Alexa মিরপুরে যা আছে দেখার মতো

ঢাকা, শনিবার   ২০ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ৫ ১৪২৬,   ১৬ জ্বিলকদ ১৪৪০

মিরপুরে যা আছে দেখার মতো

ভ্রমণ ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:১৯ ২০ জুন ২০১৯   আপডেট: ১৩:২৯ ২০ জুন ২০১৯

বোটানিক্যাল গার্ডেন

বোটানিক্যাল গার্ডেন

রাজধানী ঢাকার একটি অংশ হচ্ছে মিরপুর। শহরের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশই এখানে বসবাস করে। ঢাকার অন্যান্য স্থানের মতো মিরপুরও বেশ কিছু কারণে গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবে বিবেচিত। এখানে আছে বেশ কয়েকটি ঘোরার জায়গাও। তবে বর্ষা মৌসুমে প্রায়ই মিরপুরে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। তাই এ সময়ে একটু ভেবে আসা উচিত। এই আয়োজনে মিরপুরের কয়েকটি ঘোরার জায়গার কথা বর্ণনা করা হল-

বোটানিক্যাল গার্ডেন

মিরপুরের চিড়িয়াখানা আর বোটানিক্যাল গার্ডেন পাশাপাশি অবস্থিত। বিশাল জায়গা নিয়ে অবস্থিত এই গার্ডেনে ৮২.৯ হেক্টর অংশে আছে শুধু গাছপালা। আরো আছে পুকুর খাল ও সরু রাস্তা। সরু রাস্তা ধরে এগিয়ে গেলে দেখা যাবে গোলাপ বাগান, রাস্তার পাশে আকাশমনি, শাপলাপুকুর, বাঁশঝাড়, পাদ্মপুকুর, ইউক্যালিপটাসের বাগান, গ্রিনহাউজ, ক্যাকটাসঘর ও গোলাপ বাগান। শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন খোলা থাকে বোটানিক্যাল গার্ডেন।

চিড়িয়াখানা

বোটানিক্যাল গার্ডেনের পাশেই জাতীয় চিড়িয়াখানা অবস্থিত। বিশাল এই চিড়িয়াখানার বিস্তৃতি ৯৩ হেক্টর। বিভিন্ন প্রজাতীর প্রচুর প্রাণী এখানে  মিলবে বিভিন্ন খাঁচায়। শীতকালে (অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত) সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এটি খোলা থাকলেও, গ্রীষ্মকালে (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত এটি খোলা থাকলে।

বর্ষা মৌসুমে প্রায়ই মিরপুরে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা

শহীদ বুদ্ধিজীবি কবরস্থান

১ নং মিরপুর এলাকায় গাবতলী মাজার সড়কের পশ্চিমে এর অবস্থান। শহীদদের স্মরণে লাল রং করা তিনটি থামের সমন্বয়ে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়েছে। এর চারদিকে রয়েছে পরিখা ও বাগান। বাগানের ভিতরে পায়ে চলা পথ ও বসার ব্যবস্থা রয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর

আগারগাঁওয়ে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। বাংলাদেশের সবুজ-সজল প্রকৃতির পরিচয় তুলে ধরার সঙ্গে ইতিহাস-ঐতিহ্য আর মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাথার মেলবন্ধন ঘটেছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নিজস্ব নতুন ভবনে। সামনের এই খোলা প্রাঙ্গণ যেখানে মিশেছে মূল ভবনের সঙ্গে, সেখানে সাত বীরশ্রেষ্ঠর প্রতীক প্রাচীন স্থাপত্যরীতির সাতটি স্তম্ভ।

মিরপুর-১ নম্বর বেড়িবাঁধ

মিরপুর বেড়িবাঁধে এলে হারিয়ে যেতে পারেন ট্রাফিক জ্যামমুক্ত হাইওয়েতে। দেখতে পাবেন দু’পাশে গাছের সারি, দিগন্ত বিস্তৃত খোলা প্রান্তর, দূরে সবুজ গ্রাম আর রুপালি পানির নদী। এখানে রয়েছে বিভিন্ন ভাসমান রেস্তোরাঁ এবং বিনোদন পার্ক। সেখানেও সময় কাটাতে পারেন। রয়েছে অনেক পুরনো কিছু বটগাছ। অনেক নাটকেরও শুটিংও হয় এখানে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে