Alexa মঙ্গলে প্রাণের খোঁজ, মরুভূমিতেও

ঢাকা, বুধবার   ১৭ জুলাই ২০১৯,   শ্রাবণ ২ ১৪২৬,   ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪০

মঙ্গলে প্রাণের খোঁজ, মরুভূমিতেও

 প্রকাশিত: ১২:৪৪ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮   আপডেট: ১৩:২৬ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

ছবি- সংগৃহিত

ছবি- সংগৃহিত

ওমান মরুভূমি এখন একখণ্ড মঙ্গলে পরিণত হয়েছে৷ অস্ট্রিয়ান স্পেস ফোরামের নেতৃত্বে একটি গবেষক দল সেখানে তিন সপ্তাহের জন্য ঘাঁটি গেড়েছে৷ মঙ্গলে মিশন চালানোর জন্য মরুভূমিতে আপাতত তারা মহড়া দিচ্ছেন।

ছ’জন গবেষক এই গবেষণায় যোগ দিয়েছেন৷ তারা প্রত্যেকেই মহাকাশচারী৷ মঙ্গলে প্রাণের সন্ধানে যাওয়ার আগে ওমানের মরুভূমিতে তারা মহড়া দিচ্ছেন৷ সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশে কীভাবে নিজেদের মানিয়ে নিতে হয়, তারই মহড়া দিচ্ছেন তারা৷ এছাড়াও বেশ কিছু গবেষণাও করবেন তারা৷

আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের অন্যতম কন্ট্রোলার জোয়াও লউসাদা৷ একটি নতুন ধরনের স্পেস স্যুট পরে তিনি ওমানের মরুভূমিতে গবেষণা চালাচ্ছেন৷ এই স্পেস স্যুটটির নাম আউদা, যার ওজন প্রায় ৫০ কিলোগ্রাম৷ স্পেস স্যুটটি পরতে সময় লাগে প্রায় ১ ঘণ্টা৷ কিন্তু একবার পরে ফেললে, এর ভিতরে স্বাভাবিক শ্বাসপ্রশ্বাস নেয়া যায়, খাবার খাওয়া যায়৷ স্পেস স্যুটের ভিতরেই ম্যাপ দেখার ব্যবস্থা আছে৷ চাইলে নেভিগেটও করা যায়৷

আগামী ৩ সপ্তাহ মহাকাশচারীরা মরুভূমিতে এই ইগলুর মতো টেন্টেই কাটাবেন৷ গবেষকেরা মরুভূমির যে অংশটি বেছে নিয়েছেন, তার ভূপ্রকৃতি অনেকটা মঙ্গলের মতোই৷ প্রচুর পাথর আর বালু। সময়ে সময়ে সেখানে তাপমাত্রা পৌঁছে যায় ৫১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে৷ ওই তাপমাত্রাতেও ইগলুর মতো টেন্টগুলি ব্যবহার্যকিনা, তারও পরীক্ষা হবে৷

৩ সপ্তাহ ধরে গবেষকেরা মরুভূমিতে ১৬টি পরীক্ষা করবেন৷ সারা পৃথিবীর মহাকাশ গবেষকদের সঙ্গে আলোচনা করেই এই ১৬ টি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, যার মধ্যে রোবটের ব্যবহার হবে৷ প্রাণের সন্ধানের জন্য গ্রিন হাউসের পরীক্ষা হবে৷ থ্রি ডি প্রিন্টারের সাহায্যে প্রয়োজনীয় যন্ত্র তৈরির পরীক্ষাও হবে মরুভূমিতে৷

অস্ট্রিয়ার মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র এই প্রকল্পের নেতৃত্ব দিলেও বেশ কিছু বেসরকারি সংস্থাও টাকা ঢেলেছে৷ সারা পৃথিবীর প্রায় ২০ জন গবেষক বিভিন্নভাবে এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত৷ প্রকল্পের অন্যতম গবেষক কার্তিক কুমার জানিয়েছেন, গবেষণা করতে গিয়ে পৃথিবীর এবং সৌরজগতের যাতে কোনো ক্ষতি না হয়, সেদিকেও নজর রাখবেন তারা৷

সূত্র: ডয়েচে ভেলে

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআর