মজুরি না দেয়ার প্রতিবাদ করায় হামলা-ভাঙচুর

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৫ জুন ২০১৯,   আষাঢ় ১১ ১৪২৬,   ২০ শাওয়াল ১৪৪০

মজুরি না দেয়ার প্রতিবাদ করায় হামলা-ভাঙচুর

নওগাঁ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৪৪ ১৯ মে ২০১৯  

নওগাঁ সদর উপজেলার গাংজোয়ার গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বাড়িঘর ভাঙচুর, নগদ অর্থ লুটপাট ও এক গৃহবধূকে শ্লীলতাহানীর অভিযোগ উঠেছে।

নওগাঁর সদর মডেল থানার ওসি আব্দুল হাই বলেন, গাংজোয়ার উচ্চবিদ্যালয়ে পুরনো ভবন ভাঙার কাজ করেন গাংজোয়ার গ্রামের বাসিন্দা ফায়সাল, মোশাবর ও মিল্টনসহ কয়েকজন শ্রমিক। কাজ শেষে বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানের কাছে মজুরি চাইতে যান। কিন্তু সিদ্দিকুর তাঁদের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। তখন শ্রমিকদের সঙ্গে সিদ্দিকুর রহমানের কথা কাটাকাটি হয়। গত শুক্রবার ওই গ্রামের বাসিন্দা আরেফিন ইসলাম পিন্টু শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে সিদ্দিকুর রহমানের কাছে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানান। পিন্টুর সঙ্গে সিদ্দিকুরের কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। ওইদিন রাতে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সিদ্দিকুরের নেতৃত্বে ১৫-২০ জন লোক পিন্টুর বাড়িতে হামলা চালায়। তাঁরা বাড়ির জানালা-দরজা, আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এছাড়া ড্রয়ারে রাখা সাড়ে ৫ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে পিন্টুর বাবাকেও মারধর করা হয়। পিন্টুর স্ত্রী মাহফুজা আক্তারকে মারধর ও তাঁর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। সিদ্দিকুর রহমানসহ সাতজনসহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজনের নামে মামলা করেছেন পিন্টুর স্ত্রী মাহফুজা আক্তার। অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে সত্যতা পেলে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরেফিন ইসলাম পিন্টু বলেন, শ্রমিকদের পাওনা না দেওয়ার প্রতিবাদ করায় স্কুলের সভাপতি ও তাঁর লোকজন আমার বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। স্ত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছে। হামলার সময় বাড়ি থেকে একটু দূরেই বাজারে ছিলাম। হামলাকারীদের দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত দেখে আমি ওই সময় প্রাণ ভয়ে বাড়িতে না এসে দূর থেকে সবকিছু দেখি। পরে তাঁরা চলে গেলে আমি বাড়ি যাই।

অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্য জানতে গাংজোয়ার উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম