মিয়ানমারের রোহিঙ্গা প্যানেলে সেক্রেটারির পদত্যাগ

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৫ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ১১ ১৪২৬,   ২০ শাওয়াল ১৪৪০

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা প্যানেলে সেক্রেটারির পদত্যাগ

 প্রকাশিত: ১৫:০১ ২১ জুলাই ২০১৮   আপডেট: ১৫:০১ ২১ জুলাই ২০১৮

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে পরামর্শ দিতে গঠিত মিয়ানমারের আন্তর্জাতিক প্যানেলের সেক্রেটারি কোবসাক চুটিকুল পদত্যাগ করেছেন। তিনি থাইল্যান্ডের সাবেক কূটনীতিক ছিলেন। এই পদত্যাগের ফলে রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে মিয়ানমার সরকারের সদিচ্ছা ও গঠিত প্যানেল আরো একবার প্রশ্নের মুখে পড়লো। রয়টার্স সূত্রে এ খবর জানা গেছে।

নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে কোবসাক চুটিকুল বলেন, গত জানুয়ারি মাসে গঠিত হওয়ার পর ছয় মাসে বিদেশি ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের এই প্যানেলকে অনেকটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখা হয়েছে। প্যানেল খুব কমই অর্জন করতে পেরেছে। এই প্যানেল গত সপ্তাহেও মিয়ানমারের রাজধানী নাইপিদোতে তৃতীয়বারের মতো মিলিত হয়েছিল।

কোবসাক জানান, গত ১০ জুলাই তিনি প্যানেলের সেক্রেটারি পদ ত্যাগ করেন। তবে এতদিন তার পদত্যাগের বিষয়টি জনসম্মুখে জানানো হয়নি। জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান কমিশনের সুপারিশ কীভাবে বাস্তবায়ন করা হয় ও কীভাবে রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসন করা যায়, সেই সম্পর্কে পরামর্শ দিতে মিয়ানমার সরকার এই প্যানেল গঠন করেছিল।

কোবসাক জানান, মিয়ানমারের পক্ষ থেকে প্যানেলকে আন্তর্জাতিক তহবিল গ্রহণ কিংবা স্থায়ী কার্যালয় স্থাপনে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছিল। এ ছাড়া প্যানেলের বৈঠক অনলাইনে চালাতে বলা হয়েছিল। মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর প্রতিনিধিরা প্যানেলের সঙ্গে বৈঠকে সম্মত হয়নি।

তিনি বলেন, তারা (প্যানেল) আসলে কী করছে? শুধু নাইপিদোতে বিলাসী ডিনার এবং এখানে-সেখানে উড়ে বেড়ানো ছাড়া কিছুই হয়নি। বিপজ্জনক বিষয় হলো, প্যানেলটি এখন ইস্যু থেকে মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে নিতে যাচ্ছে। এ কারণেই আমাকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। এছাড়া উপায় ছিলো না বলেই মনে হয়েছে আমার কাছে। 

তবে কোবসাকের এসব সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করেছেন প্যানেলের স্থানীয় সদস্য উইন মরা। তিনি মিয়ানমারের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান।

উইন মরা বলেন, প্যানেল তার কাজ ঠিক মতো চালিয়ে যাচ্ছে। সরকার আমাদের পরামর্শ বাস্তবায়ন করছে এবং সব উন্নয়ন দৃশ্যমান। কেউ যদি বলার চেষ্টা করেন যে, কোনো অগ্রগতি হয়নি- আমি বলবো, সেটা সত্য নয়। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরক