন মিলন দেখিয়ে আনন্দ পাই’
‘যৌন মিলন দেখিয়ে আনন্দ পাই’
বাংলাদেশি অভিনেত্রী হিসেবে পরীই প্রথম
বাংলাদেশি অভিনেত্রী হিসেবে পরীই প্রথম
পাপ যেন পিছু ছাড়ছে না নিকের!
পাপ যেন পিছু ছাড়ছে না নিকের!
বিশ্বের আদর্শ ফিগারের নারী কেলি ব্রুক
বিশ্বের আদর্শ ফিগারের নারী কেলি ব্রুক
বিএনপির হয়ে লড়বেন পার্থ
বিএনপির হয়ে লড়বেন পার্থ
প্রভার নাচে জিতবে ঢাকা!
প্রভার নাচে জিতবে ঢাকা!
বাবার ইচ্ছাপূরণে হেলিকপ্টারে বউ তুলে আনল ছেলে
বাবার ইচ্ছাপূরণে হেলিকপ্টারে বউ তুলে আনল ছেলে
স্বামীকে আটকে স্ত্রীকে গণধর্ষণ, আটক ৬
স্বামীকে আটকে স্ত্রীকে গণধর্ষণ, আটক ৬
মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখা হতে পারে: ইসি সচিব
মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখা হতে পারে: ইসি সচিব
শিরোনাম :
কিছুক্ষণের মধ্যে ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ কিছুক্ষণের মধ্যে ঢাকা ছাড়ছেন এরশাদ খুলে দেয়া হয়েছে বন্ধ করা ৫৮ ওয়েবসাইট খুলে দেয়া হয়েছে বন্ধ করা ৫৮ ওয়েবসাইট ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ২৪টি আসনে নির্বাচন করবে জামায়াতে ইসলামী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ২৪টি আসনে নির্বাচন করবে জামায়াতে ইসলামী ১২ ডিসেম্বর টুঙ্গিপাড়া থেকে নির্বাচনী প্রচারণায় নামছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১২ ডিসেম্বর টুঙ্গিপাড়া থেকে নির্বাচনী প্রচারণায় নামছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা