মানুষের মাংস যখন মানুষেরই খাদ্য!
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=127473 LIMIT 1

ঢাকা, সোমবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ৭ ১৪২৭,   ০৪ সফর ১৪৪২

২য় পর্ব 

মানুষের মাংস যখন মানুষেরই খাদ্য!

মেহেদী হাসান শান্ত  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১১:১১ ২০ আগস্ট ২০১৯   আপডেট: ১১:১২ ২০ আগস্ট ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

প্রাণীজগতের সবচেয়ে সভ্য প্রজাতি বলে পরিচিত মানুষ। আর তাদের মধ্যেই শত শত বছর ধরে স্বজাতির মাংস খাওয়ার রীতির প্রচলন ছিল। এ তথ্যটি হজম করতে অনেকেরই হয়তো বেশ কষ্টই হবে। 

তবে প্রথম পর্বে ইতিহাসের পাতা থেকে এমনই কিছু গা ঘিনঘিনে অধ্যায় তুলে ধরা হয়েছিলো। যেখানে মানুষ চিকিৎসার জন্য অথবা নিছক সামাজিক আচার হিসেবে মৃত কিংবা জীবিত মানুষের মাংস ভক্ষণ করছে। 

নিয়ারনডারথাল ও আধুনিক মানুষের মধ্যবর্তী প্রজাতি ছিলো ‘হোমো’ গোত্রীয় মানুষেরা। হোমোরাই হলো মানুষের সবচেয়ে কাছের পূর্বপুরুষ। অন্যান্য খাবারের উৎস পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও তারা নিয়মিত মানুষের মাংস ভক্ষণ করত। 

মাঝে মাঝে শত্রুপক্ষের মানুষ ধরে নিয়ে এসে ‘ক্যানিবালিজম ফিস্ট’ এর আয়োজন করত! প্রতিপক্ষের একজন মানুষ বন্দী করে এনে গ্রিল করার জন্য আগুনের ওপর বেঁধে রাখা হতো। তারপর তাকে ঘিরে  সবাই নৃত্য-গীতে মেতে উঠত। 

মানবসভ্যতার সূচনা লগ্নে মানুষ ও তার পূর্বপুরুষ নিয়ানডারথালরা একসঙ্গেই বসবাস করত। তারা একে অপরের সঙ্গে যৌন মিলনেও আবদ্ধ হতো। আবার তারা খাওয়া-দাওয়া করত। সেইসঙ্গে মাঝে মাঝে একে অপরকেও ভক্ষণ করত! 

২০১১ সালে প্লাস ওয়ান জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউরোপে আজ থেকে প্রায় ৩২ হাজার বছর আগে সামাজিক প্রথা হিসেবে ক্যানিবালিজম চালু ছিল। তখন মৃত মানুষের শেষকৃত্য সম্পাদন করতেই মৃতদেহ খাওয়া হতো।  তবে জীবিত মানুষকে খাওয়ার রীতি ছিল না। 

প্রাচীনকাল থেকে মধ্যযুগের সূচনা পর্যন্ত মানুষ সাধারণত পুষ্টি চাহিদা পূরণের জন্যই মানুষের মাংস খেত। মধ্যযুগে মানুষের মাংস মানুষ খাওয়ার পেছনে প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায় চিকিৎসা। প্রথম পর্বে আমরা যে ‘মামিয়া’ এর কথা উল্লেখ করেছিলাম; সেটি এর উদাহরণ। 

মৃতদেহকে ওষুধ হিসেবে ব্যবহারের রেওয়াজে ভাটা পড়ে ষোড়শ শতাব্দীতে। কিন্তু অষ্টাদশ শতাব্দী পর্যন্ত কিয়দাংশ হলেও এ রীতি চালু ছিল। এমনকি আজকের দিনেও আফ্রিকার কিছু কিছু এলাকায় এর চেয়েও বর্বর পদ্ধতিতে ক্যানিবালিজমের চর্চা চালু রয়েছে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস