#মিটু’ এর পর এবার #কুটু, তোলপাড় বিভিন্ন সরকারি মহলেও!

ঢাকা, বুধবার   ১৯ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ৫ ১৪২৬,   ১৪ শাওয়াল ১৪৪০

#মিটু’ এর পর এবার #কুটু, তোলপাড় বিভিন্ন সরকারি মহলেও!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১০:২৭ ১২ জুন ২০১৯  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

যৌন হেনস্থার প্রতিবাদে #মিটু আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন বিশ্বের হাজার হাজার নারী। একের পর এক অভিযোগের কারণে রীতিমতো তোলপাড় হয়েছিলো বিভিন্ন মহল। আর বিতর্কে নাম জড়িয়েছিলো বহু বিশিষ্ট ও বিখ্যাত ব্যক্তিত্বের নামও।

এবার #মিটু এর পরে এরই মতো অন্য একটি আন্দোলনে সামিল হয়েছেন ২০ হাজারেরও বেশি নারী। আর এ প্রতিবাদের নাম #কুটু (#KuToo)।

#কুটু নামের এই প্রতিবাদ আসলে হাইহিল পরে অফিসে আসার অলিখিত ‘বাধ্যতামূলক’ নিয়মের বিরুদ্ধে। আর এই আন্দোলনে সামিল হয়েছেন প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি জাপানী নারী। ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষ এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছেন।

কাজের জায়গায় পোষাকবিধিতে নারীদের এই হাইহিল পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, জাপানের বেশির ভাগ কর্পোরেট সংস্থায়। আর এই ‘ড্রেস কোড’র কারণেই প্রায়ই হাই হিল জুতো পরে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অসংখ্য নারী। 

ঘণ্টার পর ঘণ্টা হিল জুতো পরার ফলে গোড়ালি, হাঁটু, পিঠ বা মেরুদণ্ডে বিভিন্ন রোগ হচ্ছে হাজার হাজার নারীর। কাজের জায়গায় যদি পুরুষদের জুতার হিল নিয়ে কোনো বিধি-নিষেধ নেই, তাহলে নারীদের হাইহিল পরা বাধ্যতামূলক হবে কেন? কাজের জায়গায় এই লিঙ্গ বৈষম্যের বিরুদ্ধেই সরব হয়েছেন হাজার হাজার নারী। কাজের জায়গায় নারীদের হাইহিল পরা এবং তার জন্য নানান শরীরিক অসুস্থতা নিয়ে প্রথম সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হন জাপানের এক লেখিকা, ইউমি ইশিকাওয়া। নিজের অনলাইন পিটিশনে তিনি লিখেছেন, কত ক্ষণে কাজ শেষ হবে আর পা থেকে হাইহিল জুতো খোলা যাবে, এই অপেক্ষাতেই থাকেন সকলে (নারীরা)। 

‘কু টু’ আন্দোলনে সামিল হওয়া নারীদের দাবি, জুতোর সঙ্গে কাজের কী সম্পর্ক! কাজের জন্য হাই হিলের জুতো পরা বাধ্যামূলকের কোন যুক্তি নেই। তবে নারীদের এই প্রতিবাদ এখন শুধুমাত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় সীমাবদ্ধ নেই। ইতোমধ্যেই এই বিষয়টি নিয়ে জাপানের বিভিন্ন সরকারি মহলে তোলপাড় তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যেই জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিএএস