মহা ঔষধ তেলাকুচার পাতা 
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=114742 LIMIT 1

ঢাকা, বুধবার   ১২ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৯ ১৪২৭,   ২২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

মহা ঔষধ তেলাকুচার পাতা 

স্বাস্হ্য ও চিকিৎসা ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:২৫ ২৫ জুন ২০১৯  

তেলাকুচা পাতা, ফুল ও ফল। (ছবি সংগৃহীত)

তেলাকুচা পাতা, ফুল ও ফল। (ছবি সংগৃহীত)

সবজি হিসেবে তেলাকুচা পাতা আমাদের কাছে খুবই প্রিয়। এ পাতার গুণাগুণ থেকেই সকলের কাছে এই ভালো লাগা। 

আর তাই আজ আমরা জেনে নেবো তেলাকুচা পাতার ঔষধি গুণ এবং উপকারীতা সম্পর্কে-

ডায়াবেটিস: ডায়াবেটিস হলে তেলাকুচার কান্ডসহ পাতা ছেঁচে রস তৈরি করে আধাকাপ পরিমাণ প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে খেতে হবে। তেলাকুচার পাতা রান্না করে খেলেও ডায়াবেটিস রোগে উপকার হয়।

জন্ডিস: জন্ডিস হলে তেলাকুচার মূল ছেঁচে রস তৈরি করে প্রতিদিন সকালে আধাকাপ পরিমাণ খেতে হবে।

পা ফোলা রোগে: গাড়িতে ভ্রমণের সময় বা অনেকক্ষণ পা ঝুলিয়ে বসলে পা ফুলে যায় একে শোথ রোগ বলা হয়। তেলাকুচার মূল ও পাতা ছেঁচে এর রস ৩-৪ চা চামচ প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে খেতে হবে।

শ্বাসকষ্ট: বুকে সর্দি বা কাশি বসে যাওয়ার কারণে শ্বাসকষ্ট (হাপানি রোগ নয়) হলে তেলাকুচার মূল ও পাতার রস হালকা গরম করে ৩-৪ চা চামচ পরিমাণ ৩ থেকে সাত দিন প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে খেতে হবে।

তেলাকুচা পাতা, ফুল ও ফলতেলাকুচা পাতা, ফুল ও ফল। (ছবি সংগৃহীত)

কাশি: শ্লেস্মাকাশি হলে শ্লেস্মা তরল করতে এবং কাশি উপশমে ৩-৪ চা চামচ তেলাকুচার মূলও পাতার রস হালকা গরম করে আধা চা-চামচ মধু মিশিয়ে ৩ থেকে ৭ দিন প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে খেতে হবে।

শ্লেম্মাজ্বর: শ্লেষ্মাজ্বর হলে ৩-৪ চা চামচ তেলাকুচার মূলও পাতার রস হালকা গরম ২-৩ দিন সকাল- বিকেল খেতে হবে। এ ক্ষেত্রে তেলাকচুর পাতার পাটায় বেটে রস করতে হবে।

স্তনে দুধ স্বল্পতা: সন্তান প্রসবের পর অনেকের স্তনে দুধ আসে না বা শরীর ফ্যাকাশে হয়ে যায়। এ অবস্থা দেখা দিলে ১টা করে তেলাকুচা ফলের রস হালকা গরম করে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে তেলাকচুর পাতা একটু তিতে হওয়ায় পরিমাণমত সকাল-বিকেল ১ সপ্তাহ খেতে হবে।

ফোঁড়া ও ব্রণ: ফোড়া বা ব্রণ হলে তেলাকুচা পাতার রস বা পাতা ছেঁচে ফোঁড়া ও ব্রণে প্রতিদিন সকাল-বিকেল ব্যবহার করতে হবে।

আমাশয়: প্রায়ই আমাশয় হতে থাকলে তেলাকুচার মূল ও পাতার রস ৩-৪ চা চামচ ৩ থেকে ৭ দিন প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে খেতে হবে।

স্তন্য হীনতায়: মা হলেও স্তনে দুধ নেই। এদিকে শরীর ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। এক্ষেত্রে কাঁচা সবুজ তেলাকুচার ফলের রস একটু গরম করে ছেঁকে তা থেকে এক চা চামচ রস নিয়ে ২/৫ ফোঁটা মধু মিশিয়ে সকালে ও বিকেলে ২ বার খেলে ৪/৫ দিনের মধ্যে স্তনে দুধ আসবে।

অরুচিতে: সর্দিতে মুখে অরুচি হলে তেলাকুচার পাতা একটু সিদ্ধ করে পানিটা ফেলে দিয়ে ঘি দিয়ে শাকের মত রান্না করেতে হবে। খেতে বসে প্রথমেই সেই শাক খেলে খাওয়াতে রুচি আসবে। এই শাক খেলে পেটের গোলমাল কমে। পেটে সমস্যা এবং বদহজমের জন্য এই শাক খাওয়ার রেওয়াজ আছে। তেলাকুচার ভেষজ গুণ অনন্য। এর পাতা, লতা, মূল ও ফল ব্যবহার করা হয়।

উপকারিতা: ডায়াবেটিস হলে তেলাকুচার কাণ্ডসহ পাতা ছেঁচে রস আধা কাপ পরিমাণ প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে খেলে উপকার হয়। পাতা ভেজেও খেতে পারেন। তেলাকুচার মূল ছেঁচে রস প্রতিদিন সকালে আধা কাপ পরিমাণ খেলে জন্ডিস কমে।

অনেকক্ষণ পা ঝুলিয়ে বসে থাকলে যাদের পা ফুলে যায়, তারা তেলাকুচার মূল ও পাতা ছেঁচে রস ৩-৪ চা চামচ প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে খেলে পা আর ফুলবে না।

বুকে সর্দি বা কাশি বসে যাওয়ার কারণে অনেকের শ্বাসকষ্ট হয়। তেলাকুচার মূল ও পাতার রস অল্প গরম করে ৩-৪ চা চামচ পরিমাণ ৩ থেকে সাত দিন সকালে ও বিকেলে খেলে সমাধান পাওয়া সম্ভব।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে