মাটি খেকোর কবলে ফসলি জমি

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৮ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ৬ ১৪২৬,   ১৩ শাওয়াল ১৪৪০

মাটি খেকোর কবলে ফসলি জমি

নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ১১:২৪ ১২ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১১:২৪ ১২ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে দীর্ঘদিন ধরে ফসলি জমি থেকে অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু তুলছেন মাটি খেকো বাবুল মিয়া। উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউপির শ্রীরামপুরের কবির আহম্মেদের ছেলে বাবুল।

বাবুলের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বালি কিনে হাসুনপু-বাংগড্ডা সড়কের পাশে শ্রীরামপুর গ্রাম নিজ পুকুর ভরাট করছেন গ্রাম্য ডাক্তার রফিক মিয়া।

২০১০ সালের বালুমহাল আইনে, বিপণনের উদ্দেশ্যে কোনো উন্মুক্ত স্থান, চা-বাগান ছাড়া ধানি জমির তলদেশ থেকে বালু বা মাটি না তোলার নির্দেশনা থাকলেও তা মানছে না বাবুল মিয়া।

অবৈধ ড্রেজার মেশিনের মালিক আলিপুর গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে শামছুল হক বলেন, প্রতি ফুট আট টাকার বিনিময় বালু তোলা হচ্ছে। বাবুল ভাই এর সঙ্গে কথা হয়েছে এই পুকুর ভরাটের জন্য। পুকুর ভরাট করতে কতো দিন লাগবে এমন প্রশ্নের জবাবে সে বলে প্রায় ২৫ দিনের মতন লাগবে। ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু তোলা অন্যায় জেনেও পরিবার ও পেটের দায়ে সে এ কাজ করছে।

বাবুল মিয়ার বলেন, আমার জায়গা থেকে আমি বালু তুলছি আপনারা যা পারেন লেখেন। কিছুই যায় আসে না।

বালু ক্রেতা রফিক (ডাক্তার) বলেন, টাকা দিয়েছি বালু দিয়ে পুকুর ভরাট করবে। কোন যায়গা থেকে বালু তুলে এ পুকুর ভরাট করবে এটা তার ব্যাপার।

এ অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে আশপাশের ফসলী জমি, বসত ঘর, সড়ক হুমকির মুখে রয়েছে। অন্যদিকে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংকা বাড়ছে।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু তোলায় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায়  এই উপজেলায় ড্রেজার দিয়ে বালু তোলা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সোহেল রানা বলেন, ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু তোলা নিষেধ। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস