মিলন হত্যা, দুই আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

ঢাকা, সোমবার   ৩০ মার্চ ২০২০,   চৈত্র ১৭ ১৪২৬,   ০৬ শা'বান ১৪৪১

Akash

মিলন হত্যা, দুই আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৬:৩১ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় কাপড় ব্যবসায়ী মিলন মিয়াকে গলাকেটে হত্যা মামলায় গ্রেফতার দুই আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এর আগে রোববার ভোরে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতার মো. শাহজাহান কলমাকান্দার রংছাতি ইউপির কালাইকান্দি গ্রামের মো. মুজিবুর রহমানের ছেলে ও বাশার ওরফে বাদশা একই ইউপির হরিণাকুড়ি গ্রামের মুনছুর আলির ছেলে।

নিহত মিলন মিয়া কলমাকান্দা উপজেলার রংছাতি ইউপির কালাইকান্দি গ্রামের মো. কালা চাঁন মিয়ার ছোট ছেলে।

মিলনকে গলাকেটে হত্যায় প্রধান আসামি মো. শাহজাহান ও  তার সহযোগী চা বিক্রেতা বাশার ওরফে বাদশা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. নজরুল ইসলাম জানান, গত শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার কলমাকান্দা সদরের রেন্টিতলা সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকা থেকে মো. শাহজাহান ও রোববার ভোরে তার সহযোগী আবুল বাশারকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন তারা। 

মিলন ও শাহজাহান তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেই রাত্রি যাপন করতেন। তাদের দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। ওই ঘটনায় ওইদিন বিকেলে কলমাকান্দা থানায় নিহত মিলনের বড় ভাই মো. শহীদুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেন। 

কলমাকান্দা থানার ওসি মো. মাজহারুল করিম রোববার সন্ধ্যায় মো. শাহজাহান ও বাশার ওরফে বাদশাকে নেত্রকোনা জেলার বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাদিকুর রহমান এর আদালতে সোর্পদ করা হয়। ৬-৭ মাস আগে হরিণাকুড়ি গ্রামের একটি বাড়িতে একজন নারীকে নিয়ে শাহজাহান এবং তার কয়েকজন বন্ধু অসামাজিক কাজের একটি ভিডিও শাহজাহানের কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে রাখে। 

শাহজাহানের অসামাজিক কাজের ভিডিও মোবাইল ফোন থেকে ডিলিট করা না করাকে কেন্দ্র করে তর্কাতর্কি হয়। এক পর্যায়ে শনিবার ভোরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় মিলনকে গলাকেটে হত্যা করে কালাইকান্দি স্কুল মোড়ে রফিকের ডোবায় ফেলে রেখে চলে যায়। 

নিহত মিলন মিয়াকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলাকেটে হত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে আদালত তাকে জেল-হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে