মার্চের উপাত্ত, মার্চের শক্তিগুলো

ঢাকা, বুধবার   ২২ মে ২০১৯,   জ্যৈষ্ঠ ৭ ১৪২৬,   ১৬ রমজান ১৪৪০

Best Electronics

মার্চের উপাত্ত, মার্চের শক্তিগুলো

নি য় মি ত ক লা ম

 প্রকাশিত: ১৫:১৯ ১০ মার্চ ২০১৯   আপডেট: ১৫:৩৫ ১০ মার্চ ২০১৯

ফকির-ইলিয়াস--কবি-প্রাবন্ধিক-স্থায়ীভাবে-বসবাস-করছেন-নিউইয়র্কে-প্রকাশিত-গ্রন্থসংখ্যা---১৮-কমিটি-টু-প্রটেক্ট-জার্নালিস্টসএকাডেমি-অব-আমেরিকান-পোয়েটস-দ্যা-এমনেস্টি-ইন্টারন্যাশনাল-আমেরিকান-ইমেজ-প্রেস--এর-সদস্য

নিউইয়র্কে ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিনীর ১ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হলো। সেই অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। তিনি বীরাঙ্গনা ছিলেন। তার আরো অনেক পরিচয় ছিল। সব ছাড়িয়ে তিনি আমাদের প্রজন্মের অহংকারে পরিণত হয়েছিলেন।

তিনি হয়ে উঠেছিলেন আমাদের যাপিত সংগ্রামের প্রতীক। ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিনীর লেখাগুলো আমরা পড়েছি। আমার কাছে মনে হয়েছে, তিনিই আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ। তিনিই আমাদের পতাকার একটি অংশ। তিনি তার কথাগুলো আমাদের জানিয়ে গিয়েছেন। তিনি বলেছেন- ‘২৮ বছর পালাতে পালাতে নিজেকে সমাজ থেকে প্রত্যাখ্যান করলাম। কেন জানি না মনে হলো, যে দেশে মুক্তিযুদ্ধের এত বড় সাক্ষী ও নির্যাতন সহ্য করার পরও সমাজ আমার দিকে তর্জনি উঠিয়ে অপমানিত করে, লাঞ্ছিত করে সে সমাজের আমার আর প্রয়োজন রইল না। তারপর আমি চিন্তা করলাম আমি নিজে কতটুকু দায়ী, তখন সেই পরিণত বয়সটাও আমার ছিল না। যখন একটা পরিণত বয়স হলো, আমি বুঝতে পারলাম এ বিষয়ে এক বিন্দু পরিমাণ অপরাধ আমার ছিল না। নিজের সঙ্গে বোঝাপড়া করে যখন পুরো মাত্রায় আস্থাশীল হলাম আমার নিজের প্রতি, তখনই বলার সিদ্ধান্ত নিই, এদেশের নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানাতে।’

একাত্তরের ভয়াবহ ধর্ষণ সম্পর্কে একমাত্র জবানবন্দি-দানকারী সাহসিক ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী তার সাক্ষাৎকারে (একাত্তরের দুঃসহ স্মৃতি, সম্পাদনা শাহরিয়ার কবির) জানান, “রাতে ফিদাইর (উচ্চ পদস্থ পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তা) চিঠি নিয়ে ক্যাপ্টেন সুলতান, লে. কোরবান আর বেঙ্গল ট্রেডার্সও অবাঙালি মালিক ইউসুফ এরা আমাকে যশোরে নিয়ে যেত। যাওয়ার পথে গাড়ির ভেতরে তারা আমাকে ধর্ষণ করেছে। নির্মম, নৃশংস নির্যাতনের পর এক পর্যায়ে আমার বোধশক্তি লোপ পায়। ২৮ ঘণ্টা চেতনাহীন ছিলাম।’

এই বীর নারী ৬ মার্চ ২০১৮ ধরাধাম ত্যাগ করেন। এই মার্চের ৭ তারিখেই আমাদের মহান স্বাধীনতার ডাক দেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু। ১৭ মার্চ জাতির জনকের জন্মদিন। ২৬শে মার্চ আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস। তাই আমি মার্চ মাসটিকে আমাদের শক্তির উৎস বলেই মনে করি। সে কথা প্রজন্মকে বলিও।

একটি বিষয় আমাকে ভাবায়। মার্চ এলে অনেক রাজাকারও স্বাধীনতার গান গায়। এই গান তাদের নিজস্ব। লক্ষ্য করেছি, এসব রাজাকারেরা জাতীয় সঙ্গীত দিয়ে তাদের অনুষ্ঠান শুরু কিংবা শেষ করে না। তারা ধর্মীয় গজল পরিবেশন করে। বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত যিনি লিখেছেন- তিনি হিন্দু। তার গান ওরা গাইবে কেন? যারা একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধকে সম্মান করে না, যারা না না কথায় আওয়ামী লীগের সমালোচনার নামে রাজাকার আলবদরদের পারপাস সার্ভ করে তাদের মতলব অন্যখানে। এরা কখনও ই চায় না- এই দেশ মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় পরিচালিত হোক। অথচ আমরা এই সময়েও দেখছি, কিছু লেখক-সাংবাদিক আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধকে হেয় করার চেষ্টায় লিপ্ত আছে। আমরা সবাই জানি, মানুষ খুনীরা মানুষই খুন করে। ব্যাঙ মারে না। কথা সে টা নয়। কথা হচ্ছে, এইসব ধ্বজাধারী সাংবাদিকরাই আবার কিছু প্রগতিবাদী সাংবাদিকদের বন্ধু- দেশে-বিদেশে। মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে কিছু প্রগতিবাদীরাই এসব মুখোশধারি একাত্তরের দালালদের প্রেতাত্মার সাথে উঠা-বসা করেন। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ কি ইসলামী আন্দোলনের অংশ ছিল? এই প্রশ্নটি করা দরকার সেইসব দালাল রাজাকারদেরকে। তা না হলে যুদ্ধাপরাধীদেরকে তারা 'ইসলামী আন্দোলনের' খেলাফতে ভূষিত করতে চাইছে কেন ? এরা এখনও এতটা ক্ষিপ্ত যে তারা ঘাতক দালাল নির্মূল জাতীয় সমন্বয় কমিটির নামটিও পর্যন্ত বিকৃত করে লেখে।

একাত্তরের পরাজিত রাজাকার শক্তি অতীতে রাজনৈতিকভাবে কি বলেছে-তা আমাদের আরেকবার পড়া দরকার। ধর্মব্যবসায়ী জামাত নারী অধিকার ও নারী নেতৃত্ববিরোধী নানান ফতোয়া দিলেও অবশেষে মন্ত্রীত্ব নারী নেতৃত্বকেও জায়েজ করেছে। জামাতের জন্য অবশ্য এটি কোনো নতুন বিষয় নয়। ক্ষমতার ভাগ পাওয়ার জন্য ১৯৯১ সালেও সংরক্ষিত দুটি মহিলা আসনে প্রতিনিধি বসিয়ে একইভাবে নারী নেতৃত্বকে জায়েজ করেছিলো। কিন্তু বিএনপি তখন জামাতকে সন্তুষ্ট না করায় আবার নারী নেতৃত্ব মানি না, বলতে সময় লাগেনি। ২০০১ সালের নির্বাচন তথাকথিত ইসলামী রাজনীতির সোল এজেন্ট দাবিদার দল জামাত আদর্শ বিসর্জন দিয়ে সব ধরনের আপোস-মীমাংসায় পৌঁছে মসনদের ভাগিদারও হয়েছে। অবশ্য মন্ত্রিত্ব জায়েজের জন্য জামাতের আমীর সাবেক শিল্পমন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী ওরফে মইত্যা রাজাকার নতুন ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছে, “ইসলামে নারী নেতৃত্বকে অযোগ্য বলা হয়নি, আমরা নারী নেতৃত্বের জোটে যোগ দিয়েছি ইসলাম নির্মূলকারীদের হাত থেকে দেশকে হিফাযত করতে। আওয়ামী লীগ এদেশ থেকে ইসলামী মূল্যবোধের চিহ্ন মুছে ফেলে ইসলামী রাজনীতি ধ্বংস করতে চেয়েছিলো’ (দৈনিক যুগান্তর, ২৭.১০.২০০১ )।

এর আগের ঘটনা ছিল এরকম। দলীয় এক সংবর্ধনা সভায় একাত্তরের ২৫ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিত্ব গ্রহণের যৌক্তিকতা সম্পর্কে জামাতের সেদিনের বয়ান ছিল “জামাতে ইসলামী পাকিস্তান ও ইসলামকে এক ও অভিন্ন মনে করে। ...কাজেই পাকিস্তান যদি না থাকে, তাহলে জামাতের কর্মীরা দুনিয়ায় বেঁচে থাকার কোন সার্থকতা মনে করে না।”(দৈনিক সংগ্রাম, ২৬.৯.১৯৭১)। জামাতের দুই প্রধান নেতা সম্পর্কে বাংলাদেশের মানুষ ভালোই জানেন।

একাত্তরে  নিজামি ও মুজাহিদ দু’জনই ছিলো জামাতের ছাত্র সংগঠন তথাকথিত ইসলামী ছাত্রসংঘের শীর্ষস্থানীয় নেতা। মাওলানা নিজামী ছিলো পাকিস্তান (পাকিস্তানের উভয় অংশের) ছাত্রসংঘের (বর্তমান ছাত্রশিবির) সভাপতি। আর আলী আহসান মুজাহিদ পূর্ব-পাকিস্তান ছাত্রসংঘের সভাপতি। আজকের মতো মিলেমিশে দুই নেতা সেদিন মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই এর বিপক্ষে অবস্থান নেয়। দলে দলে তরুণ-যুবকরা সেদিন মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিলেও সেদিনের এই দুই তরুণ মুক্তিযুদ্ধ বিনাশ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের নিধনে আত্মনিয়োগ করেছিল। দুই সভাপতির নেতৃত্বে গড়ে উঠে ঘাতক ‘আল-বাদর বাহিনী’। এটি ছিলো মূলত ছাত্রসংঘের একটি আর্মস ক্যাডার বাহিনী। যদিও এই বাহিনী গো, আযমের সার্বিক নির্দেশে কাজ করতো কিন্তু এ প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে ছিল মাওলানা নিজামী। সে এই বাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং মুজাহিদ ছিলো প্রধান সংগঠক। আল-বাদর বাহিনীর উদ্দেশ্য ছিলো পরিষ্কার। স্বাধীনতাকামীদের খুঁজে বের করা এবং হত্যা করা। এর উদ্দেশ্য সামনে রেখে মুক্তিযুদ্ধে অসংখ্য মানুষ হত্যা ছাড়াও স্বাধীনতার উষালগ্নে ঢাকাসহ সারাদেশে জঘন্য হত্যাযজ্ঞে অংশ নেয় এই ঘাতক বাহিনী।

অবশ্য জামাত পরে তা অস্বীকার করা শুরু করে। ১৯৯১ সালের ডিসেম্বর মাসে ‘আজকের কাগজ’-এ তৎকালীন জামাতের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা নিজামী দাবি করে যে, “জামাত নয়, আওয়ামী লীগই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছে” (দৈনিক আজকের কাগজ, ১৫.১২.৯১)।

এরকম প্রমাণ অনেক দেয়া যাবে। ‘বদর দিবস: পাকিস্তান ও আল-বদর’ শিরোনামে নিজামী তার লেখায় বলে যে, “আমাদের পরম সৌভাগ্যেই বলতে হবে পাক সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় এদেশের ইসলামপ্রিয় তরুণ সমাজ বদর যুদ্ধের স্মৃতিকে সামনে রেখে আল-বদর বাহিনী গঠন করেছে। বদর যুদ্ধে মুসলিম যোদ্ধাদের সংখ্যা ছিলো তিন শত তের। এই স্মৃতিকে অবলম্বন করে তারাও ৩১৩ জন যুবকের সমন্বয়ে এই ইউনিট গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমাদের বিশ্বাস সেদিন আর খুব বেশি দূরে নয় যেদিন আল-বাদরের তরুণ যুবকেরা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর পাশাপাশি দাঁড়িয়ে হিন্দুবাহিনীকে পর্যুদস্ত করে হিন্দুস্তানের অস্তিত্বকে খতম করে সারাবিশ্বে ইসলামের পতাকা উড্ডয়ন করবে। আর সেদিনই পূরণ হবে বিশ্ব মুসলমানদের অপূর্ণ আকাঙ্খা” (দৈনিক সংগ্রাম, ১৪-১১-১৯৭১ )। ৭১ এর ডিসেম্বরের ৩ তারিখে চূড়ান্ত যুদ্ধ শুরু হলে নিজামী ও তার সুযোগ্য সহকর্মী মুজাহিদও পাকিস্তান টিকিয়ে রাখার শেষ প্রচেষ্টা চালায়। ১, ৩, ৪ ডিসেম্বর পর পর তিন দিন ছাপা হয় দৈনিক সংগ্রামে নিজামীর 'হিন্দুস্তানি হামলার পটভূমি ও আমাদের দায়িত্ব’ শীর্ষক নিবন্ধ। ৪ ডিসেম্বর সে নিবন্ধে লেখে, তথাকথিত স্বাধীন বাংলা আন্দোলনের নামে ভারতের পোষ্যপুত্ররা (স্বাধীনতাকামী ও মুক্তিযোদ্ধা) ৫৬ হাজার বর্গমাইলের এই ভূখণ্ড পূর্ব-পাকিস্তানকে কৌশলে ভারতের হাতে তুলে দিতে চেয়েছিলো। সহজে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত না হওয়ায় এবার ভারত ভেতরে সশস্ত্র অনুপ্রবেশকারী পাঠিয়ে এবং বাইরে থেকে সর্বাত্মক হামলা চালিয়ে পুর্ব-পাকিস্তানকে গ্রাস করার শেষ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে” (দৈনিক সংগ্রাম, ৪-১২-৭১ )। একই দিনে হানাদার হিন্দুস্তানী বাহিনীর হামলার দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়ার জন্য মুজাহিদ পাকিস্তানী বাহিনীকে অভিনন্দন জানায়। সে পাকিস্তান সরকারকে প্রতিশ্রুতি দেয়, ছাত্র সমাজ ইস্পাতকঠিন শপথ নিয়ে পাকিস্তানী বাহিনীর পাশাপাশি লড়ে যাবে। (দৈনিক সংগ্রাম, ৫-১২-৭১ )।

কাদের মোল্লাকে যারা তাদের আলোর বাতিঘর বলছিল, এরা কারা ? কি তাদের আসল পরিচয়? কখনও ফ্রিডম পার্টির ক্যাডার, কখনও রাজাকাদের এজেন্টদের কেউ কেউ এখন নিউইয়র্কে। এরা আবার সাংবাদিকদেরও মুরুব্বি। কি দুর্ভাগ্যজনক এই অভিবাসী সমাজের। ছি ! এসব প্রতিক্রিয়াশীলদের নসিহত আর মিথ্যে সাক্ষ্যবাণী ও আমাদেরকে শুনতে হচ্ছে ! একই অবস্থা বাংলাদেশেও। প্রেসক্লাব, আইনজীবী সমিতি, শিক্ষক সমিতি, প্রকৌশলী সমিতি, চিকিৎসক সমিতিসহ উচ্চ আয়ের পেশাজীবীদের কেউ কেউ যখন মহান স্বাধীনতার মূল্যবোধকে পদদলিত করে মিথ্যার বেসাতি ছড়ান- তখন সাধারন মানুষ দ্বিধাগ্রস্থ না হয়ে পারেনা। এই প্রজন্মের মাঝে স্বাধীনতার প্রকৃত মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা তাই আজ জরুরী বিষয়। নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত না হলে দেশপ্রেম প্রতিষ্ঠা হয় না। আর দেশপ্রেম প্রতিষ্ঠিত না হলে দেশের কল্যাণে কাজ করার মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় না।  বাঙালি জাতির স্বাধীনতার স্বপ্ন ছিল। স্বাধীনতা এসেছে। কিন্তু পরাজয়ের মৌন ধারাবাহিকতায় ক্রমশ ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে সেই স্বপ্নসৌধ। বলতে দ্বিধা নেই যদি ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক নেতা কিংবা নেত্রী কঠোর হয়ে বাংলাদেশের হাল ধরতেন তবে আজকের প্রেক্ষাপট ভিন্ন রকম হতো। শেখ মুজিব সেই পথই দেখিয়েছিলেন জাতিকে। বাঙালির সামনে এখন আর বিশেষ কোনো স্বপ্ন গন্তব্য নেই। শুধু আছে একটি পরিশুদ্ধ, ইতিহাস অন্বেষী প্রজন্ম গঠনের প্রত্যয়। যারা সত্যের ওপর শক্তিশালী বুক নিয়ে দাঁড়াবে। বাঙালি জাতি যদি এই স্বপ্নটি পূরণেও ব্যর্থ হয় তবে জাতির যাযাবরত্ব আরো দীর্ঘায়িত হতে পারে। স্বপ্ন এখন একটিই এই প্রজন্ম জাগবে। সেই জাগ্রত বিবেকই শাণিত করবে আমাদের জাতীয়তাবাদের একান্ত অহংকার।

মার্চ মাস আমাদের উপাত্তের ধারাবাহিকতা। এই উজ্জ্বল উত্তরাধিকার সমুন্নত রাখতে হবে সঠিক ইতিহাসের আলোয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর

Best Electronics