মিন্নি জড়িত থাকার ভয়ংকর তথ্য জানালেন তদন্ত কর্মকর্তা
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=120344 LIMIT 1

ঢাকা, শুক্রবার   ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ৪ ১৪২৭,   ৩০ মুহররম ১৪৪২

Beximco LPG Gas

মিন্নি জড়িত থাকার ভয়ংকর তথ্য জানালেন তদন্ত কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৯:০২ ১৮ জুলাই ২০১৯  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যার ঘটনায় মূল হত্যাকারী নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজীর সঙ্গে মিন্নিও পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির। 

বুধবার দেশের জনপ্রিয় এক সংবাদ মাধ্যমকে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন। 

তিনি বলেন, ঘটনার আগের দিন মিন্নি নয়ন বন্ডের বাড়িতে গিয়ে এই হত্যার পরিকল্পনা করে। এই হত্যাকাণ্ডের ৬ নম্বর আসামি টিকটক হৃদয় আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে এই হত্যায় আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির সংশ্লিষ্টতার কথা জানায়।

হুমায়ুন কবির বলেন, ফুটেজে মিন্নি রিফাত শরীফকে রক্ষার যে চেষ্টা করে সেখানে সে নয়নকে জাপটে ধরলেও তাকে (মিন্নি) কোনো আঘাত করেনি। এটা ছিল লোক দেখানো। ঘটনার আগের দিন এবং ঘটনার পূর্বে নয়ন বন্ডের সঙ্গে মিন্নির মুঠোফোনের আলাপ-আলোচনা থেকে এই হত্যাকাণ্ডে মিন্নির জড়িত থাকার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গেছে।

রিফাত শরীফ হত্যা মামলার এক নম্বর সাক্ষী ও নিহতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি। মঙ্গলবার মিন্নিকে প্রায় ১৩ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ এই মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ এনে তাকে রাত সাড়ে নয়টার দিকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ। পরে বুধবার দুপুরে তাকে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ডের আবেদন করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির। বিচারক পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পরের দিন রিফাত শরীফের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বরগুনা থানায় ১২ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। এছাড়া সন্দেহভাজন অজ্ঞাতনামা আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়। এ মামলার প্রধান আসামি সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ড ২ জুলাই পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। 

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ