মায়ানমার দূতাবাসে স্মারকলিপি দেবে বৌদ্ধ সম্প্রদায়

ঢাকা, সোমবার   ২০ মে ২০১৯,   জ্যৈষ্ঠ ৬ ১৪২৬,   ১৪ রমজান ১৪৪০

Best Electronics

মায়ানমার দূতাবাসে স্মারকলিপি দেবে বৌদ্ধ সম্প্রদায়

 প্রকাশিত: ১৩:৫৪ ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭   আপডেট: ১৪:৩০ ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

মায়ানমারে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়। একইসঙ্গে তারা বাংলাদেশে অবস্থিত দেশটির দূতাবাসে রোহিঙ্গা নির্যাতন বন্ধ করতে একটি স্মারকলিপিও দেবেন। যার অনুলিপি বাংলাদেশে জাতিসংঘের স্থানীয় কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব দফতরেও পাঠাবেন তারা।

শুক্রবার (০৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এ সহমর্মিতা প্রকাশ করেন সর্বস্তরের বৌদ্ধ সম্প্রদায়।

মানববন্ধনটি আয়োজন করে বাংলাদেশের বৌদ্ধ সমাজ। সংগঠনটির সভাপতি শুদ্দানন্দ মহাথেরের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুখ্য সমন্বয়ক অশোক বড়ুয়া, আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ধর্মমিত্র মহাথের, বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের সভাপতি ডা. অসীম রঞ্জন বড়ুয়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতি ঢাকা অঞ্চলের সভাপতি দিপলি চন্দ্র বড়ুয়া, আশুলিয়া বিহারের অধ্যক্ষ আসীন জীন রক্ষী প্রমুখ।

অশোক বড়ুয়া বলেন, বাংলাদেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায় সব মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, অহিংসনীতি ও গৌতম বুদ্ধের সর্বজীবে দয়ার অনুসারি। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি হিংসা দিয়ে কখনো হিংসার অবসান হয় না। তাই মায়ানমার সরকার ও জনগণকে অহিংস পথে সমস্যা সমাধানের জন্য উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।

শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে এজন্য মিয়ানমার দূতাবাসে একটি স্মারকলিপি আগামী ১০ অক্টোবর দেওয়া হবে। যার অনুলিপি বাংলাদেশে জাতিসংঘের স্থানীয় কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব দফতরেও পাঠাবেন তারা।

তিনি জানান, বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের আন্তর্জাতিক সংগঠন ওয়ার্ল্ড ফেলোশিপ অব বুদ্ধিস্ট এর মাধ্যমে মায়ানমার সরকারকে এ নির্যাতন বন্ধ করার উদ্যোগ নিতে চাপও দেওয়া হবে।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের মানুষ সাম্প্রদায়িক ও হিংসাত্মক কাজ কখনও সমর্থন করেন না। ২০১২ সালে রামুসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৌদ্ধ জনগণ যে নৃশংসতার শিকার হয়েছিল, তাতে কিছু দুস্কৃতিকারী জড়িত থাকলেও এদেশের সর্বস্তরের মানুষ পাশে দাঁড়িয়েছিল। তারা এখনও আমাদের পাশেই রয়েছেন।

মায়ামানমারে রোহিঙ্গারা সংখ্যালঘু। তাদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে যে সহিংস ঘটনা ঘটছে, তা সমাধানের জন্য মানববন্ধনে মায়ানমার সরকার, জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বানও জানান তারা।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ

Best Electronics