আশার আলো দেখছে ইতালি

ঢাকা, শনিবার   ৩০ মে ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ১৬ ১৪২৭,   ০৬ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

করোনাভাইরাস

আশার আলো দেখছে ইতালি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০০:২৯ ৩ এপ্রিল ২০২০   আপডেট: ১৭:৪৫ ৫ এপ্রিল ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

দিন যত যাচ্ছে, ইতালিতে মৃত্যুর মিছিল ততই বড় হচ্ছে। বৃহস্পতিবারও দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৭৬০ জন। এ নিয়ে দেশটিতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৯১৫, যা সারাবিশ্বের মধ্যেই সর্বোচ্চ।

এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেই সামান্য আশার আলো দেখছে ইতালি। কারণ, বুধবারের তুলনায় বৃহস্পতিবার দেশটিতে নতুন রোগী শনাক্তের হার কিছুটা কমেছে। এদিন সেখানে নতুন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৬৬৮ জন। এ নিয়ে ইতালিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ২৪২ জন।

বেড়েছে সুস্থ রোগীর সংখ্যাও। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশটিতে করোনামুক্ত হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন অন্তত ১৮ হাজার ২৭৮ জন।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ইতালি খুব শিগগিরই করোনা সংক্রমণের সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছে যাবে। এরপর থেকেই সেখানে মহামারির প্রকোপ কমতে থাকবে।

ইতালিতে করোনা সংক্রমণের কেন্দ্রস্থল এখনো লোম্বার্দি। বৃহস্পতিবারও সেখানে অন্তত ১ হাজার ৩০০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এদের অর্ধেকের বেশি রোগীকেই বাসায় রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, লোম্বার্দিতে প্রকৃত মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি। ডেটা বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান ইনটুইগের হিসাবে, লোম্বার্দিতে এপর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষ। অথচ সরকারি হিসাবে বলা হচ্ছে, সেখানে প্রাণহানির সংখ্যা মাত্র ২ হাজার ৬০ জন।

করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে গত বুধবার দেশজুড়ে লকডাউনের সময়সীমা আরও দু’সপ্তাহ বাড়িয়েছে ইতালি। অর্থাৎ, আগামী ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত দেশটিতে প্রায় সবধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম, যান চলাচল, অনাবশ্যক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহানে প্রথম এই ভাইরাসটি ধরা পড়ে। এরপর খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই এটি গোটা চীনসহ বিশ্বের ২০০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে যায়। এরইমধ্যে বিশ্বব্যাপী এ ভাইরাসে মারা গেছেন ৫১ হাজার ৩৭১ জন। আক্রান্ত হয়েছেন ১০ লাখ ৮৮৯ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ১০ হাজার ২৪৪ জন। 

সূত্র: ডেইলি মেইল

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএ/