মঙ্গলগ্রহে পাঠানোর জন্য রোবট মৌমাছি বানাবে নাসা

ঢাকা, শুক্রবার   ২৯ মে ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ১৫ ১৪২৭,   ০৫ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

মঙ্গলগ্রহে পাঠানোর জন্য রোবট মৌমাছি বানাবে নাসা

 প্রকাশিত: ০১:৪৭ ৫ এপ্রিল ২০১৮  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

মঙ্গলগ্রহের পরিবেশ নিয়ে গবেষণার জন্য ২০১১ সালে ‘কিউরিওসিটি রোভার’ নামে একটি রোবটিক গাড়ি পাঠিয়েছিল নাসা। ২০১২ সালের আগস্টে মঙ্গলের মাটিতে অবতরণের পর থেকে তা পৃথিবীর গবেষকদের কাছে নানা প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠিয়ে আসছে। এবার এ গবেষণার পরিধি আরও বিস্তৃত করতে মৌমাছি আকৃতির রোবট পাঠানোর প্রকল্প হাতে নিয়েছে নাসা।

সম্প্রতি নাসার ওয়েবসাইটে মঙ্গলগ্রহে পাঠানোর জন্য রোবট-মৌমাছি তৈরির ঘোষণা দিয়েছে গবেষণাসংস্থাটি। এতে বলা হয়, প্রকল্পটি প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। মূলত রোবটিক গাড়ির বদলি হিসেবে এগুলো পাঠানো হবে। আর প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের গবেষকদের দু’টি দল।

গবেষকদের মতে, রোবটিক গাড়ি খুব ধীরগতিতে চলাচল করে। মঙ্গলের উঁচু-নিচু মাটিতে চলাচলের জন্য এর আকৃতিটাও বেমানান। তাছাড়া এতে খরচও বেশি। অপরদিকে রোবট-মৌমাছির আকৃতি ছোট, ডানার সাহায্যে বাতাসে ভেসে খুব সহজেই চলাচল করতে পারবে এবং এতে খরচও হবে অনেক কম।

মঙ্গলগ্রহের কম ঘনত্বের বায়ুমণ্ডল রোবট-মৌমাছির জন্য একটি বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিতে পারে। কিন্তু সেখানকার মাধ্যাকর্ষণ টান পৃথিবীর তিন ভাগের এক ভাগ। তাই ডানাওয়ালা মৌমাছিই সেখানে বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

রোবট-মৌমাছির মাধ্যমে গবেষকরা মঙ্গলের পাতলা বায়ুমণ্ডলে মিথেন গ্যাসের খোঁজ চালাবেন। পূর্ববর্তী গবেষণায় অল্প মাত্রায় গ্যাসটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু এর উৎপত্তির কারণ এখনও অজানা। মিথেন একপ্রকার ‘গ্রিনহাউজ গ্যাস’ যা কোনো স্থানে সম্ভাব্য প্রাণের ইঙ্গিত বহন করে।

রোবট-মৌমাছিগুলোর ডানার দৈর্ঘ্য হবে ১ দশমিক ২ ইঞ্চি। ডানাগুলো হেলিকপ্টারের মতো ঘোরার বদলে তা পাখির মতো ঝাপটে চলাচলে সাহায্য করবে। পৃথিবীতে ড্রোন বা এ ধরনের যন্ত্রের জন্য ঘূর্ণায়মান ডানা বেশি জনপ্রিয়। কিন্তু মঙ্গলের আবহাওয়ায় ঝাপটানো ডানা অধিক শক্তি সাশ্রয়ী হবে বলে জানান গবেষকরা।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএ