Alexa ‘মানুষ যাতে আইন মানে সেজন্যই জরিমানা বৃদ্ধি’

ঢাকা, রোববার   ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ৩০ ১৪২৬,   ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১

‘মানুষ যাতে আইন মানে সেজন্যই জরিমানা বৃদ্ধি’

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২৩:৪২ ১৮ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ০০:০০ ১৯ নভেম্বর ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সড়ক পরিবহন আইন প্রসঙ্গে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, মানুষ যেন আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয় এবং আইন মেনে চলে সেজন্যই শাস্তি এবং জরিমানা বাড়িয়ে নতুন আইন করা হয়েছে। 

সোমবার দুপুরে মোহাম্মদপুরের আসাদ অ্যাভিনিউতে অবস্থিত গ্রিন হেরাল্ড স্কুলের সামনে সড়ক সচেতনতা বিষয়ক এক প্রচারাভিযানে তিনি এসব কথা বলেন।

চলচ্চিত্র অভিনেতা ও ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ এর প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চন এ প্রচারাভিযানে যোগ দেন।

প্রচারাভিযানে ট্রাফিক আইন মেনে চলার বিষয়ে তারা পথচারী ও গাড়িচালকদের প্রচারপত্র বিতরণ করেন এবং ট্রাফিক সিগনাল মেনে চলার বিষয়ে চালকদের পরামর্শ ও নির্দেশনা দেন।

আসাদ এভিনিউয়ে গ্রীন হেরাল্ড স্কুলের সামনে ডিএনসিসি কর্তৃক স্থাপিত পুশ-বাটন চেপে সড়ক পার হওয়ার জন্য মেয়র পথচারী ও গাড়িচালকদের কাউন্সেলিং করেন। এ সময় সিগন্যাল পয়েন্টে দাঁড়িয়ে পথচারীদের সচেতন করতে চার ধরনের লিফলেট বিতরণ করেন ডিএনসিসি মেয়র। এর মধ্যে চালকের জন্য বাংলা ও ইংরেজিতে লেখা দুই ধরনের, পথচারীদের জন্য এক ধরনের এবং ট্রাফিক আইন ও দণ্ডসমূহ সম্পর্কে অবগত করতে আরেক ধরনের লিফলেট বিতরণ করা হয়।

প্রচারাভিযানে মেয়র সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় কেউ আইন ভঙ্গ করে না। কারণ সেখানে আইন ভঙ্গ করলে বড় ধরনের জরিমানা ও শাস্তি পেতে হয়। কিন্তু একই চালক ক্যান্টনমেন্টের বাইরে আসলে আইন অমান্য করে‌। ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় এক ধরনের আচরণ এবং বাইরে আরেক ধরনের আচরণ হতে পারে না। এমন কর্মকাণ্ড থেকে জনগণকে বিরত থেকে আইন মেনে চলতে আহ্বান জানিয়েছেন।

ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে হলে আমাদের এ বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিতে হবে। এক সময় আমাদের দেশে সিনেমার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না। এখন এর উন্নতি হচ্ছে, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিষয়ে কোর্স চালু আছে। আমাদের দেশে এখন ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা চালু করতে হবে। রাস্তায় শুধু ট্রাফিক থাকলে হবে না। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ার থাকতে হবে। তাহলে সুস্থ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা হবে।

প্রচারাভিযানে ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম রতন, ডিএনসিসির ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের কর্মকর্তারাসহ পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এস.আর/আরএ