Alexa মামলা দেয়ায় পুলিশের নাক ফাটালেন দুই মোটরসাইকেল আরোহী

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১৮ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ৩ ১৪২৬,   ১৪ জ্বিলকদ ১৪৪০

মামলা দেয়ায় পুলিশের নাক ফাটালেন দুই মোটরসাইকেল আরোহী

নিউজ ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২২:৫৯ ৯ জুলাই ২০১৯   আপডেট: ২৩:০৩ ৯ জুলাই ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

মামলা দেয়ায় পুলিশের নাক ফাটালেন দুই মোটরসাইকেলচালক আরোহী। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর শ্যামলীতে এ ঘটনা ঘটে। 

শ্যামলীর ১ নম্বর রোডে দায়িত্ব পালন করছিলেন সার্জেন্ট কামরুল ও কনস্টেবল রোকন। তখন কামরুল মোটরসাইকেলের মালিকানা পরিবর্তন না করায় ৩৭ ধারায় একটি মামলা করেন।

মামলা দিলে সার্জেন্টকে দেখে নেয়ার হুমকি দেন সজীব ও ইয়াসিন। তখন সার্জেন্ট কামরুল তাদের চলে যেতে বললে সজীব ও ইয়াসিন হঠাৎ কনস্টেবল রোকনের হাত থেকে লাঠি নিয়ে সার্জেন্ট কামরুল ও কনস্টেবল রোকনকে পেটাতে থাকেন এবং কিল ঘুষি মারতে থাকেন। এতে করে একজনের নাক ফেটে রক্ত পড়তে দেখা যায় এবং দুজনেই আহত হন।

এ সময় স্থানীয় জনগণ ও পুলিশ মিলে তাদের দুজনকে আটক করে শেরেবাংলা নগর থানায় নিয়ে আসে। পরে পুলিশ সার্জেন্ট ও কনস্টেবলকে উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সার্জেন্ট কামরুল বলেন, আমি প্রতিদিনের মতো আজকেও শ্যামলীতে ডিউটি পালন করছিলাম। একটি মোটরসাইকেলকে আমি সিগনাল দিই। তার মালিকানা না থাকায় তাকে একটি মামলা দিই। তখন তিনি আমাকে বিভিন্ন হুমকি দেন এবং আমার ডিসির কাছে বিচার দেবে বলে হুমকি দেন। আমি বলি আপনি যা পারেন করেন।

পরে আমার মুখে থাকা মাস্ক টেনে খুলে ফেলে ইয়াসিন। এরপর আমাকে লাঠি দিয়ে ও কিল ঘুষি দিতে থাকেন। আমার পোশাক ছিড়ে ফেলেন। আমার কনস্টেবলকে ঘুষি দিয়ে নাক ফাটিয়ে দেন। ওদের সঙ্গে আরো একজন ছিল সে মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়।

কনস্টেবল রোকন বলেন, মামলা দেয়ার পর দেখি স্যারের সঙ্গে কথাকাটাকাটি করছে। আমি কাছে আসতেই আমার হাত থেকে লাঠি নিয়ে স্যারকে ও আমাকে মারতে শুরু করেন তারা।

মোহাম্মদপুর জোনের ট্রাফিক এসি কেএম শহিদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, দুজনকে আটক করে শেরেবাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় সার্জেন্ট কামরুল বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন।

ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ