Alexa মানুষের হাতে বই দিতে হবে: পারভিন রেজা

ঢাকা, শনিবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯,   আশ্বিন ৬ ১৪২৬,   ২১ মুহররম ১৪৪১

Akash

মানুষের হাতে বই দিতে হবে: পারভিন রেজা

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:৪০ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ২১:৪৪ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

পারভিন রেজা। ফাইল ছবি

পারভিন রেজা। ফাইল ছবি

সমাজ পরিবর্তনে বইয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিটি মানুষের হাতে বই তুলে দিতে হবে। তাহলেই সমাজ থেকে সব ধরনের কলুষতা দূর হয়ে যাবে বলে মনে করেন লেখক পারভিন রেজা।

গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিমের স্ত্রী লেখক পারভিন রেজা ডেইলি বাংলাদেশকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই বলেন।

দীর্ঘ সময় ধরে লেখালেখির সঙ্গে সম্পৃক্ত তিনি। ১৯৯৯ সালে প্রকাশিত হয় লেখকের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘নীহারিকা’। এরপর প্রকাশিত হয়েছে নাটক, প্রবন্ধ, ছোটগল্পের বই। এবার বইমেলায় এসেছে তার নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ডাকাতিয়া জয়+পদ্মপাতা’।
 
এ সময় লেখালেখি নিয়ে তার ভবিষ্যত চিন্তা-ভাবনার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি একজন নারী। আমি যখন খুব ছোট তখন আমার মা মারা যান। তখন নিজের কষ্ট লুকানোর জন্য আমি লেখা-লেখি শুরু করি। কিন্তু এখন লেখালেখি করি নিজেকে এগিয়ে নেয়ার জন্য। 

লেখালেখি নিয়ে আপনি কতদূর যেতে চান?

প্রতিটি মানুষ অনেক স্বপ্ন দেখেন। আমিও দেখি। লেখালেখি নিয়ে আমার স্বপ্ন; একজন লেখক হিসেবে যতদূর গেলে স্বপ্ন পূরণ হতে পারে, আমি সেই পর্যন্ত যেতে চাই। 

কবে, কখন আপনি লেখক হয়ে উঠলেন?

ক্লাস ফোরে পড়ার সময় আমার মা মারা যায়। তখন আমার ছোট ছোট ভাই-বোন। আমি বড় বোন হিসেবে তাদের দেখভাল করতাম। ওই সময় আমার মন ভালো করার জন্য আব্বা বই পড়তে বলতেন। বিভিন্ন বই কিনে দিতেন। তখন ঐ লেখকদের লেখা পড়ে আমিও লেখালেখি শুরু করি। ক্লাস ফাইভে পড়ার সময় আমার প্রথম কবিতা প্রকাশ পায়। খুলনাতে দৈনিক অর্ণিবাণ পত্রিকায় প্রকাশিত সেই কবিতার নাম ‘একটু সঙ্গ দিতে’।

আপনার লেখক হওয়ার পেছনের অনুপ্রেরণা কে?

আমার আব্বা। বিয়ের পর আমার স্বামী শ ম রেজাউল করিম। তারই অনুপ্রেরণায় ১৯৯৯ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘নীহারিকা’। 

আপনার লেখাতে কোন বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়?

যা আমার মনকে স্পর্শ করে, তাই আমার লেখাতে প্রকাশ পায়। মনকে আন্দোলিত করে এমন সব কিছুই আমার ভালো লাগে। যেই লেখা আমার মনকে ভাবায়, তাই প্রকাশ পায়। যে বিষয় আমাকে আকৃষ্ট করে, তাই আমি লিখি। নাটক, প্রবন্ধ, ছোটগল্প, কবিতা সবই লেখার চেষ্টা করি। 

পাঠকদের সম্পর্কে বলুন?

আমার পাঠকরা অনেক আন্তরিক। কারো কাছ থেকে বিরূপ আচরণ পাইনি। পাঠকের সুদৃষ্টি রয়েছে নতুন-পুরাতন লেখকদের প্রতি, লেখার প্রতি। আর পাঠকরা আছেন বলে এখনো লেখকরা প্রাণের বইমেলায় মিলিত হন।

সমাজ পরিবর্তনে বইয়ের কি ভূমিকা রয়েছে?

সমাজ পরিবর্তনের বইয়ের ভূমিকা প্রয়োজন। প্রতিটি মানুষের হাতে বই তুলে দিতে হবে। তাহলেই সমাজ থেকে সব ধরনের কলুষতা দূর হয়ে যাবে।

এ পর্যন্ত আপনার কি কি লেখা প্রকাশিত হয়েছে? 

১৯৯৯ সালে নীহারিকা(কাব্যগ্রন্থ), ২০১০ সালে এবং যুদ্ধ (নাটক) , ২০১১ সালে ডানা ভাঙ্গা পাখি (কাব্যগ্রন্থ), ২০১৫ সালে প্রিয়জন (গল্পগ্রন্থ), ২০১৬ সালে প্রিয় শিমুল কাব্যগ্রন্থ, ২০১৮ সালে নোনাজল কাব্যগ্রন্থ, ২০১৯ সালে ডাকাতিয়া জয়+পদ্মপাতা কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/টিএ/জেডআর