Alexa মাসের প্রথম দিন ভোট, বিপাকে বাসা পাল্টাবেন যারা

ঢাকা, বুধবার   ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০,   ফাল্গুন ৭ ১৪২৬,   ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪১

Akash

মাসের প্রথম দিন ভোট, বিপাকে বাসা পাল্টাবেন যারা

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২২:২০ ১৮ জানুয়ারি ২০২০   আপডেট: ২২:৩৮ ১৮ জানুয়ারি ২০২০

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

পূজার কারণে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের জন্য কয়েকদিন ধরে আন্দোলন চলে আসছে। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থেকে শুরু করে রাজনৈতিক দল এবং বিভিন্ন মহলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অবশেষে ভোটের দিন পিছিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। 

শনিবার সন্ধ্যায় জরুরি বৈঠকের পর ৩০ জানুয়ারির পরিবর্তে ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত জানায় ইসি।

তবে নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছেন ঢাকায় যারা মাসের শুরুতে বাসা পরিবর্তন করতে চান তারা। এমনই একজন পলাশ মাহমুদ। পরিবার নিয়ে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় থাকেন। ১ ফেব্রুয়ারি শ্যামলীতে নতুন বাসায় ওঠার কথা তাদের। কিন্তু সিটি করপোরেশন নির্বাচন ওই দিন হওয়ায় চিন্তায় পড়েছেন পলাশ।

তিনি বলেন, ১ তারিখে বাসা পরিবর্তন করতে না পারলে বিপদ হয়ে যাবে। ৩০ তারিখে যে বাসা পাল্টাবো তারও তো উপায় নাই। যে বাসায় যাবো সেখানেও তো একটা ফ্যামিলি আছে। তারা বাসা না ছাড়লে তো যেতেও পারবো না।

১ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণের ইসির সিদ্ধান্তের সমালোচনা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও। ইসির যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এহসান জুয়েল নামে একজন লিখেছেন, ‘তারা পূজার দিনে ভোট রাখার মতো বেআক্কেলি করে সেটাতে অটল থাকতে চায়! এখন আবার সে তারিখটা পরিবর্তন করে দিয়েছে মাসের ১ তারিখ। সেদিন রাজধানীতে যে মানুষগুলো বাসা পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছেন, বাড়িওয়ালাকে এর মধ্যেই নোটিশ দিয়ে রেখেছেন (হোক সে মানুষগুলো সংখ্যায় কম), গাড়ি চলাচল না করায় তারা কিভাবে বাসা পরিবর্তন করবে? এ মানুষগুলোকে যখন তাদের বাড়িওয়ালা বের করে দেবেন, তখন কি তারা পরিবার নিয়ে রাস্তায় থাকবেন?

পুরান ঢাকার ওয়ারি এলাকার ব্যাংক কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, পূজার দিনে নির্বাচন হওয়া তো কোনোভাবেই উচিৎ না। কিন্তু তাই বলে নির্বাচন মাসের প্রথম দিন কীভাবে দিল! সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। বাড়িওয়ালাও নোটিশ দিয়ে রেখেছেন, ১ তারিখেই বাসা ছাড়তে হবে। ভাবলাম শনিবার, সরকারি ছুটির দিনেই এই ঝামেলা মিটিয়ে ফেলবো কিন্তু এখন কি করবো! 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ