Alexa মঞ্চে উঠে ‘বিব্রত’ এরশাদ-রওশন

ঢাকা, বুধবার   ১৭ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ২ ১৪২৬,   ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪০

মঞ্চে উঠে ‘বিব্রত’ এরশাদ-রওশন

 প্রকাশিত: ১১:২৩ ২৪ মার্চ ২০১৮   আপডেট: ১২:১০ ২৪ মার্চ ২০১৮

প্রায় দু’মাস ধরে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে সারাদেশে প্রচারণা চালায় জাতীয় পার্টি। দু’দফায় মহাসমাবেশের ঘোষনা দিয়ে চালানো হয় ব্যাপক প্রচারনা। দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিতরণ করা হয় লিফলেট। অনেকটা আগেভাগেই প্রথম দফার ঘোষনার কারণে বছরের শুরুতেই সিলেটে হযরত শাহজালালের মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে সমাবেশ ও নির্বাচনের প্রচারণায় নামেন এরশাদ। উদ্দেশ্য মহাসমাবেশ যেন হয় সফল। রাজনীতি ও নির্বাচনী মাঠে যেন দেখানো যায় নিজের শক্তিমত্তা।

একাদশ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার মহাসমাবেশে লোকসমাগমের রেকর্ড ভাঙার ঘোষণাও আসে দলীয় নেতাদের পক্ষ থেকে। কিন্তু, সমাবেশের দিন শনিবার সকালের বাস্তবতা ভিন্ন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে লোকসমাগম মোটামুটি হলেও, সমাবেশ মঞ্চে উঠেই বিব্রত হন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেত্রী রওশন।

রাজনৈতিক এই দম্পতি সকাল নয়টা ২০ মিনিটে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশ মঞ্চে আসেন। তখন তাদের পাশে দলের মহাসচিব ছাড়া আর কোনো কেন্দ্রীয় নেতাকে দেখা যায়নি।

এর আগে শনিবার সকাল থেকেই নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসেন। ঢোল-তবলা, ব্যানারসহ ব্যাপক উৎসাহে তাদের সমাবেশে যোগ দিতে দেখা যায়।সমাবেশের মূল মঞ্চের পাশে আরেকটি পৃথক মঞ্চ থেকে দেশাত্মকবোধক ও দলীয় গান পরিবেশন করা হচ্ছে। সেখানে গান গেয়েছেন নকূল কুমার বিশ্বাসসহ অনেকে।

এক ফাঁকে দলের মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার তাদের পাশের চেয়ারে গিয়ে বসেন। কিন্তু, নেতাকর্মীদের দিক-নির্দেশনা দিতে কিছু সময় পরই তাকে উঠে যেতে হয়।

এ সময় জাতীয় পার্টির মধ্যম সারির তিন নেতা ছাড়া কোনো প্রেসিডিয়াম সদস্যকেও দেখা যায়নি। পরে অবশ্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলাসহ দু’একজন আসেন।

বেশ আগেভাগে সমাবেশস্থলে এরশাদের উপস্থিতি দলের নেতাকর্মীদের প্রাণ সঞ্চার যোগায়। তবে এ সময় মঞ্চে এরশাদকে কিছুটা উদাস হয়ে বসে থাকতে দেখা যায়।

কেন্দ্রীয় নেতাদের ছাড়া মঞ্চে বসে এরশাদ ও রওশন নিজেদের মধ্যে কিছুক্ষণ আলাপ সেরে নেন। এরপর যে যার মত চুপচাপ বসে থাকেন। সবমিলে স্ত্রীকে পাশে নিয়ে এ সময় এরশাদকে বেশ খানিকটা বিব্রত অবস্থায় দেখা যায়।

ডেইলি বাংলোদেশ/এলকে