Alexa মামলা করলে পাল্টা ব্যবস্থা নেবে রিজাল ব্যাংক

ঢাকা, বুধবার   ১৬ অক্টোবর ২০১৯,   কার্তিক ২ ১৪২৬,   ১৭ সফর ১৪৪১

Akash

মামলা করলে পাল্টা ব্যবস্থা নেবে রিজাল ব্যাংক

 প্রকাশিত: ১১:৩৬ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশনের (আরসিবিসি) বিরুদ্ধে মামলা হলে, পাল্টা ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ব্যাংকটির এক বিবৃতির বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে দেশটির সংবাদমাধ্যম ইনকোয়ারার।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিজার্ভ চুরির ঘটনায় রিজালের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংক যদি মামলা করে; তবে রিজালও বসে থাকবে না। আইনী পদক্ষেপ নেয়ার ব্যাপারে তাদেরও সব ধরণের প্রস্তুতি রয়েছে।

রিজাল ব্যাংক বলছে, এই ঘটনা সংশ্লিষ্ট কোনো তদন্ত প্রতিবেদন বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের আদালতে পেশ করেনি। আদালতের নির্দেশ ছাড়া তারা আর কোনো তথ্য দেবে না।

যদি বাংলাদেশ তাদের ওই সব প্রতিবেদন আদালতে পেশ না করে, তবে আরসিবিসি থেকে চুরি যাওয়া অর্থের তথ্য পেতে ভূগান্তি হবে।

রিজাল ব্যাংক আবারো অভিযোগ করেছে, অর্থ পাচারে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভেতরের কেউ জড়িত আছে। অথচ সেই বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কিছু বলছে না।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অর্থ চুরির সঙ্গে কারা জড়িত, সে সংক্রান্ত তথ্য আড়াল করা হচ্ছে।

২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে সুইফট কোডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রায় ১০১ মিলিয়ন ডলার চুরি করে নেয় দুর্বৃত্তরা। এর মধ্যে ২ কোটি ডলার শ্রীলংকায় এবং ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চলে যায় ফিলিপাইনের জুয়ার আসরে। ঘটনার প্রায় একমাস পর ফিলিপাইনের একটি পত্রিকার মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারে বাংলাদেশ। বড় ধরনের রদবদল করা হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষপর্যায়ে।

পরে বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা মানি লন্ডারিং আইনে ১০১ মিলিয়ন ডলার চুরির অভিযোগে ১৫ মার্চ (২০১৬) মতিঝিল থানায় একটি মামলা করেন। সিআইডিকে দেয়া হয় মামলা তদন্তের দায়িত্ব। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সিআইডি এ পর্যন্ত ২০ বার আদালতের কাছে সময় চেয়েছে।

চুরি যাওয়া অর্থের মধ্যে এখন পর্যন্ত ফেরত এসেছে ১ কোটি ৪৫ লাখ ৪০ হাজার ডলার। বাকি ৬ কোটি ৬৪ লাখ ডলার ফেরত পাওয়া যায়নি।

এদিকে এ ঘটনায় ফরাসউদ্দিনের নের্তৃত্বে সরকার গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশিত হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর ফজলে কবির বলছেন,সরকারী তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ না হওয়ায়,ব্যাংকের কাউকে দায়ী করা যাচ্ছে না।

গত বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়,চুরি যাওয়া অর্থ ফেরত আনতে রিজাল ব্যাংকের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ১০ থেকে ১২টি দেশের প্রতিষ্ঠানকে মামলায় অভিযুক্ত করা হবে বলে জানায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

ডেইলি বাংলাদেশ/এলকে/জেডআই